/

/

বাংলাদেশ

বাংলাদেশ

আজকের দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে, আমাদের নিজের দেশ বাংলাদেশ সম্পর্কিত আপডেটেড খবর জানা শুধু দায়িত্ব নয়, বরং সচেতন নাগরিক হওয়ার অপরিহার্য শর্ত। অর্থনীতি, রাজনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি বা পরিবেশ প্রতিটি সেক্টরে প্রতিনিয়ত ঘটে চলেছে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন। বাংলাদেশ সম্পর্কিত সব ধরণের তথ্য ও খবর জানা আমাদের সুনাগরিক হিসেবে সামাজিক সচেতনতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তৈরিতে সহায়ক হতে পারে।

/

/

বাংলাদেশ

বাংলাদেশ

আজকের দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে, আমাদের নিজের দেশ বাংলাদেশ সম্পর্কিত আপডেটেড খবর জানা শুধু দায়িত্ব নয়, বরং সচেতন নাগরিক হওয়ার অপরিহার্য শর্ত। অর্থনীতি, রাজনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি বা পরিবেশ প্রতিটি সেক্টরে প্রতিনিয়ত ঘটে চলেছে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন। বাংলাদেশ সম্পর্কিত সব ধরণের তথ্য ও খবর জানা আমাদের সুনাগরিক হিসেবে সামাজিক সচেতনতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তৈরিতে সহায়ক হতে পারে।

/

/

বাংলাদেশ

বাংলাদেশ

আজকের দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে, আমাদের নিজের দেশ বাংলাদেশ সম্পর্কিত আপডেটেড খবর জানা শুধু দায়িত্ব নয়, বরং সচেতন নাগরিক হওয়ার অপরিহার্য শর্ত। অর্থনীতি, রাজনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি বা পরিবেশ প্রতিটি সেক্টরে প্রতিনিয়ত ঘটে চলেছে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন। বাংলাদেশ সম্পর্কিত সব ধরণের তথ্য ও খবর জানা আমাদের সুনাগরিক হিসেবে সামাজিক সচেতনতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তৈরিতে সহায়ক হতে পারে।

এদের মধ্য থেকে ১৯৫৩ সালে জেরুজালেমে তকীউদ্দীন আল-নাবহানী কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সংগঠন হিযবুত তাহরীর (Hizb ut-Tahrir) একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন ও ব্যতিক্রমী বিতর্কিত কৌশল অবলম্বন করে আসছে। সংগঠনটি অন্যান্য সশস্ত্র জঙ্গি গোষ্ঠীর মতো সরাসরি বোমাবাজি বা গেরিলা যুদ্ধে লিপ্ত হয় না, আবার প্রচলিত গণতান্ত্রিক নির্বাচনকেও 'অমুসলিম বা কুফরি পদ্ধতি' আখ্যা দিয়ে তারা বিশ্বাস করে না। এর পরিবর্তে তারা বেছে নিয়েছে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, বিশেষ করে সশস্ত্র বাহিনীর মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ সামরিক অভ্যুত্থান ঘটিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের এক সুনির্দিষ্ট ও গোপন পদ্ধতি, যা ইসলামি পরিভাষায় ‘নুসরাহ’ (Nusrah) নামে পরিচিত।

হিযবুত তাহরীর ও ‘নুসরাহ’ কৌশল - বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে অভ্যুত্থানের অপচেষ্টা

এদের মধ্য থেকে ১৯৫৩ সালে জেরুজালেমে তকীউদ্দীন আল-নাবহানী কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সংগঠন হিযবুত তাহরীর (Hizb ut-Tahrir) একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন ও ব্যতিক্রমী বিতর্কিত কৌশল অবলম্বন করে আসছে। সংগঠনটি অন্যান্য সশস্ত্র জঙ্গি গোষ্ঠীর মতো সরাসরি বোমাবাজি বা গেরিলা যুদ্ধে লিপ্ত হয় না, আবার প্রচলিত গণতান্ত্রিক নির্বাচনকেও 'অমুসলিম বা কুফরি পদ্ধতি' আখ্যা দিয়ে তারা বিশ্বাস করে না। এর পরিবর্তে তারা বেছে নিয়েছে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, বিশেষ করে সশস্ত্র বাহিনীর মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ সামরিক অভ্যুত্থান ঘটিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের এক সুনির্দিষ্ট ও গোপন পদ্ধতি, যা ইসলামি পরিভাষায় ‘নুসরাহ’ (Nusrah) নামে পরিচিত।

হিযবুত তাহরীর ও ‘নুসরাহ’ কৌশল - বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে অভ্যুত্থানের অপচেষ্টা

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) পরিচালিত সর্বশেষ 'জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২' অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার মধ্যে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অনুপাত ৭.৯৫ শতাংশ। আনুপাতিক শতাংশের বিচারে দেখা যায়, বাংলাদেশের কিছু নির্দিষ্ট জেলায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের উপস্থিতি জাতীয় গড় (৭.৯৫%) থেকে বহু গুণে বেশি। মূলত দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পলল অববাহিকা, উত্তরবঙ্গের সীমান্তঘেঁষা সমভূমি এবং সিলেট বিভাগের চা-বাগান পরিবেষ্টিত অঞ্চলগুলোতে এই ঘনত্বের প্রাধান্য দৃশ্যমান।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি হিন্দু যে ১০টি জেলায় - জনমিতি ও বৈচিত্র্যের চিত্রপট

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) পরিচালিত সর্বশেষ 'জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২' অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার মধ্যে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অনুপাত ৭.৯৫ শতাংশ। আনুপাতিক শতাংশের বিচারে দেখা যায়, বাংলাদেশের কিছু নির্দিষ্ট জেলায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের উপস্থিতি জাতীয় গড় (৭.৯৫%) থেকে বহু গুণে বেশি। মূলত দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পলল অববাহিকা, উত্তরবঙ্গের সীমান্তঘেঁষা সমভূমি এবং সিলেট বিভাগের চা-বাগান পরিবেষ্টিত অঞ্চলগুলোতে এই ঘনত্বের প্রাধান্য দৃশ্যমান।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি হিন্দু যে ১০টি জেলায় - জনমিতি ও বৈচিত্র্যের চিত্রপট

