চীন যদি সত্যিই সব মুসলিমের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে থাকত, তবে দেশের সর্ববৃহৎ মুসলিম জাতিগোষ্ঠী 'হুই' (Hui) কিংবা অন্যান্য ক্ষুদ্র মুসলিম সম্প্রদায়গুলো কীভাবে বেইজিংয়ের রাজধানী থেকে শুরু করে সমগ্র চীনে শত শত বছর ধরে শান্তিতে ব্যবসা-বাণিজ্য ও ধর্মপালন করে আসছে? কেন কেন্দ্রীয় বেইজিং সরকারের মূল নিরাপত্তা অভিযানের চোখ কেবল জিনজিয়াং প্রদেশের উইঘুর মুসলিমদের দিকেই নিবদ্ধ?

চীন যদি সত্যিই সব মুসলিমের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে থাকত, তবে দেশের সর্ববৃহৎ মুসলিম জাতিগোষ্ঠী 'হুই' (Hui) কিংবা অন্যান্য ক্ষুদ্র মুসলিম সম্প্রদায়গুলো কীভাবে বেইজিংয়ের রাজধানী থেকে শুরু করে সমগ্র চীনে শত শত বছর ধরে শান্তিতে ব্যবসা-বাণিজ্য ও ধর্মপালন করে আসছে? কেন কেন্দ্রীয় বেইজিং সরকারের মূল নিরাপত্তা অভিযানের চোখ কেবল জিনজিয়াং প্রদেশের উইঘুর মুসলিমদের দিকেই নিবদ্ধ?

রাতারাতি, প্রায় চার শতাব্দী ধরে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর রাজনৈতিক ও আধ্যাত্মিক কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে টিকে থাকা উসমানীয় খিলাফতের সূর্য অস্তমিত হলো। এই ঐতিহাসিক ও বিতর্কিত সিদ্ধান্তের কারিগর ছিলেন মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক (Mustafa Kemal Atatürk) আধুনিক তুরস্কের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রথম রাষ্ট্রপতি। এক কলমের খোঁচায় তিনি কেবল চার শতাব্দীর উসমানীয় ঐতিহ্যকেই মুছে দেননি, বরং ১৪০০ বছরের ইসলামী খিলাফতের ধারণাকেই বিশ্বরাজনীতি থেকে বিলুপ্ত করেছিলেন।

রাতারাতি, প্রায় চার শতাব্দী ধরে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর রাজনৈতিক ও আধ্যাত্মিক কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে টিকে থাকা উসমানীয় খিলাফতের সূর্য অস্তমিত হলো। এই ঐতিহাসিক ও বিতর্কিত সিদ্ধান্তের কারিগর ছিলেন মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক (Mustafa Kemal Atatürk) আধুনিক তুরস্কের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রথম রাষ্ট্রপতি। এক কলমের খোঁচায় তিনি কেবল চার শতাব্দীর উসমানীয় ঐতিহ্যকেই মুছে দেননি, বরং ১৪০০ বছরের ইসলামী খিলাফতের ধারণাকেই বিশ্বরাজনীতি থেকে বিলুপ্ত করেছিলেন।

পশ্চিমা মূলধারার সংবাদমাধ্যমগুলো যখনই ফিলিস্তিনের রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতাকামী আন্দোলন কিংবা গাজার সশস্ত্র প্রতিরোধ নিয়ে আলোচনা করে, তখনই তারা অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট ও কৌশলী ভাষায় কিছু তকমা ব্যবহার করে ‘সন্ত্রাসী’, ‘উগ্রপন্থী’ কিংবা ‘শান্তি বিনষ্টকারী’। কিন্তু ইতিহাসের ধূলিজাল ও প্রপাগান্ডার আড়ালে তারা অত্যন্ত সতর্কতার সাথে যে নামটি মুছে ফেলতে চায়, তা হলো শায়খ ইযউদ্দীন আল-কাসসাম (Shaykh Izz ad-Din al-Qassam)।

পশ্চিমা মূলধারার সংবাদমাধ্যমগুলো যখনই ফিলিস্তিনের রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতাকামী আন্দোলন কিংবা গাজার সশস্ত্র প্রতিরোধ নিয়ে আলোচনা করে, তখনই তারা অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট ও কৌশলী ভাষায় কিছু তকমা ব্যবহার করে ‘সন্ত্রাসী’, ‘উগ্রপন্থী’ কিংবা ‘শান্তি বিনষ্টকারী’। কিন্তু ইতিহাসের ধূলিজাল ও প্রপাগান্ডার আড়ালে তারা অত্যন্ত সতর্কতার সাথে যে নামটি মুছে ফেলতে চায়, তা হলো শায়খ ইযউদ্দীন আল-কাসসাম (Shaykh Izz ad-Din al-Qassam)।

এই শতাব্দীতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে এমন কিছু ব্যক্তিত্বের উত্থান ঘটে, যারা কেবল আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর মাথাব্যথার কারণই ছিল না, বরং সমান্তরাল অর্থনীতি, রাজনীতি ও সমাজব্যবস্থাকে নিজেদের আঙুলের ইশারায় নাচিয়েছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘প্রহিবিশন’ বা মদ নিষিদ্ধকরণের যুগ থেকে শুরু করে ল্যাটিন আমেরিকার কোকেন সাম্রাজ্য, কিংবা এশিয়ার আন্তর্জাতিক অপরাধ সিন্ডিকেট এসব গ্যাংস্টাররা নিজস্ব এক মায়াজাল বা মিথ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছিল।

এই শতাব্দীতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে এমন কিছু ব্যক্তিত্বের উত্থান ঘটে, যারা কেবল আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর মাথাব্যথার কারণই ছিল না, বরং সমান্তরাল অর্থনীতি, রাজনীতি ও সমাজব্যবস্থাকে নিজেদের আঙুলের ইশারায় নাচিয়েছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘প্রহিবিশন’ বা মদ নিষিদ্ধকরণের যুগ থেকে শুরু করে ল্যাটিন আমেরিকার কোকেন সাম্রাজ্য, কিংবা এশিয়ার আন্তর্জাতিক অপরাধ সিন্ডিকেট এসব গ্যাংস্টাররা নিজস্ব এক মায়াজাল বা মিথ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছিল।

