


একদিকে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের অখণ্ড ভারত গঠনের দাবি, অন্যদিকে অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগের একটি পৃথক মুসলিম রাষ্ট্র 'পাকিস্তান' অর্জনের সংগ্রাম। এই চরম রাজনৈতিক অচলাবস্থায় ১৯৪৬ সালের আগস্ট মাসে কলকাতার রাজপথে যে ভয়াবহ রক্তের বন্যা ভেসে গিয়েছিল, তা 'গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং' (Great Calcutta Killing) বা 'দ্য উইক অব দ্য লং নাইভস' (The Week of the Long Knives) নামে ইতিহাসে পরিচিত। তৎকালীন অবিভক্ত বাংলার রাজধানী কলকাতা শহরে অনুষ্ঠিত এই দাঙ্গা কেবল একটি আঞ্চলিক গণহত্যা ছিল না; এটি ছিল এমন এক ঐতিহাসিক অশুভ মোড়, যা ১৯৪৭ সালের ভারত ও পাকিস্তান বিভাগকে সুনিশ্চিত এবং অনিবার্য করে তুলেছিল।

একদিকে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের অখণ্ড ভারত গঠনের দাবি, অন্যদিকে অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগের একটি পৃথক মুসলিম রাষ্ট্র 'পাকিস্তান' অর্জনের সংগ্রাম। এই চরম রাজনৈতিক অচলাবস্থায় ১৯৪৬ সালের আগস্ট মাসে কলকাতার রাজপথে যে ভয়াবহ রক্তের বন্যা ভেসে গিয়েছিল, তা 'গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং' (Great Calcutta Killing) বা 'দ্য উইক অব দ্য লং নাইভস' (The Week of the Long Knives) নামে ইতিহাসে পরিচিত। তৎকালীন অবিভক্ত বাংলার রাজধানী কলকাতা শহরে অনুষ্ঠিত এই দাঙ্গা কেবল একটি আঞ্চলিক গণহত্যা ছিল না; এটি ছিল এমন এক ঐতিহাসিক অশুভ মোড়, যা ১৯৪৭ সালের ভারত ও পাকিস্তান বিভাগকে সুনিশ্চিত এবং অনিবার্য করে তুলেছিল।

এদের মধ্য থেকে ১৯৫৩ সালে জেরুজালেমে তকীউদ্দীন আল-নাবহানী কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সংগঠন হিযবুত তাহরীর (Hizb ut-Tahrir) একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন ও ব্যতিক্রমী বিতর্কিত কৌশল অবলম্বন করে আসছে। সংগঠনটি অন্যান্য সশস্ত্র জঙ্গি গোষ্ঠীর মতো সরাসরি বোমাবাজি বা গেরিলা যুদ্ধে লিপ্ত হয় না, আবার প্রচলিত গণতান্ত্রিক নির্বাচনকেও 'অমুসলিম বা কুফরি পদ্ধতি' আখ্যা দিয়ে তারা বিশ্বাস করে না। এর পরিবর্তে তারা বেছে নিয়েছে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, বিশেষ করে সশস্ত্র বাহিনীর মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ সামরিক অভ্যুত্থান ঘটিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের এক সুনির্দিষ্ট ও গোপন পদ্ধতি, যা ইসলামি পরিভাষায় ‘নুসরাহ’ (Nusrah) নামে পরিচিত।

এদের মধ্য থেকে ১৯৫৩ সালে জেরুজালেমে তকীউদ্দীন আল-নাবহানী কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সংগঠন হিযবুত তাহরীর (Hizb ut-Tahrir) একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন ও ব্যতিক্রমী বিতর্কিত কৌশল অবলম্বন করে আসছে। সংগঠনটি অন্যান্য সশস্ত্র জঙ্গি গোষ্ঠীর মতো সরাসরি বোমাবাজি বা গেরিলা যুদ্ধে লিপ্ত হয় না, আবার প্রচলিত গণতান্ত্রিক নির্বাচনকেও 'অমুসলিম বা কুফরি পদ্ধতি' আখ্যা দিয়ে তারা বিশ্বাস করে না। এর পরিবর্তে তারা বেছে নিয়েছে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, বিশেষ করে সশস্ত্র বাহিনীর মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ সামরিক অভ্যুত্থান ঘটিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের এক সুনির্দিষ্ট ও গোপন পদ্ধতি, যা ইসলামি পরিভাষায় ‘নুসরাহ’ (Nusrah) নামে পরিচিত।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) পরিচালিত সর্বশেষ 'জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২' অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার মধ্যে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অনুপাত ৭.৯৫ শতাংশ। আনুপাতিক শতাংশের বিচারে দেখা যায়, বাংলাদেশের কিছু নির্দিষ্ট জেলায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের উপস্থিতি জাতীয় গড় (৭.৯৫%) থেকে বহু গুণে বেশি। মূলত দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পলল অববাহিকা, উত্তরবঙ্গের সীমান্তঘেঁষা সমভূমি এবং সিলেট বিভাগের চা-বাগান পরিবেষ্টিত অঞ্চলগুলোতে এই ঘনত্বের প্রাধান্য দৃশ্যমান।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) পরিচালিত সর্বশেষ 'জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২' অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার মধ্যে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অনুপাত ৭.৯৫ শতাংশ। আনুপাতিক শতাংশের বিচারে দেখা যায়, বাংলাদেশের কিছু নির্দিষ্ট জেলায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের উপস্থিতি জাতীয় গড় (৭.৯৫%) থেকে বহু গুণে বেশি। মূলত দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পলল অববাহিকা, উত্তরবঙ্গের সীমান্তঘেঁষা সমভূমি এবং সিলেট বিভাগের চা-বাগান পরিবেষ্টিত অঞ্চলগুলোতে এই ঘনত্বের প্রাধান্য দৃশ্যমান।