কুমিল্লার সুফি ঐতিহ্যের আকাশে এমনই এক উজ্জ্বল, প্রদীপ্ত ও অলৌকিক নক্ষত্রের নাম হযরত শাহ আব্দুল্লাহ গাজীপুরী (রহ.)। উনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি বা শেষভাগে ভারতের ঐতিহাসিক কানপুর ও গাজীপুর অঞ্চল থেকে আসা এই মহান সাধক কেবল ধর্ম প্রচারকই ছিলেন না; তিনি ছিলেন একজন অনন্য স্তরের 'মাজজুব' ও 'কামেল' ওলী, যাঁর স্পর্শে ও প্রার্থনায় হাজার হাজার বিভ্রান্ত মানুষ সত্যের পথ খুঁজে পেয়েছিল। কুমিল্লার উত্তর চর্থার ঐতিহাসিক ‘দারোগা বাড়ি’, ঐতিহাসিক তিন গম্বুজ বিশিষ্ট জামে মসজিদ, এবং চর্থার কোল ঘেঁষে উনাইসারের অলৌকিক মসজিদ নির্মাণ ও ঐতিহাসিক সাত দিনের চিল্লাহ সব মিলিয়ে হযরত শাহ আব্দুল্লাহ গাজীপুরী (রহ.)-এর জীবন ইতিহাস যেন এক জীবন্ত আধ্যাত্মিক উপাখ্যান।

কুমিল্লার সুফি ঐতিহ্যের আকাশে এমনই এক উজ্জ্বল, প্রদীপ্ত ও অলৌকিক নক্ষত্রের নাম হযরত শাহ আব্দুল্লাহ গাজীপুরী (রহ.)। উনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি বা শেষভাগে ভারতের ঐতিহাসিক কানপুর ও গাজীপুর অঞ্চল থেকে আসা এই মহান সাধক কেবল ধর্ম প্রচারকই ছিলেন না; তিনি ছিলেন একজন অনন্য স্তরের 'মাজজুব' ও 'কামেল' ওলী, যাঁর স্পর্শে ও প্রার্থনায় হাজার হাজার বিভ্রান্ত মানুষ সত্যের পথ খুঁজে পেয়েছিল। কুমিল্লার উত্তর চর্থার ঐতিহাসিক ‘দারোগা বাড়ি’, ঐতিহাসিক তিন গম্বুজ বিশিষ্ট জামে মসজিদ, এবং চর্থার কোল ঘেঁষে উনাইসারের অলৌকিক মসজিদ নির্মাণ ও ঐতিহাসিক সাত দিনের চিল্লাহ সব মিলিয়ে হযরত শাহ আব্দুল্লাহ গাজীপুরী (রহ.)-এর জীবন ইতিহাস যেন এক জীবন্ত আধ্যাত্মিক উপাখ্যান।

এই জনবহুল মেগাসিটির ব্যস্ততার মাঝে হঠাৎ এক টুকরো নীল জলরাশি, চারপাশে সবুজের ছোঁয়া, নান্দনিক সেতুর সারি এবং উন্মুক্ত বাতাস নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে যে প্রকল্পটি তা হলো 'হাতিরঝিল'। রাজধানী ঢাকার একদম হৃদপিণ্ডে বা কেন্দ্রে অবস্থিত এই হাতিরঝিল একদিকে যেমন আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও যোগাযোগের মাস্টারপিস, অন্যদিকে এটি নগরবাসীর বিনোদন ও অবকাশ যাপনের প্রধান আশ্রয়স্থল।

ঢাকার হৃদপিণ্ড হাতিরঝিল - ড্রেনেজ অবকাঠামো থেকে মহানগরীর মেগা প্রজেক্ট

এই জনবহুল মেগাসিটির ব্যস্ততার মাঝে হঠাৎ এক টুকরো নীল জলরাশি, চারপাশে সবুজের ছোঁয়া, নান্দনিক সেতুর সারি এবং উন্মুক্ত বাতাস নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে যে প্রকল্পটি তা হলো 'হাতিরঝিল'। রাজধানী ঢাকার একদম হৃদপিণ্ডে বা কেন্দ্রে অবস্থিত এই হাতিরঝিল একদিকে যেমন আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও যোগাযোগের মাস্টারপিস, অন্যদিকে এটি নগরবাসীর বিনোদন ও অবকাশ যাপনের প্রধান আশ্রয়স্থল।

ঢাকার হৃদপিণ্ড হাতিরঝিল - ড্রেনেজ অবকাঠামো থেকে মহানগরীর মেগা প্রজেক্ট

১৫ বছর বয়সী এক অবুঝ বাঙালি কিশোরী ফেলানী খাতুন। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর বুলেটে ঝাঁঝরা হয়ে যাওয়া তাঁর নিথর দেহটি সীমান্ত বেড়ার খাঁজকাটা কাঁটাতারে ঝুলছিল দীর্ঘ চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা। সেই ঝুলন্ত মরদেহের ছবি যখন দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়, তখন তা কেবল একটি রাজনৈতিক বা সীমান্ত হত্যা হিসেবে থাকেনি; তা পরিণত হয়েছিল ভূ-রাজনৈতিক আগ্রাসন, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাহীনতার এক চিরন্তন ও রক্তাক্ত স্মারকে।

কাঁটাতারে ঝুলন্ত ফেলানী - সীমান্ত হত্যা, আগ্রাসন ও এক দশকের বিচারহীনতা

১৫ বছর বয়সী এক অবুঝ বাঙালি কিশোরী ফেলানী খাতুন। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর বুলেটে ঝাঁঝরা হয়ে যাওয়া তাঁর নিথর দেহটি সীমান্ত বেড়ার খাঁজকাটা কাঁটাতারে ঝুলছিল দীর্ঘ চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা। সেই ঝুলন্ত মরদেহের ছবি যখন দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়, তখন তা কেবল একটি রাজনৈতিক বা সীমান্ত হত্যা হিসেবে থাকেনি; তা পরিণত হয়েছিল ভূ-রাজনৈতিক আগ্রাসন, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাহীনতার এক চিরন্তন ও রক্তাক্ত স্মারকে।

কাঁটাতারে ঝুলন্ত ফেলানী - সীমান্ত হত্যা, আগ্রাসন ও এক দশকের বিচারহীনতা

বাংলাদেশে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের মোট জনসংখ্যা ৪,৮৮,০০০ (চার লাখ অষ্টাশি হাজার), যা দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ০.৩০ শতাংশ। ১৬ শতকের শেষভাগে পর্তুগিজ জলদস্যু ও বণিকদের আগমন এবং পরবর্তীকালে ইউরোপীয় ক্যাথলিক ও প্রটেস্ট্যান্ট মিশনারিদের কার্যক্রমের মাধ্যমে এ ভূখণ্ডে খ্রিস্টধর্মের বিস্তৃতি ঘটে। মূলত পার্বত্য ও সমতলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীসমূহের খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ এবং কয়েকটি ঐতিহাসিক বাঙালি ক্যাথলিক ধর্মপল্লীকে কেন্দ্র করে নির্দিষ্ট কিছু জেলায় এই জনগোষ্ঠীর বিশেষ ঘনত্ব গড়ে উঠেছে।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি খ্রিস্টান যে ১০টি জেলায় - জনমিতি ও মিশনারি চিত্রপট