১৯৭১ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত মাত্র আট বছরের শাসনকালে তিনি একটি সম্ভাবনাময় আফ্রিকান রাষ্ট্রকে রূপান্তরিত করেছিলেন এক জীবন্ত নরকপুরীতে। ইতিহাস তাঁকে মনে রেখেছে "উগান্ডার কসাই" (The Butcher of Uganda) হিসেবে। নিজের দেশবাসীকে নির্বিচারে হত্যা করা, বিরোধী মতকে নিশ্চিহ্ন করা, অর্থনীতি ধ্বংস করে সংখ্যালঘু এশীয়দের বিতাড়ন এবং বিশ্বমঞ্চে চরম উন্মাদনামূলক আচরণ ছিল তার নিত্যদিনের নীতি।

১৯৭১ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত মাত্র আট বছরের শাসনকালে তিনি একটি সম্ভাবনাময় আফ্রিকান রাষ্ট্রকে রূপান্তরিত করেছিলেন এক জীবন্ত নরকপুরীতে। ইতিহাস তাঁকে মনে রেখেছে "উগান্ডার কসাই" (The Butcher of Uganda) হিসেবে। নিজের দেশবাসীকে নির্বিচারে হত্যা করা, বিরোধী মতকে নিশ্চিহ্ন করা, অর্থনীতি ধ্বংস করে সংখ্যালঘু এশীয়দের বিতাড়ন এবং বিশ্বমঞ্চে চরম উন্মাদনামূলক আচরণ ছিল তার নিত্যদিনের নীতি।

সিরিয়া ও ইরাকের বিশাল ভূখণ্ড দখল করে তথাকথিত 'খিলাফত' ঘোষণা করা, নির্বিচারে মানবজাতি হত্যা, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে হত্যা ও দাস বানানো এবং বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দেওয়া ভয়াবহ আতঙ্কের রাজত্ব এই সংগঠনটিকে রাতারাতি আলোচনার শীর্ষে নিয়ে আসে। আইএসের উত্থান ও এর প্রধান আবু বকর আল-বাগদাদিকে নিয়ে বিশ্বজুড়ে কৌতূহল, রহস্য ও নানা রূপকথার জন্ম হয়েছে। সাধারণ মানুষের মনে প্রায়শই প্রশ্ন জাগে কীভাবে রাতারাতি একটি বিদ্রোহী দল পৃথিবীর সবচেয়ে সুসংগঠিত, অর্থবিত্তে ধনী এবং সামরিক দিক থেকে প্রশিক্ষিত সন্ত্রাসী বাহিনীতে পরিণত হলো?

সিরিয়া ও ইরাকের বিশাল ভূখণ্ড দখল করে তথাকথিত 'খিলাফত' ঘোষণা করা, নির্বিচারে মানবজাতি হত্যা, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে হত্যা ও দাস বানানো এবং বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দেওয়া ভয়াবহ আতঙ্কের রাজত্ব এই সংগঠনটিকে রাতারাতি আলোচনার শীর্ষে নিয়ে আসে। আইএসের উত্থান ও এর প্রধান আবু বকর আল-বাগদাদিকে নিয়ে বিশ্বজুড়ে কৌতূহল, রহস্য ও নানা রূপকথার জন্ম হয়েছে। সাধারণ মানুষের মনে প্রায়শই প্রশ্ন জাগে কীভাবে রাতারাতি একটি বিদ্রোহী দল পৃথিবীর সবচেয়ে সুসংগঠিত, অর্থবিত্তে ধনী এবং সামরিক দিক থেকে প্রশিক্ষিত সন্ত্রাসী বাহিনীতে পরিণত হলো?

শাসকরা তাঁদের রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার, ভূখণ্ড দখল, ধর্মীয় অন্ধত্ব কিংবা নীতিগত উন্মাদনা বাস্তবায়নের জন্য এমন সব পথ বেছে নিয়েছিলেন, যা মানবতা ও নৈতিকতার সমস্ত সীমা লঙ্ঘন করেছিল। শাসক হিসেবে অনেকেই শাসনভার পরিচালনা করেন, কিন্তু যখন কোনো শাসকের অস্তিত্বের সাথে কোটি কোটি মানুষের মৃত্যু, নির্যাতন এবং চরম মানবিক বিপর্যয় জড়িয়ে পড়ে, তখন তিনি আর সাধারণ নৃপতি থাকেন না; পরিণত হন ইতিহাসের এক-একটি আতঙ্কিত অধ্যায়ে।

শাসকরা তাঁদের রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার, ভূখণ্ড দখল, ধর্মীয় অন্ধত্ব কিংবা নীতিগত উন্মাদনা বাস্তবায়নের জন্য এমন সব পথ বেছে নিয়েছিলেন, যা মানবতা ও নৈতিকতার সমস্ত সীমা লঙ্ঘন করেছিল। শাসক হিসেবে অনেকেই শাসনভার পরিচালনা করেন, কিন্তু যখন কোনো শাসকের অস্তিত্বের সাথে কোটি কোটি মানুষের মৃত্যু, নির্যাতন এবং চরম মানবিক বিপর্যয় জড়িয়ে পড়ে, তখন তিনি আর সাধারণ নৃপতি থাকেন না; পরিণত হন ইতিহাসের এক-একটি আতঙ্কিত অধ্যায়ে।

একাদিক্রমে বহু দশক ধরে ‘সৌদি আরব’ নামটি উচ্চারিত হওয়ার সাথে সাথে বৈশ্বিক মানসপটে ভেসে উঠত চরম রক্ষণশীল এক ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্রের ছবি। যেখানে নারীদের জন্য ছিল কঠোর পর্দা ও চলাফেরায় নিষেধাজ্ঞা, গান-বাজনা ও সিনেমা ছিল নিষিদ্ধ, রাজপথে টহল দিত পরাক্রমশালী ধর্মীয় পুলিশ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিটি নীতি নির্ধারিত হতো অষ্টাদশ শতাব্দীর কঠোর বিশুদ্ধবাদী ধর্মীয় মতাদর্শ অনুযায়ী। তবে গত কয়েক বছরে মরুভূমির সেই দেশে বইছে এক নজিরবিহীন পরিবর্তনের হাওয়া।