করিম সাহেব হতাশ হয়ে মনে মনে ভাবতে লাগলেন, "আমি তো আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা করেছিলাম, তবে কেন আমার অবস্থা আরও খারাপ হলো?" এখানেই নিহিত রয়েছে আধুনিক মুসলিম সমাজের একটি সবচেয়ে বড় ভুল ধারণা ও বিভ্রান্তি। করিম সাহেব যাকে 'তাওয়াক্কুল' বা ভরসা ভেবেছিলেন, তা প্রকৃতপক্ষে তাওয়াক্কুল ছিল না; তা ছিল দায়িত্বহীনতা, অলসতা এবং কার্যকারণিক নিয়মকে উপেক্ষা করার এক আত্মঘাতী মানসিকতা।

করিম সাহেব হতাশ হয়ে মনে মনে ভাবতে লাগলেন, "আমি তো আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা করেছিলাম, তবে কেন আমার অবস্থা আরও খারাপ হলো?" এখানেই নিহিত রয়েছে আধুনিক মুসলিম সমাজের একটি সবচেয়ে বড় ভুল ধারণা ও বিভ্রান্তি। করিম সাহেব যাকে 'তাওয়াক্কুল' বা ভরসা ভেবেছিলেন, তা প্রকৃতপক্ষে তাওয়াক্কুল ছিল না; তা ছিল দায়িত্বহীনতা, অলসতা এবং কার্যকারণিক নিয়মকে উপেক্ষা করার এক আত্মঘাতী মানসিকতা।

বাণিজ্যিক কিংবা ঐতিহাসিক সমস্ত ইমারতকে পেছনে ফেলে খরচের দিক থেকে বিশ্বের শীর্ষতম স্থানে অবস্থান করছে একক একটি মহাস্থাপনা সৌদি আরবের মক্কায় অবস্থিত পবিত্র মসজিদুল হারাম (The Great Mosque of Mecca)। কাকতালীয়ভাবে, বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল এই স্থাপনাটি কোনো বহুজাতিক কর্পোরেট বাণিজ্যিক কেন্দ্র, বিলাসবহুল রিসোর্ট কিংবা কোনো সম্রাটের রাজপ্রাসাদ নয়; বরং এটি বিশ্বের প্রায় ২০০ কোটি মুসলিমের হৃদস্পন্দন ও ইবাদতের প্রাণকেন্দ্র। আধুনিক অর্থনৈতিক মূল্যায়নে এই ঐতিহ্যবাহী ও মহাপবিত্র মসজিদের অবকাঠামোগত মূল্য ধরা হয়েছে প্রায় ১১৫.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ১৩ লক্ষ ৮০ হাজার কোটি টাকারও বেশি)।

বাণিজ্যিক কিংবা ঐতিহাসিক সমস্ত ইমারতকে পেছনে ফেলে খরচের দিক থেকে বিশ্বের শীর্ষতম স্থানে অবস্থান করছে একক একটি মহাস্থাপনা সৌদি আরবের মক্কায় অবস্থিত পবিত্র মসজিদুল হারাম (The Great Mosque of Mecca)। কাকতালীয়ভাবে, বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল এই স্থাপনাটি কোনো বহুজাতিক কর্পোরেট বাণিজ্যিক কেন্দ্র, বিলাসবহুল রিসোর্ট কিংবা কোনো সম্রাটের রাজপ্রাসাদ নয়; বরং এটি বিশ্বের প্রায় ২০০ কোটি মুসলিমের হৃদস্পন্দন ও ইবাদতের প্রাণকেন্দ্র। আধুনিক অর্থনৈতিক মূল্যায়নে এই ঐতিহ্যবাহী ও মহাপবিত্র মসজিদের অবকাঠামোগত মূল্য ধরা হয়েছে প্রায় ১১৫.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ১৩ লক্ষ ৮০ হাজার কোটি টাকারও বেশি)।