বাংলাদেশে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের মোট জনসংখ্যা ৪,৮৮,০০০ (চার লাখ অষ্টাশি হাজার), যা দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ০.৩০ শতাংশ। ১৬ শতকের শেষভাগে পর্তুগিজ জলদস্যু ও বণিকদের আগমন এবং পরবর্তীকালে ইউরোপীয় ক্যাথলিক ও প্রটেস্ট্যান্ট মিশনারিদের কার্যক্রমের মাধ্যমে এ ভূখণ্ডে খ্রিস্টধর্মের বিস্তৃতি ঘটে। মূলত পার্বত্য ও সমতলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীসমূহের খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ এবং কয়েকটি ঐতিহাসিক বাঙালি ক্যাথলিক ধর্মপল্লীকে কেন্দ্র করে নির্দিষ্ট কিছু জেলায় এই জনগোষ্ঠীর বিশেষ ঘনত্ব গড়ে উঠেছে।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি খ্রিস্টান যে ১০টি জেলায় - জনমিতি ও মিশনারি চিত্রপট

ঢাকার কারওয়ান বাজার থেকে শুরু করে উত্তরের উত্তরা, দক্ষিণের জজ কোর্ট এলাকা কোথাও পিচ্চি হান্নানের বুলেটের আতঙ্ক থেকে রেহাই পায়নি কেউ। নব্বইয়ের দশকের শেষভাগ থেকে শুরু করে দুই হাজারের দশকের গোড়ার দিক পর্যন্ত ঢাকাই আন্ডারওয়ার্ল্ডের অন্যতম একচ্ছত্র অধিপতি ছিলেন তিনি। রাজনৈতিক ছত্রছায়া, প্রশাসনিক দুর্নীতির বলয় আর নিজের নির্মম নৃশংসতাকে হাতিয়ার করে তিনি গড়ে তুলেছিলেন কোটি কোটি টাকার চাঁদাবাজি ও মাদকের সাম্রাজ্য।

পিচ্চি হান্নান - ঢাকাই আন্ডারওয়ার্ল্ডের কুখ্যাত গ্যাংস্টারের নৃশংস সমাপ্তি

ঢাকার কারওয়ান বাজার থেকে শুরু করে উত্তরের উত্তরা, দক্ষিণের জজ কোর্ট এলাকা কোথাও পিচ্চি হান্নানের বুলেটের আতঙ্ক থেকে রেহাই পায়নি কেউ। নব্বইয়ের দশকের শেষভাগ থেকে শুরু করে দুই হাজারের দশকের গোড়ার দিক পর্যন্ত ঢাকাই আন্ডারওয়ার্ল্ডের অন্যতম একচ্ছত্র অধিপতি ছিলেন তিনি। রাজনৈতিক ছত্রছায়া, প্রশাসনিক দুর্নীতির বলয় আর নিজের নির্মম নৃশংসতাকে হাতিয়ার করে তিনি গড়ে তুলেছিলেন কোটি কোটি টাকার চাঁদাবাজি ও মাদকের সাম্রাজ্য।

পিচ্চি হান্নান - ঢাকাই আন্ডারওয়ার্ল্ডের কুখ্যাত গ্যাংস্টারের নৃশংস সমাপ্তি

"১২০৪ সালে ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজী মাত্র ১৭ জন অশ্বারোহী সেনা নিয়ে নদীয়ার বৃদ্ধ রাজা লক্ষণ সেনকে পরাজিত করে বাংলা জয় করেন।" বাস্তবে কি মাত্র ১৭ বা ১৮ জন সৈন্য নিয়ে একটি বিশাল ও সমৃদ্ধ সাম্রাজ্য জয় করা সম্ভব? নদীয়ার রাজপ্রাসাদে সেদিন ঠিক কী ঘটেছিল? কে ছিলেন এই বখতিয়ার খিলজী, যিনি গজনী ও দিল্লির দরবার থেকে শারীরিক ও আর্থিক অযোগ্যতার কারণে প্রত্যাখ্যাত হয়েও পরবর্তীতে সুদূর প্রাচ্যে নিজের এক স্বাধীন সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন?

বখতিয়ার খিলজীর বাংলা বিজয় ও লক্ষণ সেনের পলায়ন

"১২০৪ সালে ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজী মাত্র ১৭ জন অশ্বারোহী সেনা নিয়ে নদীয়ার বৃদ্ধ রাজা লক্ষণ সেনকে পরাজিত করে বাংলা জয় করেন।" বাস্তবে কি মাত্র ১৭ বা ১৮ জন সৈন্য নিয়ে একটি বিশাল ও সমৃদ্ধ সাম্রাজ্য জয় করা সম্ভব? নদীয়ার রাজপ্রাসাদে সেদিন ঠিক কী ঘটেছিল? কে ছিলেন এই বখতিয়ার খিলজী, যিনি গজনী ও দিল্লির দরবার থেকে শারীরিক ও আর্থিক অযোগ্যতার কারণে প্রত্যাখ্যাত হয়েও পরবর্তীতে সুদূর প্রাচ্যে নিজের এক স্বাধীন সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন?

বখতিয়ার খিলজীর বাংলা বিজয় ও লক্ষণ সেনের পলায়ন

নব্বইয়ের দশকের শেষভাগ থেকে শুরু করে দুই হাজারের দশকের গোড়ার দিক পর্যন্ত ঢাকাই আন্ডারওয়ার্ল্ডের একচ্ছত্র সম্রাট ‘কালা জাহাঙ্গীর’ আজ কোনো সাধারণ অপরাধীর নাম নয়; তিনি হয়ে উঠেছেন অপরাধ জগতের এক অমীমাংসিত ‘কিংবদন্তি’। তিনি কি সত্যিই মরে গেছেন, নাকি পরিচয় লুকিয়ে পৃথিবীর অন্য কোনো দেশে রাজার হালে জীবনযাপন করছেন? এই প্রশ্নের সুনির্দিষ্ট উত্তর জানা নেই কারও। এমনকি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছেও এর কোনো শক্ত প্রমাণ নেই।

কালা জাহাঙ্গীর - ঢাকার কুখ্যাত আন্ডারওয়ার্ল্ডের রহস্যময় ডন

নব্বইয়ের দশকের শেষভাগ থেকে শুরু করে দুই হাজারের দশকের গোড়ার দিক পর্যন্ত ঢাকাই আন্ডারওয়ার্ল্ডের একচ্ছত্র সম্রাট ‘কালা জাহাঙ্গীর’ আজ কোনো সাধারণ অপরাধীর নাম নয়; তিনি হয়ে উঠেছেন অপরাধ জগতের এক অমীমাংসিত ‘কিংবদন্তি’। তিনি কি সত্যিই মরে গেছেন, নাকি পরিচয় লুকিয়ে পৃথিবীর অন্য কোনো দেশে রাজার হালে জীবনযাপন করছেন? এই প্রশ্নের সুনির্দিষ্ট উত্তর জানা নেই কারও। এমনকি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছেও এর কোনো শক্ত প্রমাণ নেই।