একাদিক্রমে বহু দশক ধরে ‘সৌদি আরব’ নামটি উচ্চারিত হওয়ার সাথে সাথে বৈশ্বিক মানসপটে ভেসে উঠত চরম রক্ষণশীল এক ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্রের ছবি। যেখানে নারীদের জন্য ছিল কঠোর পর্দা ও চলাফেরায় নিষেধাজ্ঞা, গান-বাজনা ও সিনেমা ছিল নিষিদ্ধ, রাজপথে টহল দিত পরাক্রমশালী ধর্মীয় পুলিশ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিটি নীতি নির্ধারিত হতো অষ্টাদশ শতাব্দীর কঠোর বিশুদ্ধবাদী ধর্মীয় মতাদর্শ অনুযায়ী। তবে গত কয়েক বছরে মরুভূমির সেই দেশে বইছে এক নজিরবিহীন পরিবর্তনের হাওয়া।

অর্থনৈতিক উত্থান-পতন কিংবা আন্তর্জাতিক কঠোর নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও তেহরান তাদের সামরিক ও প্রতিরক্ষা খাতে কখনোই অর্থ বরাদ্দে কার্পণ্য করেনি। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন আঞ্চলিক সংকটে নিজেদের মিত্রদের (যাদের পশ্চিমারা প্রক্সি বা ছায়াবহর হিসেবে আখ্যা দেয়) সহায়তার মাধ্যমে ইরান নিজেদের ভূ-রাজনৈতিক বলয় বিস্তৃত করেছে। তবে বৈশ্বিক মোড়লদের সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অভাবনীয় অগ্রগতি।

অর্থনৈতিক উত্থান-পতন কিংবা আন্তর্জাতিক কঠোর নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও তেহরান তাদের সামরিক ও প্রতিরক্ষা খাতে কখনোই অর্থ বরাদ্দে কার্পণ্য করেনি। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন আঞ্চলিক সংকটে নিজেদের মিত্রদের (যাদের পশ্চিমারা প্রক্সি বা ছায়াবহর হিসেবে আখ্যা দেয়) সহায়তার মাধ্যমে ইরান নিজেদের ভূ-রাজনৈতিক বলয় বিস্তৃত করেছে। তবে বৈশ্বিক মোড়লদের সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অভাবনীয় অগ্রগতি।

মানবদেহে রক্তের ভূমিকা যতটা মৌলিক ও অপরিহার্য, আধুনিক বিশ্ব অর্থনীতিতে খনিজ তেলের ভূমিকা ঠিক ততটাই সংবেদনশীল ও বিস্তৃত। রক্ত সঞ্চালন বন্ধ হলে যেমন মানবদেহের সমস্ত অঙ্গপ্রঙ্গ অচল হয়ে পড়ে, তেমনি জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যাহত হলে বিশ্ব অর্থনীতির পুরো গতিচক্র নিমেষেই স্তব্ধ হয়ে যেতে পারে। প্রাত্যহিক যাতায়াত থেকে শুরু করে বিশাল শিল্পকারখানার চাকা ঘোড়ানো, কৃষিভূমির উর্বরতা বৃদ্ধি থেকে শুরু করে দূরদূরান্তে খাদ্যপণ্য পরিবহন সবকিছুতেই প্রচ্ছন্নভাবে জড়িয়ে আছে এই জীবাশ্ম জ্বালানি।

মানবদেহে রক্তের ভূমিকা যতটা মৌলিক ও অপরিহার্য, আধুনিক বিশ্ব অর্থনীতিতে খনিজ তেলের ভূমিকা ঠিক ততটাই সংবেদনশীল ও বিস্তৃত। রক্ত সঞ্চালন বন্ধ হলে যেমন মানবদেহের সমস্ত অঙ্গপ্রঙ্গ অচল হয়ে পড়ে, তেমনি জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যাহত হলে বিশ্ব অর্থনীতির পুরো গতিচক্র নিমেষেই স্তব্ধ হয়ে যেতে পারে। প্রাত্যহিক যাতায়াত থেকে শুরু করে বিশাল শিল্পকারখানার চাকা ঘোড়ানো, কৃষিভূমির উর্বরতা বৃদ্ধি থেকে শুরু করে দূরদূরান্তে খাদ্যপণ্য পরিবহন সবকিছুতেই প্রচ্ছন্নভাবে জড়িয়ে আছে এই জীবাশ্ম জ্বালানি।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া কিংবা ভারত সব দেশেরই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিচালিত হয় একক সামরিক কমান্ডের অধীনে। কিন্তু পশ্চিম এশিয়ার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী দেশ ইরানের চিত্রটি সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ও জটিল। ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, দেশটির ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক সীমানা রক্ষার জন্য একটি নয়, বরং দুটি আলাদা ও শক্তিশালী সেনাবাহিনী সমান্তরালভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া কিংবা ভারত সব দেশেরই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিচালিত হয় একক সামরিক কমান্ডের অধীনে। কিন্তু পশ্চিম এশিয়ার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী দেশ ইরানের চিত্রটি সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ও জটিল। ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, দেশটির ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক সীমানা রক্ষার জন্য একটি নয়, বরং দুটি আলাদা ও শক্তিশালী সেনাবাহিনী সমান্তরালভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

বিশ্ব ইতিহাসের ধারা উল্টে দিয়ে সম্পূর্ণ বিপরীত এক নজির স্থাপন করেছিল আফ্রিকা মহাদেশের অন্যতম শক্তিশালী দেশ দক্ষিণ আফ্রিকা। নিজেদের প্রযুক্তিতে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করে ৬টি পূর্ণাঙ্গ পারমাণবিক বোমার সশ্রদ্ধ সমাবেশ ঘটিয়ে এবং ৭ম বোমাটির কাজ প্রায় অর্ধেকের বেশি শেষ করেও বিশ্বমঞ্চের কোনো সামরিক চাপ ছাড়াই স্বেচ্ছায়, নিজ হাতে সেই সব পারমাণবিক অস্ত্র ধ্বংস করে দিয়েছিল দেশটি।

