


ভারতের সামরিক ইতিহাসে এমন কিছু নাম রয়েছে, যা শুনলে আজও শত্রুর হৃদকম্প শুরু হয়। যার নাম শুনলে আজও পাকিস্তানি ও কাশ্মীরের সন্ত্রাসবাদীদের বুকে কাঁপন ধরে, আর প্রতিটি দেশপ্রেমিকের বুক গর্বে ভরে ওঠে। তেমনই একজন কিংবদন্তি হলেন মেজর মোহিত শর্মা (AC)। ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইতিহাসে তিনি কেবল একজন দক্ষ অফিসার ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন ছদ্মবেশে শত্রু নিধনের এক জাদুকর।

ভারতের সামরিক ইতিহাসে এমন কিছু নাম রয়েছে, যা শুনলে আজও শত্রুর হৃদকম্প শুরু হয়। যার নাম শুনলে আজও পাকিস্তানি ও কাশ্মীরের সন্ত্রাসবাদীদের বুকে কাঁপন ধরে, আর প্রতিটি দেশপ্রেমিকের বুক গর্বে ভরে ওঠে। তেমনই একজন কিংবদন্তি হলেন মেজর মোহিত শর্মা (AC)। ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইতিহাসে তিনি কেবল একজন দক্ষ অফিসার ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন ছদ্মবেশে শত্রু নিধনের এক জাদুকর।

ভারতের সামরিক ইতিহাসে এমন কিছু নাম রয়েছে, যা শুনলে আজও শত্রুর হৃদকম্প শুরু হয়। যার নাম শুনলে আজও পাকিস্তানি ও কাশ্মীরের সন্ত্রাসবাদীদের বুকে কাঁপন ধরে, আর প্রতিটি দেশপ্রেমিকের বুক গর্বে ভরে ওঠে। তেমনই একজন কিংবদন্তি হলেন মেজর মোহিত শর্মা (AC)। ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইতিহাসে তিনি কেবল একজন দক্ষ অফিসার ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন ছদ্মবেশে শত্রু নিধনের এক জাদুকর।

এমনই এক জনদরদি এক মানুষ ছিল বাংলায়। আর সেই মানুষ ছিল রঘুনাথ ঘোষ ওরফে কিংবদন্তি রঘু ডাকাত। রঘু ডাকাতের নাম শুনলেই মনে ভেসে ওঠে সেই ছোটবেলায় শোনা ডাকাতদের চিৎকার, লাঠিবাহিনীর আক্রমণ, ভয়, আতংক, আর একটা মুখাবয়ব যা দেখলে রক্ত হীম হয়ে যায়। ভয় আর আতংক মিশ্রিত সেই চরিত্র হল রঘু ডাকাত,যার নাম শুনলে ইংরেজ আমলে সত্যি সত্যি বাঘে গরুতে এক ঘাটে জল খেত।

এমনই এক জনদরদি এক মানুষ ছিল বাংলায়। আর সেই মানুষ ছিল রঘুনাথ ঘোষ ওরফে কিংবদন্তি রঘু ডাকাত। রঘু ডাকাতের নাম শুনলেই মনে ভেসে ওঠে সেই ছোটবেলায় শোনা ডাকাতদের চিৎকার, লাঠিবাহিনীর আক্রমণ, ভয়, আতংক, আর একটা মুখাবয়ব যা দেখলে রক্ত হীম হয়ে যায়। ভয় আর আতংক মিশ্রিত সেই চরিত্র হল রঘু ডাকাত,যার নাম শুনলে ইংরেজ আমলে সত্যি সত্যি বাঘে গরুতে এক ঘাটে জল খেত।

এমনই এক জনদরদি এক মানুষ ছিল বাংলায়। আর সেই মানুষ ছিল রঘুনাথ ঘোষ ওরফে কিংবদন্তি রঘু ডাকাত। রঘু ডাকাতের নাম শুনলেই মনে ভেসে ওঠে সেই ছোটবেলায় শোনা ডাকাতদের চিৎকার, লাঠিবাহিনীর আক্রমণ, ভয়, আতংক, আর একটা মুখাবয়ব যা দেখলে রক্ত হীম হয়ে যায়। ভয় আর আতংক মিশ্রিত সেই চরিত্র হল রঘু ডাকাত,যার নাম শুনলে ইংরেজ আমলে সত্যি সত্যি বাঘে গরুতে এক ঘাটে জল খেত।

বাংলার অপরাধ জগতের ইতিহাসে এমন কিছু নাম আছে, যারা শুনলে আজও পুরান ঢাকার গলিপথগুলোতে শিহরণ জেগে ওঠে। কিন্তু সেই আতঙ্কের গল্পের আড়ালে যদি লুকিয়ে থাকে এক সুমধুর কণ্ঠস্বর? যদি জানা যায়, যে হাতে সপাং করে রামদা চলত, সেই হাতই একসময় হারমোনিয়ামের রিডে তুলত ভৈরবী বা টপ্পার সুর? বলছি আশির দশকের ঢাকার মোস্ট ওয়ান্টেড অপরাধী আবুল হাসনাত কামাল, যাকে পুরো দেশ চিনত ‘গাল কাটা কামাল’ নামে।

বাংলার অপরাধ জগতের ইতিহাসে এমন কিছু নাম আছে, যারা শুনলে আজও পুরান ঢাকার গলিপথগুলোতে শিহরণ জেগে ওঠে। কিন্তু সেই আতঙ্কের গল্পের আড়ালে যদি লুকিয়ে থাকে এক সুমধুর কণ্ঠস্বর? যদি জানা যায়, যে হাতে সপাং করে রামদা চলত, সেই হাতই একসময় হারমোনিয়ামের রিডে তুলত ভৈরবী বা টপ্পার সুর? বলছি আশির দশকের ঢাকার মোস্ট ওয়ান্টেড অপরাধী আবুল হাসনাত কামাল, যাকে পুরো দেশ চিনত ‘গাল কাটা কামাল’ নামে।

বাংলার অপরাধ জগতের ইতিহাসে এমন কিছু নাম আছে, যারা শুনলে আজও পুরান ঢাকার গলিপথগুলোতে শিহরণ জেগে ওঠে। কিন্তু সেই আতঙ্কের গল্পের আড়ালে যদি লুকিয়ে থাকে এক সুমধুর কণ্ঠস্বর? যদি জানা যায়, যে হাতে সপাং করে রামদা চলত, সেই হাতই একসময় হারমোনিয়ামের রিডে তুলত ভৈরবী বা টপ্পার সুর? বলছি আশির দশকের ঢাকার মোস্ট ওয়ান্টেড অপরাধী আবুল হাসনাত কামাল, যাকে পুরো দেশ চিনত ‘গাল কাটা কামাল’ নামে।