কালা জাহাঙ্গীর - ঢাকার কুখ্যাত আন্ডারওয়ার্ল্ডের রহস্যময় ডন

প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে প্রশাসনিক ও মাঠপর্যায়ে সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশে বর্তমানে ছোট-বড় মিলিয়ে মোট ৩১টি স্থায়ী ক্যান্টনমেন্ট বা সেনানিবাস গড়ে উঠেছে। এগুলো বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০টি পদাতিক ডিভিশনের (Infantry Division) প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। সারা দেশে বিস্তৃত এই ঘাঁটিগুলোর মধ্যে আয়তন, প্রাগৈতিহাসিক ও যুদ্ধকালীন ইতিহাস, প্রশিক্ষণ সুবিধা এবং ভূ-কৌশলগত অবস্থানের বিচারে কুমিল্লা সেনানিবাস (Cumilla Cantonment) এক অনন্য ও ঐতিহাসিক শীর্ষস্থানে অবস্থান করছে।

কুমিল্লা সেনানিবাস - বাংলাদেশের রহস্যময়, সবচেয়ে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি

প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে প্রশাসনিক ও মাঠপর্যায়ে সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশে বর্তমানে ছোট-বড় মিলিয়ে মোট ৩১টি স্থায়ী ক্যান্টনমেন্ট বা সেনানিবাস গড়ে উঠেছে। এগুলো বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০টি পদাতিক ডিভিশনের (Infantry Division) প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। সারা দেশে বিস্তৃত এই ঘাঁটিগুলোর মধ্যে আয়তন, প্রাগৈতিহাসিক ও যুদ্ধকালীন ইতিহাস, প্রশিক্ষণ সুবিধা এবং ভূ-কৌশলগত অবস্থানের বিচারে কুমিল্লা সেনানিবাস (Cumilla Cantonment) এক অনন্য ও ঐতিহাসিক শীর্ষস্থানে অবস্থান করছে।

কুমিল্লা সেনানিবাস - বাংলাদেশের রহস্যময়, সবচেয়ে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি

বর্তমানে বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার একটি নির্দিষ্ট অনুপাত (প্রায় ০.৬০%) বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। সংখ্যাগত বিচারে এটি ক্ষুদ্র মনে হলেও তাদের ঐতিহাসিক তাৎপর্য, সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, প্রত্নতাত্ত্বিক অবদান এবং জাতীয় জীবনে ভূমিকা অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী। বাংলাদেশের বৌদ্ধ জনসংখ্যার সিংহভাগ প্রধানত দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম বিভাগ, পার্বত্য চট্টগ্রাম (রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি) এবং উপকূলীয় অঞ্চলে কেন্দ্রীভূত।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি বৌদ্ধ যে ১০টি জেলায় - জনমিতি ও সংস্কৃতিক চিত্রপট

বর্তমানে বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার একটি নির্দিষ্ট অনুপাত (প্রায় ০.৬০%) বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। সংখ্যাগত বিচারে এটি ক্ষুদ্র মনে হলেও তাদের ঐতিহাসিক তাৎপর্য, সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, প্রত্নতাত্ত্বিক অবদান এবং জাতীয় জীবনে ভূমিকা অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী। বাংলাদেশের বৌদ্ধ জনসংখ্যার সিংহভাগ প্রধানত দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম বিভাগ, পার্বত্য চট্টগ্রাম (রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি) এবং উপকূলীয় অঞ্চলে কেন্দ্রীভূত।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি বৌদ্ধ যে ১০টি জেলায় - জনমিতি ও সংস্কৃতিক চিত্রপট

খ্রিস্টপূর্ব ৪র্থ শতকের প্রাচীন গ্রীক বীর মহাবীর সেকেন্দার (অ্যালেকজান্ডার)-এর সময়কালে গ্রীক ইতিহাসবিদদের বর্ণিত পরাক্রান্ত ‘গঙ্গারিডাই’ (Gangaridai) জাতি থেকে শুরু করে আজকের সার্বভৌম স্বাধীন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ এই আড়াই হাজার বছরের পথচলা অত্যন্ত বৈচিত্র্যময়। এই দীর্ঘ সময়ে বাংলা কখনো বিশাল সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত একটি ধনী প্রদেশ (সুবাহ) হিসেবে শাসিত হয়েছে, কখনো স্বায়ত্তশাসিত পরাশক্তি হিসেবে পুরো উত্তর ভারতে প্রভাব বিস্তার করেছে, আবার কখনো সরাসরি বিদেশি ঔপনিবেশিক শক্তির নিয়ন্ত্রণে চলে গিয়েছে।

আড়াই হাজার বছরে বাংলা কোন কোন রাজবংশ বা গোষ্ঠি শাসন করেছে?

খ্রিস্টপূর্ব ৪র্থ শতকের প্রাচীন গ্রীক বীর মহাবীর সেকেন্দার (অ্যালেকজান্ডার)-এর সময়কালে গ্রীক ইতিহাসবিদদের বর্ণিত পরাক্রান্ত ‘গঙ্গারিডাই’ (Gangaridai) জাতি থেকে শুরু করে আজকের সার্বভৌম স্বাধীন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ এই আড়াই হাজার বছরের পথচলা অত্যন্ত বৈচিত্র্যময়। এই দীর্ঘ সময়ে বাংলা কখনো বিশাল সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত একটি ধনী প্রদেশ (সুবাহ) হিসেবে শাসিত হয়েছে, কখনো স্বায়ত্তশাসিত পরাশক্তি হিসেবে পুরো উত্তর ভারতে প্রভাব বিস্তার করেছে, আবার কখনো সরাসরি বিদেশি ঔপনিবেশিক শক্তির নিয়ন্ত্রণে চলে গিয়েছে।

আড়াই হাজার বছরে বাংলা কোন কোন রাজবংশ বা গোষ্ঠি শাসন করেছে?