বিশ্ব ইতিহাসের ধারা উল্টে দিয়ে সম্পূর্ণ বিপরীত এক নজির স্থাপন করেছিল আফ্রিকা মহাদেশের অন্যতম শক্তিশালী দেশ দক্ষিণ আফ্রিকা। নিজেদের প্রযুক্তিতে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করে ৬টি পূর্ণাঙ্গ পারমাণবিক বোমার সশ্রদ্ধ সমাবেশ ঘটিয়ে এবং ৭ম বোমাটির কাজ প্রায় অর্ধেকের বেশি শেষ করেও বিশ্বমঞ্চের কোনো সামরিক চাপ ছাড়াই স্বেচ্ছায়, নিজ হাতে সেই সব পারমাণবিক অস্ত্র ধ্বংস করে দিয়েছিল দেশটি।

দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের হিমশীতল ও উত্তাল তরঙ্গের মাঝে অবস্থিত একটি নির্জন দ্বীপপুঞ্জ ফকল্যান্ড (আর্জেন্টাইনদের কাছে যা ‘লাস মালভিনাস’ নামে পরিচিত)। মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন, প্রায় ৭৭৮টি ছোট-বড় দ্বীপের সমন্বয়ে গঠিত এই অঞ্চলটির মোট আয়তন মাত্র ৪,৭০০ বর্গমাইল। এর মধ্যে প্রধান দুটি দ্বীপের নাম পূর্ব ফকল্যান্ড এবং পশ্চিম ফকল্যান্ড।

দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের হিমশীতল ও উত্তাল তরঙ্গের মাঝে অবস্থিত একটি নির্জন দ্বীপপুঞ্জ ফকল্যান্ড (আর্জেন্টাইনদের কাছে যা ‘লাস মালভিনাস’ নামে পরিচিত)। মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন, প্রায় ৭৭৮টি ছোট-বড় দ্বীপের সমন্বয়ে গঠিত এই অঞ্চলটির মোট আয়তন মাত্র ৪,৭০০ বর্গমাইল। এর মধ্যে প্রধান দুটি দ্বীপের নাম পূর্ব ফকল্যান্ড এবং পশ্চিম ফকল্যান্ড।

দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে বালোচিস্তান এমন এক ক্ষতবিক্ষত অঞ্চলের নাম, যেখানে প্রতিদিন অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে রক্ত ঝরছে। যুগের পর যুগ ধরে রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন, বলপূর্বক গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং প্রাকৃতিক সম্পদের নির্মম শোষণের শিকার বালোচ জনগোষ্ঠী। সামরিক বুটের তলায় পিষ্ট এই অন্ধকার উপত্যকায় যখন পুরুষ নেতৃত্বকে পরিকল্পিতভাবে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হচ্ছিল, ঠিক তখনই এক স্বৈরাচারী ও নিপীড়ক ব্যবস্থার বুকে কাঁপন ধরিয়ে রাজপথে আবির্ভূত হন এক নারী। তিনি ডা. মাহারাং বালোচ।

দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে বালোচিস্তান এমন এক ক্ষতবিক্ষত অঞ্চলের নাম, যেখানে প্রতিদিন অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে রক্ত ঝরছে। যুগের পর যুগ ধরে রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন, বলপূর্বক গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং প্রাকৃতিক সম্পদের নির্মম শোষণের শিকার বালোচ জনগোষ্ঠী। সামরিক বুটের তলায় পিষ্ট এই অন্ধকার উপত্যকায় যখন পুরুষ নেতৃত্বকে পরিকল্পিতভাবে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হচ্ছিল, ঠিক তখনই এক স্বৈরাচারী ও নিপীড়ক ব্যবস্থার বুকে কাঁপন ধরিয়ে রাজপথে আবির্ভূত হন এক নারী। তিনি ডা. মাহারাং বালোচ।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের এলিট স্পেশাল ফোর্স বা কমান্ডো ইউনিটের কথা উঠলেই আমাদের চোখে ভেসে ওঠে ব্রিটিশ SAS, মার্কিন Navy SEALs, কিংবা ইসরায়েলের Sayeret Matkal-এর মতো অত্যন্ত দক্ষ ও সফল বাহিনীর ছবি। জিম্মি উদ্ধার কিংবা চরম ঝুঁকিপূর্ণ অপারেশনে এদের নিখুঁত পরিকল্পনা আর কার্যকারিতা বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত। কিন্তু সামরিক ইতিহাসের পাতা উল্টালো জানা যায়, সব স্পেশাল ফোর্সের গল্প সাফল্যের আলোয় মোড়ানো থাকে না। কিছু কিছু ক্ষেত্রে অতি-উৎসাহ, ভুল পরিকল্পনা এবং সমন্বয়হীনতা এমন বিপর্যয় ডেকে আনে যা ইতিহাসের পাতায় চিরকালের জন্য কলঙ্কিত হয়ে থাকে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের এলিট স্পেশাল ফোর্স বা কমান্ডো ইউনিটের কথা উঠলেই আমাদের চোখে ভেসে ওঠে ব্রিটিশ SAS, মার্কিন Navy SEALs, কিংবা ইসরায়েলের Sayeret Matkal-এর মতো অত্যন্ত দক্ষ ও সফল বাহিনীর ছবি। জিম্মি উদ্ধার কিংবা চরম ঝুঁকিপূর্ণ অপারেশনে এদের নিখুঁত পরিকল্পনা আর কার্যকারিতা বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত। কিন্তু সামরিক ইতিহাসের পাতা উল্টালো জানা যায়, সব স্পেশাল ফোর্সের গল্প সাফল্যের আলোয় মোড়ানো থাকে না। কিছু কিছু ক্ষেত্রে অতি-উৎসাহ, ভুল পরিকল্পনা এবং সমন্বয়হীনতা এমন বিপর্যয় ডেকে আনে যা ইতিহাসের পাতায় চিরকালের জন্য কলঙ্কিত হয়ে থাকে।

ভারতের সামরিক ইতিহাসে এমন কিছু নাম রয়েছে, যা শুনলে আজও শত্রুর হৃদকম্প শুরু হয়। যার নাম শুনলে আজও পাকিস্তানি ও কাশ্মীরের সন্ত্রাসবাদীদের বুকে কাঁপন ধরে, আর প্রতিটি দেশপ্রেমিকের বুক গর্বে ভরে ওঠে। তেমনই একজন কিংবদন্তি হলেন মেজর মোহিত শর্মা (AC)। ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইতিহাসে তিনি কেবল একজন দক্ষ অফিসার ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন ছদ্মবেশে শত্রু নিধনের এক জাদুকর।

ভারতের সামরিক ইতিহাসে এমন কিছু নাম রয়েছে, যা শুনলে আজও শত্রুর হৃদকম্প শুরু হয়। যার নাম শুনলে আজও পাকিস্তানি ও কাশ্মীরের সন্ত্রাসবাদীদের বুকে কাঁপন ধরে, আর প্রতিটি দেশপ্রেমিকের বুক গর্বে ভরে ওঠে। তেমনই একজন কিংবদন্তি হলেন মেজর মোহিত শর্মা (AC)। ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইতিহাসে তিনি কেবল একজন দক্ষ অফিসার ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন ছদ্মবেশে শত্রু নিধনের এক জাদুকর।

বিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে জীবনের অন্যতম প্রধান একটি সামাজিক ও ব্যক্তিগত উৎসব। সাধারণ মানুষের কাছে বিয়ে মানে একটি সামাজিক বন্ধন আর প্রিয়জনদের মিলনমেলা। কিন্তু যখন বিশ্বের শীর্ষ ধনকুবেরদের ঘরের বিয়ের কথা আসে, তখন সেটি আর কেবল বিয়ে থাকে না; হয়ে ওঠে আভিজাত্য, ক্ষমতা এবং ঐশ্বর্যের এক মহাকাব্যিক প্রদর্শনী। যখন সাধারণ মানুষ তাদের বিশেষ দিনটিকে স্মরণীয় করতে সাধ্যমতো চেষ্টা করেন, তখন বিশ্বের প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বরা খরচ করেন কোটি কোটি ডলার। রাজকীয় আভিজাত্য থেকে শুরু করে ধনকুবেরদের বিশাল আয়োজন বিয়ের পিঁড়িতে বসা দম্পতিদের এই জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের খবর যুগে যুগে মানুষকে চমকে দিয়েছে।

বিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে জীবনের অন্যতম প্রধান একটি সামাজিক ও ব্যক্তিগত উৎসব। সাধারণ মানুষের কাছে বিয়ে মানে একটি সামাজিক বন্ধন আর প্রিয়জনদের মিলনমেলা। কিন্তু যখন বিশ্বের শীর্ষ ধনকুবেরদের ঘরের বিয়ের কথা আসে, তখন সেটি আর কেবল বিয়ে থাকে না; হয়ে ওঠে আভিজাত্য, ক্ষমতা এবং ঐশ্বর্যের এক মহাকাব্যিক প্রদর্শনী। যখন সাধারণ মানুষ তাদের বিশেষ দিনটিকে স্মরণীয় করতে সাধ্যমতো চেষ্টা করেন, তখন বিশ্বের প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বরা খরচ করেন কোটি কোটি ডলার। রাজকীয় আভিজাত্য থেকে শুরু করে ধনকুবেরদের বিশাল আয়োজন বিয়ের পিঁড়িতে বসা দম্পতিদের এই জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের খবর যুগে যুগে মানুষকে চমকে দিয়েছে।

মধ্যযুগের ইতিহাস মানেই কেবল তরবারির ঝনঝনানি বা দুর্ভেদ্য দুর্গের লড়াই নয়; বরং এটি ছিল বুদ্ধির লড়াই এবং সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্রের এক স্বর্ণযুগ। সেই সময়ে যখন একটি চিঠি ধরা পড়ার অর্থ ছিল নিশ্চিত মৃত্যু বা রাষ্ট্রদ্রোহের সাজা, তখন গুপ্তচররা বেছে নিয়েছিলেন এক অভাবনীয় পথ 'ভিজ্যুয়াল কোড' বা পোশাক ও গহনার সংকেত। যেখানে শব্দ উচ্চারণ করা ছিল বিপজ্জনক, সেখানে কেবল একটি হাতের আংটি বা চুলের বিন্যাস বদলে দিতে পারত একটি সাম্রাজ্যের ভাগ্য।

মধ্যযুগের ইতিহাস মানেই কেবল তরবারির ঝনঝনানি বা দুর্ভেদ্য দুর্গের লড়াই নয়; বরং এটি ছিল বুদ্ধির লড়াই এবং সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্রের এক স্বর্ণযুগ। সেই সময়ে যখন একটি চিঠি ধরা পড়ার অর্থ ছিল নিশ্চিত মৃত্যু বা রাষ্ট্রদ্রোহের সাজা, তখন গুপ্তচররা বেছে নিয়েছিলেন এক অভাবনীয় পথ 'ভিজ্যুয়াল কোড' বা পোশাক ও গহনার সংকেত। যেখানে শব্দ উচ্চারণ করা ছিল বিপজ্জনক, সেখানে কেবল একটি হাতের আংটি বা চুলের বিন্যাস বদলে দিতে পারত একটি সাম্রাজ্যের ভাগ্য।