আধুনিক ইতিহাস চর্চা, মধ্যযুগীয় ফার্সি ও বিবরণীমূলক দলিল এবং প্রখ্যাত ইতিহাসবিদদের গবেষণায় স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে যে বাঙালি মুসলিমরা কোনো একক একক উৎস থেকে আসেনি। বরং মধ্যপ্রাচ্য, মধ্য এশিয়া, পারস্য ও আফগানিস্তান থেকে আসা উচ্চবংশীয় অভিবাসী মুসলিম এবং স্থানীয় ধর্মান্তরিত জনগোষ্ঠীর এক অভূতপূর্ব নৃতাত্ত্বিক মিশ্রণ ও সমন্বয়ের মাধ্যমে গড়ে উঠেছে আজকের বাঙালি মুসলিম জাতিসত্তা।

বাংলার মুসলিমরা কাদের বংশধর? বাংলার মুসলিমদের নৃতাত্ত্বিক উৎস

আধুনিক ইতিহাস চর্চা, মধ্যযুগীয় ফার্সি ও বিবরণীমূলক দলিল এবং প্রখ্যাত ইতিহাসবিদদের গবেষণায় স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে যে বাঙালি মুসলিমরা কোনো একক একক উৎস থেকে আসেনি। বরং মধ্যপ্রাচ্য, মধ্য এশিয়া, পারস্য ও আফগানিস্তান থেকে আসা উচ্চবংশীয় অভিবাসী মুসলিম এবং স্থানীয় ধর্মান্তরিত জনগোষ্ঠীর এক অভূতপূর্ব নৃতাত্ত্বিক মিশ্রণ ও সমন্বয়ের মাধ্যমে গড়ে উঠেছে আজকের বাঙালি মুসলিম জাতিসত্তা।

বাংলার মুসলিমরা কাদের বংশধর? বাংলার মুসলিমদের নৃতাত্ত্বিক উৎস

উপমহাদেশে সুফি-সাধক ও আউলিয়াদের আগমন কেবল সুনির্দিষ্ট কোনো ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রসার ঘটায়নি, বরং এ অঞ্চলের মানুষের মূল্যবোধ, সামাজিক কাঠামো, কৃষ্টি ও সংস্কৃতির আমূল রূপান্তর ঘটিয়েছে। ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় জনপদ বিশেষ করে বাংলাদেশে ইসলামের শাশ্বত বাণী পৌছে দেওয়ার ক্ষেত্রে যেসকল মহান সাধকের অবদান চিরস্মরণীয়, তাঁদের মধ্যে সর্বাগ্রে উচ্চারিত হয় হযরত শাহজালাল মুজাররদ ইয়ামেনী (রহ.)-এর নাম।

হযরত শাহজালাল (রহ.) - আধ্যাত্মিক জীবন, সিলেট বিজয় ও ৩৬০ আউলিয়া

উপমহাদেশে সুফি-সাধক ও আউলিয়াদের আগমন কেবল সুনির্দিষ্ট কোনো ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রসার ঘটায়নি, বরং এ অঞ্চলের মানুষের মূল্যবোধ, সামাজিক কাঠামো, কৃষ্টি ও সংস্কৃতির আমূল রূপান্তর ঘটিয়েছে। ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় জনপদ বিশেষ করে বাংলাদেশে ইসলামের শাশ্বত বাণী পৌছে দেওয়ার ক্ষেত্রে যেসকল মহান সাধকের অবদান চিরস্মরণীয়, তাঁদের মধ্যে সর্বাগ্রে উচ্চারিত হয় হযরত শাহজালাল মুজাররদ ইয়ামেনী (রহ.)-এর নাম।

হযরত শাহজালাল (রহ.) - আধ্যাত্মিক জীবন, সিলেট বিজয় ও ৩৬০ আউলিয়া

তিনি ছদ্মবেশ ধারণ করে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে ঘুরে বেড়াতেন এবং তাঁর পরনে সব সময় থাকত একটি বিশেষ বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট। ঢাকাই আন্ডারওয়ার্ল্ডের এই অদৃশ্য অধিপতি ও দুর্ধর্ষ মাফিয়া ডন আর কেউ নন তিনি শেখ মোহাম্মদ আসলাম, যাকে সবাই এক নামে চেনে ‘সুইডেন আসলাম’ হিসেবে। নব্বইয়ের দশকে ঢাকার রাজপথ কাঁপানো যে কয়জন শীর্ষ সন্ত্রাসী অপরাধ জগতের সমীকরণ বদলে দিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে সুইডেন আসলাম ছিলেন সবচেয়ে তীক্ষ্ণ বুদ্ধিসম্পন্ন ও ধূর্ত।

সুইডেন আসলাম - ঢাকাই আন্ডারওয়ার্ল্ডের গ্যাংস্টার শীর্ষ সন্ত্রাসী

তিনি ছদ্মবেশ ধারণ করে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে ঘুরে বেড়াতেন এবং তাঁর পরনে সব সময় থাকত একটি বিশেষ বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট। ঢাকাই আন্ডারওয়ার্ল্ডের এই অদৃশ্য অধিপতি ও দুর্ধর্ষ মাফিয়া ডন আর কেউ নন তিনি শেখ মোহাম্মদ আসলাম, যাকে সবাই এক নামে চেনে ‘সুইডেন আসলাম’ হিসেবে। নব্বইয়ের দশকে ঢাকার রাজপথ কাঁপানো যে কয়জন শীর্ষ সন্ত্রাসী অপরাধ জগতের সমীকরণ বদলে দিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে সুইডেন আসলাম ছিলেন সবচেয়ে তীক্ষ্ণ বুদ্ধিসম্পন্ন ও ধূর্ত।

সুইডেন আসলাম - ঢাকাই আন্ডারওয়ার্ল্ডের গ্যাংস্টার শীর্ষ সন্ত্রাসী

দক্ষিণে উত্তাল বঙ্গোপসাগরের ফেনিল তরঙ্গমালা থেকে শুরু করে উত্তরে হিমালয়ের পাদদেশীয় সমভূমি, পূর্বে সবুজ পাহাড়ের সারি আর পশ্চিমে প্রমত্তা নদী ও বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন প্রতিটি কোণেই প্রকৃতি তার রূপের ডালা সাজিয়ে বসেছে। বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ডের (Bangladesh Tourism Board) সাম্প্রতিক মূল্যায়নে উঠে এসেছে এমন ১০টি অবিসংবাদিত দর্শনীয় স্থানের নাম, যা কেবল দেশের সীমানায় নয়, আন্তর্জাতিক পর্যটন মানচিত্রেও বাংলাদেশকে অনন্য উচ্চতায় প্রতিষ্ঠিত করেছে।

বাংলাদেশের সেরা ১০টি দর্শনীয় স্থান - ইতিহাস ও সৌন্দর্যে মেলবন্ধন

দক্ষিণে উত্তাল বঙ্গোপসাগরের ফেনিল তরঙ্গমালা থেকে শুরু করে উত্তরে হিমালয়ের পাদদেশীয় সমভূমি, পূর্বে সবুজ পাহাড়ের সারি আর পশ্চিমে প্রমত্তা নদী ও বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন প্রতিটি কোণেই প্রকৃতি তার রূপের ডালা সাজিয়ে বসেছে। বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ডের (Bangladesh Tourism Board) সাম্প্রতিক মূল্যায়নে উঠে এসেছে এমন ১০টি অবিসংবাদিত দর্শনীয় স্থানের নাম, যা কেবল দেশের সীমানায় নয়, আন্তর্জাতিক পর্যটন মানচিত্রেও বাংলাদেশকে অনন্য উচ্চতায় প্রতিষ্ঠিত করেছে।

বাংলাদেশের সেরা ১০টি দর্শনীয় স্থান - ইতিহাস ও সৌন্দর্যে মেলবন্ধন

বাংলাদেশের উত্তরঞ্চল বিশেষ করে রংপুর বিভাগের লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, রংপুর ও গাইবান্ধা জেলা ঐতিহাসিকভাবেই এক প্রকার আঞ্চলিক বৈষম্য ও অর্থনৈতিক অবহেলার শিকার। কৃষিপ্রধান এই অঞ্চলটি সারা দেশের খাদ্যের এক বিশাল অংশের সংস্থান করলেও, এখানকার স্থানীয় অর্থনীতি প্রতিবছর প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই অবহেলার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে তিস্তা নদী।

তিস্তা মহাপরিকল্পনা - উত্তরবঙ্গের অর্থনৈতিক জাগরণ এবং বাংলাদেশের বাঁচার লড়াই

বাংলাদেশের উত্তরঞ্চল বিশেষ করে রংপুর বিভাগের লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, রংপুর ও গাইবান্ধা জেলা ঐতিহাসিকভাবেই এক প্রকার আঞ্চলিক বৈষম্য ও অর্থনৈতিক অবহেলার শিকার। কৃষিপ্রধান এই অঞ্চলটি সারা দেশের খাদ্যের এক বিশাল অংশের সংস্থান করলেও, এখানকার স্থানীয় অর্থনীতি প্রতিবছর প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই অবহেলার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে তিস্তা নদী।

তিস্তা মহাপরিকল্পনা - উত্তরবঙ্গের অর্থনৈতিক জাগরণ এবং বাংলাদেশের বাঁচার লড়াই

নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য সমগ্র দেশকে প্রশাসনিক ও কৌশলগত ভিত্তিতে ভাগ করা হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে ছোট-বড় মিলিয়ে মোট ৩১টি স্থায়ী ক্যান্টনমেন্ট বা সেনানিবাস রয়েছে, যা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০টি পদাতিক ডিভিশনের (Infantry Division) অধীনে সুসংগঠিতভাবে পরিচালিত হয়। এই সকল সেনানিবাসের মধ্যে ৩টি সেনানিবাস তাদের বিশালাকার আয়তন, ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, প্রশাসনিক গুরুত্ব এবং নিখুঁত ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সামরিক মানচিত্রে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় তিনটি ক্যান্টনমেন্ট - বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের পাহারাদার

নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য সমগ্র দেশকে প্রশাসনিক ও কৌশলগত ভিত্তিতে ভাগ করা হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে ছোট-বড় মিলিয়ে মোট ৩১টি স্থায়ী ক্যান্টনমেন্ট বা সেনানিবাস রয়েছে, যা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০টি পদাতিক ডিভিশনের (Infantry Division) অধীনে সুসংগঠিতভাবে পরিচালিত হয়। এই সকল সেনানিবাসের মধ্যে ৩টি সেনানিবাস তাদের বিশালাকার আয়তন, ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, প্রশাসনিক গুরুত্ব এবং নিখুঁত ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সামরিক মানচিত্রে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় তিনটি ক্যান্টনমেন্ট - বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের পাহারাদার

বিশ্বখ্যাত আমেরিকার ফোর্বস (Forbes) ম্যাগাজিন যখন পৃথিবীর সেরা ১৫টি হারিয়ে যাওয়া শহরের ("15 Lost Cities of the World") একটি তালিকা প্রকাশ করেছিল, তখন বিশ্ববাসী চমত্কৃত হয়েছিল। কারণ, সেই তালিকায় পেরুর মাচু পিচু, মেক্সিকোর ইৎজা, মিসরের মেম্ফিস, মেসোপটেমিয়ার বেবিলন, ইতালির পম্পেই কিংবা ট্রয়ের মতো প্রাচীন কিংবদন্তীতুল্য নগরীগুলোর পাশাপাশি স্থান করে নিয়েছিল দক্ষিণ এশিয়ার একটি অনবদ্য ঐতিহাসিক শহর ‘মসজিদের শহর বাগেরহাট’।

বাগেরহাট - দক্ষিণবঙ্গের প্রত্নতাত্ত্বিক বিস্ময় ও এক হারানো শহরের আখ্যান

বিশ্বখ্যাত আমেরিকার ফোর্বস (Forbes) ম্যাগাজিন যখন পৃথিবীর সেরা ১৫টি হারিয়ে যাওয়া শহরের ("15 Lost Cities of the World") একটি তালিকা প্রকাশ করেছিল, তখন বিশ্ববাসী চমত্কৃত হয়েছিল। কারণ, সেই তালিকায় পেরুর মাচু পিচু, মেক্সিকোর ইৎজা, মিসরের মেম্ফিস, মেসোপটেমিয়ার বেবিলন, ইতালির পম্পেই কিংবা ট্রয়ের মতো প্রাচীন কিংবদন্তীতুল্য নগরীগুলোর পাশাপাশি স্থান করে নিয়েছিল দক্ষিণ এশিয়ার একটি অনবদ্য ঐতিহাসিক শহর ‘মসজিদের শহর বাগেরহাট’।

বাগেরহাট - দক্ষিণবঙ্গের প্রত্নতাত্ত্বিক বিস্ময় ও এক হারানো শহরের আখ্যান

ইসলামী আধ্যাত্মিকতা ও সুফি দর্শনের ইতিহাসে যেক'জন মহামানব নিজেদের আত্মোৎসর্গ, কঠোর রিয়াজত এবং খোদাভীতির মাধ্যমে অমর হয়ে আছেন, তাঁদের মধ্যে প্রাতঃস্মরণীয় নাম হযরত বায়েজিদ বোস্তামী (রহ.)। সুফি সাধকগণ তাঁকে গভীর শ্রদ্ধায় ‘সুলতান-উল-আরেফিন’ বা ‘আরেফিনদের সম্রাট’ (আল্লাহর মারফত লাভকারী সাধকদের মহামান্য সম্রাট) উপাধিতে ভূষিত করেছেন। নবম শতাব্দীর এই মহান ইরানি সুফি সাধক কেবল তাঁর যুগেই নয়, বরং পরবর্তী বহু শতাব্দীর জন্য সুফিবাদের গতিপথ নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন।