বিশ্বের প্রায় ৮০০ কোটি মানুষের এই বিশাল জনসমুদ্রে ক্ষমতার বিন্যাস অত্যন্ত জটিল এবং বহুমুখী। একবিংশ শতাব্দীতে এসে ক্ষমতার সংজ্ঞা কেবল সামরিক শক্তি বা ভৌগোলিক আয়তনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বর্তমানে এমন কিছু ব্যক্তিত্ব রয়েছেন, যাদের প্রতিটি পদক্ষেপ, প্রতিটি টুইট, প্রতিটি ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত কিংবা প্রতিটি ভূ-রাজনৈতিক চাল সারা বিশ্বের অর্থনীতি ও রাজনীতিতে এক তীব্র কম্পন সৃষ্টি করে। ২০০৯ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় বিজনেস ম্যাগাজিন 'ফোর্বস' (Forbes) বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের এই তালিকা প্রকাশ করে আসছে, যা বিশ্বজুড়ে ক্ষমতার পটপরিবর্তনের এক অনবদ্য দলিল হিসেবে স্বীকৃত।

বিশ্বের প্রায় ৮০০ কোটি মানুষের এই বিশাল জনসমুদ্রে ক্ষমতার বিন্যাস অত্যন্ত জটিল এবং বহুমুখী। একবিংশ শতাব্দীতে এসে ক্ষমতার সংজ্ঞা কেবল সামরিক শক্তি বা ভৌগোলিক আয়তনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বর্তমানে এমন কিছু ব্যক্তিত্ব রয়েছেন, যাদের প্রতিটি পদক্ষেপ, প্রতিটি টুইট, প্রতিটি ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত কিংবা প্রতিটি ভূ-রাজনৈতিক চাল সারা বিশ্বের অর্থনীতি ও রাজনীতিতে এক তীব্র কম্পন সৃষ্টি করে। ২০০৯ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় বিজনেস ম্যাগাজিন 'ফোর্বস' (Forbes) বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের এই তালিকা প্রকাশ করে আসছে, যা বিশ্বজুড়ে ক্ষমতার পটপরিবর্তনের এক অনবদ্য দলিল হিসেবে স্বীকৃত।

মনুষ্যত্বের আড়ালে লুকিয়ে থাকা অন্ধকার জগতের গল্প সবসময়ই মানুষকে শিহরিত করে। কেন একজন মানুষ আর দশজন সাধারণ মানুষের মতো না হয়ে হিংস্র দানবে পরিণত হয়? কেন তাদের কাছে প্রাণের কোনো মূল্য থাকে না? সাধারণ খুনি আর সিরিয়াল কিলারের মধ্যে পার্থক্য হলো একজন সাধারণ খুনি কোনো নির্দিষ্ট আবেগের বশবর্তী হয়ে বা প্রয়োজনে খুন করে; কিন্তু সিরিয়াল কিলারের কাছে খুন করাটা হলো নেশা, এক বিকৃত আনন্দ বা এক অদ্ভুত ‘শিল্প’।

মনুষ্যত্বের আড়ালে লুকিয়ে থাকা অন্ধকার জগতের গল্প সবসময়ই মানুষকে শিহরিত করে। কেন একজন মানুষ আর দশজন সাধারণ মানুষের মতো না হয়ে হিংস্র দানবে পরিণত হয়? কেন তাদের কাছে প্রাণের কোনো মূল্য থাকে না? সাধারণ খুনি আর সিরিয়াল কিলারের মধ্যে পার্থক্য হলো একজন সাধারণ খুনি কোনো নির্দিষ্ট আবেগের বশবর্তী হয়ে বা প্রয়োজনে খুন করে; কিন্তু সিরিয়াল কিলারের কাছে খুন করাটা হলো নেশা, এক বিকৃত আনন্দ বা এক অদ্ভুত ‘শিল্প’।

১৯৬৫ সাল। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মানচিত্রে এক বিন্দু সমান জায়গা নিয়ে জন্ম নিল এক নতুন রাষ্ট্র সিঙ্গাপুর। কিন্তু সেই জন্ম কোনো উল্লাসের ছিল না, ছিল বিচ্ছেদ আর অনিশ্চয়তার এক করুণ আখ্যান। বিশ্বের বাঘা বাঘা রাজনৈতিক বিশ্লেষক আর অর্থনীতিবিদরা তখন রায় দিয়ে দিয়েছিলেন “সিঙ্গাপুর নামক এই রাষ্ট্রটির কোনো ভবিষ্যৎ নেই। এটি পানির অভাবেই ধ্বংস হয়ে যাবে।”

১৯৬৫ সাল। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মানচিত্রে এক বিন্দু সমান জায়গা নিয়ে জন্ম নিল এক নতুন রাষ্ট্র সিঙ্গাপুর। কিন্তু সেই জন্ম কোনো উল্লাসের ছিল না, ছিল বিচ্ছেদ আর অনিশ্চয়তার এক করুণ আখ্যান। বিশ্বের বাঘা বাঘা রাজনৈতিক বিশ্লেষক আর অর্থনীতিবিদরা তখন রায় দিয়ে দিয়েছিলেন “সিঙ্গাপুর নামক এই রাষ্ট্রটির কোনো ভবিষ্যৎ নেই। এটি পানির অভাবেই ধ্বংস হয়ে যাবে।”

পাকিস্তান একটি ব্যর্থ রাষ্ট্র। এই রাষ্ট্রে সবই আছে তবে কিছুতেই যেন কিছু ঠিক নেই। ঠিক নেই সেই জন্ম লগ্ন থেকেই। একের পর এক সামরিক শাসন, একাত্তরে বাংলাদেশ অংশে অগুনতি হত্যা-ধর্ষণ, ভারতের সাথে বিভিন্ন সময়ে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়া, সব শেষে দেশের ক্ষমতার লড়াই দেশটিকে পিছিয়ে দিয়েছে পুরো উপমহাদেশের সবকটা দেশ থেকে অনেক দূরে। আর এই পাকিস্তানের বুকে একসময় রাজত্ব করতো রেহমান ডাকাত। সদ্য বলিউডে মুক্তি পাওয়া সিনেমা 'ধুরন্ধর' এ দেখানো হয়েছে রেহমান ডাকাতকে। কিন্তু কে এই রেহমান ডাকাত? কীভাবে ডাকাত হয়েছিল সে? এই নাম কীভাবে এলো ওর?

পাকিস্তান একটি ব্যর্থ রাষ্ট্র। এই রাষ্ট্রে সবই আছে তবে কিছুতেই যেন কিছু ঠিক নেই। ঠিক নেই সেই জন্ম লগ্ন থেকেই। একের পর এক সামরিক শাসন, একাত্তরে বাংলাদেশ অংশে অগুনতি হত্যা-ধর্ষণ, ভারতের সাথে বিভিন্ন সময়ে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়া, সব শেষে দেশের ক্ষমতার লড়াই দেশটিকে পিছিয়ে দিয়েছে পুরো উপমহাদেশের সবকটা দেশ থেকে অনেক দূরে। আর এই পাকিস্তানের বুকে একসময় রাজত্ব করতো রেহমান ডাকাত। সদ্য বলিউডে মুক্তি পাওয়া সিনেমা 'ধুরন্ধর' এ দেখানো হয়েছে রেহমান ডাকাতকে। কিন্তু কে এই রেহমান ডাকাত? কীভাবে ডাকাত হয়েছিল সে? এই নাম কীভাবে এলো ওর?

যখন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যে সূর্য ডুবত না এক সময় বলা হতো, ব্রিটিশ সাম্রাজ্যে সূর্য কখনো অস্ত যায় না। উনিশ শতক থেকে বিশ শতকের শুরু পর্যন্ত লন্ডন ছিল বিশ্বের আর্থিক রাজধানী। পাউন্ড স্টার্লিং ছিল বৈশ্বিক বাণিজ্যের প্রধান মুদ্রা। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষী, কোনো সাম্রাজ্যই চিরস্থায়ী নয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ কেবল মানচিত্রই বদলে দেয়নি, বদলে দিয়েছিল বিশ্বের অর্থনৈতিক চালকের আসনটিও।

যখন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যে সূর্য ডুবত না এক সময় বলা হতো, ব্রিটিশ সাম্রাজ্যে সূর্য কখনো অস্ত যায় না। উনিশ শতক থেকে বিশ শতকের শুরু পর্যন্ত লন্ডন ছিল বিশ্বের আর্থিক রাজধানী। পাউন্ড স্টার্লিং ছিল বৈশ্বিক বাণিজ্যের প্রধান মুদ্রা। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষী, কোনো সাম্রাজ্যই চিরস্থায়ী নয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ কেবল মানচিত্রই বদলে দেয়নি, বদলে দিয়েছিল বিশ্বের অর্থনৈতিক চালকের আসনটিও।

মক্কার মসজিদুল হারামের ঠিক পাশেই আকাশচুম্বী যে স্থাপত্যটি বিশ্ববাসীর নজর কাড়ে, তা হলো ‘মক্কা রয়্যাল ক্লক টাওয়ার’। এটি কেবল একটি বহুতল ভবন নয়, বরং আধুনিক প্রকৌশল বিদ্যা, শৈল্পিক কারুকার্য এবং ইসলামী ঐতিহ্যের এক অনন্য সংমিশ্রণ। এই টাওয়ারের চূড়ায় অবস্থিত বিশাল ঘড়িটি আজ সময়ের এক নির্ভুল মূর্ত প্রতীক। প্রযুক্তির উৎকর্ষ আর বিশ্বাসের মেলবন্ধনে তৈরি এই স্থাপত্যটি নিয়ে সাজানো হয়েছে আজকের এই বিস্তারিত প্রতিবেদন।

মক্কার মসজিদুল হারামের ঠিক পাশেই আকাশচুম্বী যে স্থাপত্যটি বিশ্ববাসীর নজর কাড়ে, তা হলো ‘মক্কা রয়্যাল ক্লক টাওয়ার’। এটি কেবল একটি বহুতল ভবন নয়, বরং আধুনিক প্রকৌশল বিদ্যা, শৈল্পিক কারুকার্য এবং ইসলামী ঐতিহ্যের এক অনন্য সংমিশ্রণ। এই টাওয়ারের চূড়ায় অবস্থিত বিশাল ঘড়িটি আজ সময়ের এক নির্ভুল মূর্ত প্রতীক। প্রযুক্তির উৎকর্ষ আর বিশ্বাসের মেলবন্ধনে তৈরি এই স্থাপত্যটি নিয়ে সাজানো হয়েছে আজকের এই বিস্তারিত প্রতিবেদন।

ব্রাজিলের সাও পাওলো উপকূল থেকে মাত্র ৩৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এমনই এক দ্বীপ হলো ইলহা দে কুইমাদা গ্র্যান্ডে (Ilha de Queimada Grande) অথবা Queimada Grande Island। দূর থেকে দেখলে শান্ত, সবুজ ও মনোরম এই দ্বীপটিতে মানুষের কোনো বাস নেই। কারণ? এই দ্বীপটি হলো পৃথিবীর সবচেয়ে বিপজ্জনক সাপের আবাসভূমি, যা বিশ্বজুড়ে পরিচিত 'সাপের দ্বীপ' নামে।

ব্রাজিলের সাও পাওলো উপকূল থেকে মাত্র ৩৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এমনই এক দ্বীপ হলো ইলহা দে কুইমাদা গ্র্যান্ডে (Ilha de Queimada Grande) অথবা Queimada Grande Island। দূর থেকে দেখলে শান্ত, সবুজ ও মনোরম এই দ্বীপটিতে মানুষের কোনো বাস নেই। কারণ? এই দ্বীপটি হলো পৃথিবীর সবচেয়ে বিপজ্জনক সাপের আবাসভূমি, যা বিশ্বজুড়ে পরিচিত 'সাপের দ্বীপ' নামে।

আরাকান। একটি নাম যা আধুনিক বিশ্বে প্রায়শই সংঘাত, গণহত্যা এবং জাতিগত নিধনের ট্র্যাজেডির সাথে উচ্চারিত হয়। আরাকান কেবল মায়ানমারের একটি রাজ্য নয়, বরং এর উর্বর মাটি, অসাধারণ ভৌগোলিক অবস্থান এবং অফুরন্ত প্রাকৃতিক সম্পদ একে এশিয়া তথা বিশ্বের ভবিষ্যৎ খাদ্য নিরাপত্তা এবং ভূ-রাজনীতির এক অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত করেছে। ব্রিটিশরা যাকে একসময় বলত এই অঞ্চলের 'রাইস বোল' (Rice Bowl)।

আরাকান। একটি নাম যা আধুনিক বিশ্বে প্রায়শই সংঘাত, গণহত্যা এবং জাতিগত নিধনের ট্র্যাজেডির সাথে উচ্চারিত হয়। আরাকান কেবল মায়ানমারের একটি রাজ্য নয়, বরং এর উর্বর মাটি, অসাধারণ ভৌগোলিক অবস্থান এবং অফুরন্ত প্রাকৃতিক সম্পদ একে এশিয়া তথা বিশ্বের ভবিষ্যৎ খাদ্য নিরাপত্তা এবং ভূ-রাজনীতির এক অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত করেছে। ব্রিটিশরা যাকে একসময় বলত এই অঞ্চলের 'রাইস বোল' (Rice Bowl)।

ভারত এবং পাকিস্তান উভয়ই সম্পূর্ণ কাশ্মীরের উপর দাবি করে, কিন্তু বাস্তবে লাইন অফ কন্ট্রোল (এলওসি) দিয়ে এটি বিভক্ত। যদি পাকিস্তান কাশ্মীরের দাবি ছেড়ে দেয়? এটি কি শান্তির পথ খুলবে, নাকি নতুন সংকটের জন্ম দেবে? এমন সিদ্ধান্তের ফলে পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি কীভাবে বদলে যাবে, ভারতের সাথে সম্পর্ক কীভাবে পুনর্গঠিত হবে এবং কাশ্মীরের স্থানীয় জনগণের জন্য কী অর্থ বহন করবে।

ভারত এবং পাকিস্তান উভয়ই সম্পূর্ণ কাশ্মীরের উপর দাবি করে, কিন্তু বাস্তবে লাইন অফ কন্ট্রোল (এলওসি) দিয়ে এটি বিভক্ত। যদি পাকিস্তান কাশ্মীরের দাবি ছেড়ে দেয়? এটি কি শান্তির পথ খুলবে, নাকি নতুন সংকটের জন্ম দেবে? এমন সিদ্ধান্তের ফলে পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি কীভাবে বদলে যাবে, ভারতের সাথে সম্পর্ক কীভাবে পুনর্গঠিত হবে এবং কাশ্মীরের স্থানীয় জনগণের জন্য কী অর্থ বহন করবে।

জাতিসংঘ এবং পাকিস্তান পরিসংখ্যান ব্যুরোর (Pakistan Bureau of Statistics) তথ্যানুসারে, দেশটির জাতীয় পর্যায়ে সার্বিক বিবাহবিচ্ছেদের হার বিশ্বের সর্বনিম্ন স্তরের অন্যতম যা মাত্র ০.৩% থেকে ০.৫%-এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। যেখানে পশ্চিমা বিশ্ব এমনকি দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী দেশগুলোতে বৈবাহিক সম্পর্ক ভেঙে পড়ার প্রবণতা দিন দিন জটিল আকার ধারণ করছে, সেখানে পাকিস্তানি সমাজে বিয়ে ভেঙে যাওয়া এক বিরল ঘটনা হিসেবেই পরিগণিত হয়। প্রশ্ন উঠতে পারে পাক ভূখণ্ডের এই সামাজিক কাঠামোর অন্তরালে আসলে কী ধরনের অদৃশ্য চালিকাশক্তি সক্রিয় রয়েছে, যার ফলে সেখানে পারিবারিক বন্ধন সহজে চিড় ধরে না?

জাতিসংঘ এবং পাকিস্তান পরিসংখ্যান ব্যুরোর (Pakistan Bureau of Statistics) তথ্যানুসারে, দেশটির জাতীয় পর্যায়ে সার্বিক বিবাহবিচ্ছেদের হার বিশ্বের সর্বনিম্ন স্তরের অন্যতম যা মাত্র ০.৩% থেকে ০.৫%-এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। যেখানে পশ্চিমা বিশ্ব এমনকি দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী দেশগুলোতে বৈবাহিক সম্পর্ক ভেঙে পড়ার প্রবণতা দিন দিন জটিল আকার ধারণ করছে, সেখানে পাকিস্তানি সমাজে বিয়ে ভেঙে যাওয়া এক বিরল ঘটনা হিসেবেই পরিগণিত হয়। প্রশ্ন উঠতে পারে পাক ভূখণ্ডের এই সামাজিক কাঠামোর অন্তরালে আসলে কী ধরনের অদৃশ্য চালিকাশক্তি সক্রিয় রয়েছে, যার ফলে সেখানে পারিবারিক বন্ধন সহজে চিড় ধরে না?

পৃথিবীতে এমন কিছু জায়গা আছে, যেখানে প্রায় সারা বছরই বৃষ্টি হয়? বিশ্বের ক্রান্তীয় অঞ্চলের গহিন বন থেকে শুরু করে উচ্চভূমির পাহাড়ি এলাকা, প্রকৃতি সেখানে সাজিয়েছে অবিরাম বৃষ্টির রাজ্য! বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয় এমন স্থানগুলো সাধারণত পাহাড়ি বা গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে অবস্থিত, যেখানে আর্দ্র বায়ু, ভূ-প্রকৃতি এবং জলবায়ুর কারণে প্রচুর বৃষ্টি হয়।

পৃথিবীতে এমন কিছু জায়গা আছে, যেখানে প্রায় সারা বছরই বৃষ্টি হয়? বিশ্বের ক্রান্তীয় অঞ্চলের গহিন বন থেকে শুরু করে উচ্চভূমির পাহাড়ি এলাকা, প্রকৃতি সেখানে সাজিয়েছে অবিরাম বৃষ্টির রাজ্য! বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয় এমন স্থানগুলো সাধারণত পাহাড়ি বা গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে অবস্থিত, যেখানে আর্দ্র বায়ু, ভূ-প্রকৃতি এবং জলবায়ুর কারণে প্রচুর বৃষ্টি হয়।
