হজরত বায়েজিদ বোস্তামী (রহ.) - সুলতান-উল-আরেফিনের চট্টগ্রাম মাজার রহস্য

ইসলামী আধ্যাত্মিকতা ও সুফি দর্শনের ইতিহাসে যেক'জন মহামানব নিজেদের আত্মোৎসর্গ, কঠোর রিয়াজত এবং খোদাভীতির মাধ্যমে অমর হয়ে আছেন, তাঁদের মধ্যে প্রাতঃস্মরণীয় নাম হযরত বায়েজিদ বোস্তামী (রহ.)। সুফি সাধকগণ তাঁকে গভীর শ্রদ্ধায় ‘সুলতান-উল-আরেফিন’ বা ‘আরেফিনদের সম্রাট’ (আল্লাহর মারফত লাভকারী সাধকদের মহামান্য সম্রাট) উপাধিতে ভূষিত করেছেন। নবম শতাব্দীর এই মহান ইরানি সুফি সাধক কেবল তাঁর যুগেই নয়, বরং পরবর্তী বহু শতাব্দীর জন্য সুফিবাদের গতিপথ নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন।

হজরত বায়েজিদ বোস্তামী (রহ.) - সুলতান-উল-আরেফিনের চট্টগ্রাম মাজার রহস্য

একটি সফল স্লোগান সাধারণ মানুষকে একক চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সাহস জোগায়। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার যে অভূতপূর্ব গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়, তার রাজপথ থেকে উঠে আসা অন্যতম প্রধান ও ধ্বনিত-প্রতিধ্বনিত শব্দগুচ্ছ ছিল ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’।

ইনকিলাব জিন্দাবাদ - ঔপনিবেশ বিরোধী আন্দোলন থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান

একটি সফল স্লোগান সাধারণ মানুষকে একক চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সাহস জোগায়। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার যে অভূতপূর্ব গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়, তার রাজপথ থেকে উঠে আসা অন্যতম প্রধান ও ধ্বনিত-প্রতিধ্বনিত শব্দগুচ্ছ ছিল ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’।

ইনকিলাব জিন্দাবাদ - ঔপনিবেশ বিরোধী আন্দোলন থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান

সালটি ছিল ১৭৬২, তারিখ ২ এপ্রিল। তৎকালীন বাংলায় বসন্তের শেষ বিকেলের এক নিস্তব্ধ সময়, ঘড়ির কাঁটায় তখন বিকেল ঠিক ৫টা। হঠাৎ করেই কেঁপে উঠেছিল পুরো চট্টগ্রাম, আরাকান ও সমগ্র বাংলা অঞ্চল। কোনো পূর্বসতর্কতা ছাড়াই মাটির গভীর থেকে শুরু হওয়া সেই কম্পন টানা ৪ মিনিট ধরে প্রলয়নৃত্য চালিয়েছিল। রিখটার স্কেলে এর আনুমানিক মাত্রা ছিল ৮.৮। ভূ-বিজ্ঞানীদের মতে, এটি ছিল এযাবৎকালের রেকর্ডকৃত ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম ও বিধ্বংসী ভূমিকম্প, যা ভূতাত্ত্বিক পরিভাষায় '১৭৬২ সালের আরাকান ভূমিকম্প' (Arakan Earthquake of 1762) নামে পরিচিত।

১৭৬২ সালের আরাকান ভূমিকম্প - বাংলার ইতিহাসে বৃহত্তম ভূমিকম্প ও যমুনার জন্মকথা

সালটি ছিল ১৭৬২, তারিখ ২ এপ্রিল। তৎকালীন বাংলায় বসন্তের শেষ বিকেলের এক নিস্তব্ধ সময়, ঘড়ির কাঁটায় তখন বিকেল ঠিক ৫টা। হঠাৎ করেই কেঁপে উঠেছিল পুরো চট্টগ্রাম, আরাকান ও সমগ্র বাংলা অঞ্চল। কোনো পূর্বসতর্কতা ছাড়াই মাটির গভীর থেকে শুরু হওয়া সেই কম্পন টানা ৪ মিনিট ধরে প্রলয়নৃত্য চালিয়েছিল। রিখটার স্কেলে এর আনুমানিক মাত্রা ছিল ৮.৮। ভূ-বিজ্ঞানীদের মতে, এটি ছিল এযাবৎকালের রেকর্ডকৃত ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম ও বিধ্বংসী ভূমিকম্প, যা ভূতাত্ত্বিক পরিভাষায় '১৭৬২ সালের আরাকান ভূমিকম্প' (Arakan Earthquake of 1762) নামে পরিচিত।

১৭৬২ সালের আরাকান ভূমিকম্প - বাংলার ইতিহাসে বৃহত্তম ভূমিকম্প ও যমুনার জন্মকথা

যেকোনো দেশে উদ্যোক্তা হওয়া বা একটি ব্যবসা সফলভাবে দাঁড় করানো অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং কাজ। অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, আন্তর্জাতিক বাজারের প্রতিযোগিতা এবং পুঁজির সংকট অতিক্রম করে বাংলাদেশে যারা বিশাল বিশাল শিল্পগোষ্ঠী গড়ে তুলেছেন, তাঁরা নিঃসন্দেহে অনন্য কৃতিত্বের অধিকারী।

বাংলাদেশের শীর্ষ ৭ জন ধনী ব্যক্তি

যেকোনো দেশে উদ্যোক্তা হওয়া বা একটি ব্যবসা সফলভাবে দাঁড় করানো অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং কাজ। অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, আন্তর্জাতিক বাজারের প্রতিযোগিতা এবং পুঁজির সংকট অতিক্রম করে বাংলাদেশে যারা বিশাল বিশাল শিল্পগোষ্ঠী গড়ে তুলেছেন, তাঁরা নিঃসন্দেহে অনন্য কৃতিত্বের অধিকারী।

বাংলাদেশের শীর্ষ ৭ জন ধনী ব্যক্তি

বাংলাদেশের সমসাময়িক জাতীয় অর্থনীতির দিকে চোখ বুলালে একটি বৈপরিত্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে। একদিকে যখন ব্যাংকিং খাতের অস্থিরতা, ব্যাপক অর্থ পাচার, খেলাপি ঋণ ও অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা চলে, ঠিক অন্যদিকে বিশ্বের মানচিত্রে বাংলাদেশ একটি উদীয়মান ও সহনশীল অর্থনীতি হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকে। এই আপাত অসম্ভবকে সম্ভব করে তোলার নেপথ্যে যে মূল চালিকাশক্তিটি অদম্য প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়ে আছে, তা হলো আমাদের প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স।

সবচেয়ে বেশি প্রবাসী যে ১০ জেলায় - যারা টিকিয়ে রেখেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি

বাংলাদেশের সমসাময়িক জাতীয় অর্থনীতির দিকে চোখ বুলালে একটি বৈপরিত্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে। একদিকে যখন ব্যাংকিং খাতের অস্থিরতা, ব্যাপক অর্থ পাচার, খেলাপি ঋণ ও অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা চলে, ঠিক অন্যদিকে বিশ্বের মানচিত্রে বাংলাদেশ একটি উদীয়মান ও সহনশীল অর্থনীতি হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকে। এই আপাত অসম্ভবকে সম্ভব করে তোলার নেপথ্যে যে মূল চালিকাশক্তিটি অদম্য প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়ে আছে, তা হলো আমাদের প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স।

সবচেয়ে বেশি প্রবাসী যে ১০ জেলায় - যারা টিকিয়ে রেখেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি

আধ্যাত্মিকতার আকাশে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসেবে উদিত হয়েছিলেন গাউছুজ্জামান আল্লামা ড. শেখ শাহজাদা সৈয়দ আহমদ পেয়ারা বাগদাদী আল-কাদরী (রহ.)। তিনি কেবল প্রথাগত খানকাহকেন্দ্রিক কোনো পীর সাহেব ছিলেন না; বরং তিনি ছিলেন শরীয়তের সুগভীর পণ্ডিত, আধুনিক বিজ্ঞানের তেজস্ক্রিয়তা শাখার (Radiation Biology) একজন আন্তর্জাতিকমানের গবেষক-বিজ্ঞানী, বহুভাষাবিদ এবং কুতুবে রব্বানী গাউছুল আজম হযরত বড়পীর আবদুল কাদের জিলানী (রহ.)-এর প্রত্যক্ষ বংশধর (আওলাদ)। কুমিল্লা জেলার গোমতী নদীর তীরে অবস্থিত শাহপুর দরবার শরীফ-কে কেন্দ্র করে তিনি কাদেরীয়া তরিকার সুমহান ফয়েজ ও বারাকাত বিতরণ করে গেছেন।

ড. শাহজাদা শেখ আহমদ পেয়ারা বাগদাদী (রহ.) - বিজ্ঞান, শরীয়ত ও তাছাউফের মহাসাধক

আধ্যাত্মিকতার আকাশে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসেবে উদিত হয়েছিলেন গাউছুজ্জামান আল্লামা ড. শেখ শাহজাদা সৈয়দ আহমদ পেয়ারা বাগদাদী আল-কাদরী (রহ.)। তিনি কেবল প্রথাগত খানকাহকেন্দ্রিক কোনো পীর সাহেব ছিলেন না; বরং তিনি ছিলেন শরীয়তের সুগভীর পণ্ডিত, আধুনিক বিজ্ঞানের তেজস্ক্রিয়তা শাখার (Radiation Biology) একজন আন্তর্জাতিকমানের গবেষক-বিজ্ঞানী, বহুভাষাবিদ এবং কুতুবে রব্বানী গাউছুল আজম হযরত বড়পীর আবদুল কাদের জিলানী (রহ.)-এর প্রত্যক্ষ বংশধর (আওলাদ)। কুমিল্লা জেলার গোমতী নদীর তীরে অবস্থিত শাহপুর দরবার শরীফ-কে কেন্দ্র করে তিনি কাদেরীয়া তরিকার সুমহান ফয়েজ ও বারাকাত বিতরণ করে গেছেন।

ড. শাহজাদা শেখ আহমদ পেয়ারা বাগদাদী (রহ.) - বিজ্ঞান, শরীয়ত ও তাছাউফের মহাসাধক

নদীভাঙন কোনো সাধারণ প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়। এটি ভূমিকম্পের মতো মুহূর্তের মধ্যে সবকিছু ধুলিসাৎ করে না, কিংবা ঘূর্ণিঝড়ের মতো আগাম সতর্কবার্তা দিয়ে তাণ্ডব চালিয়ে বিদায় নেয় না। নদীভাঙন হলো এক ধীরগতির চক্রান্ত, যা প্রতিদিন, প্রতি মুহূর্তে নিঃশব্দে একখণ্ড মাটির সাথে সাথে একটা মানুষের স্মৃতি, উপার্জিত সঞ্চয়, বংশানুক্রমিক পরিচয় এবং পরিশেষে পুরো জীবনটাকেই গ্রাস করে নেয়।

পটুয়াখালীর নদীপাড়ের মানুষ নদীভাঙনের খবরে বেঁচে থাকেন বছরের পর বছর

নদীভাঙন কোনো সাধারণ প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়। এটি ভূমিকম্পের মতো মুহূর্তের মধ্যে সবকিছু ধুলিসাৎ করে না, কিংবা ঘূর্ণিঝড়ের মতো আগাম সতর্কবার্তা দিয়ে তাণ্ডব চালিয়ে বিদায় নেয় না। নদীভাঙন হলো এক ধীরগতির চক্রান্ত, যা প্রতিদিন, প্রতি মুহূর্তে নিঃশব্দে একখণ্ড মাটির সাথে সাথে একটা মানুষের স্মৃতি, উপার্জিত সঞ্চয়, বংশানুক্রমিক পরিচয় এবং পরিশেষে পুরো জীবনটাকেই গ্রাস করে নেয়।

পটুয়াখালীর নদীপাড়ের মানুষ নদীভাঙনের খবরে বেঁচে থাকেন বছরের পর বছর

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) কর্তৃক পরিচালিত ‘জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২’-এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেশের সাক্ষরতার হারের এক বস্তুনিষ্ঠ চিত্র আমাদের সামনে তুলে ধরেছে। BBS-এর সংজ্ঞায়, ৭ বছর বা তার বেশি বয়সী কোনো ব্যক্তি যদি কোনো ভাষায় সহজ বাক্য পড়তে, লিখতে এবং দৈনন্দিন জীবনের হিসাব-নিকাশ করতে পারেন, তবে তাকে ‘সাক্ষর’ (Literate) হিসেবে গণ্য করা হয়।

বাংলাদেশের সবচেয়ে শিক্ষিত ১০টি জেলা - আলোর মানচিত্রে বাংলাদেশ

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) কর্তৃক পরিচালিত ‘জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২’-এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেশের সাক্ষরতার হারের এক বস্তুনিষ্ঠ চিত্র আমাদের সামনে তুলে ধরেছে। BBS-এর সংজ্ঞায়, ৭ বছর বা তার বেশি বয়সী কোনো ব্যক্তি যদি কোনো ভাষায় সহজ বাক্য পড়তে, লিখতে এবং দৈনন্দিন জীবনের হিসাব-নিকাশ করতে পারেন, তবে তাকে ‘সাক্ষর’ (Literate) হিসেবে গণ্য করা হয়।

বাংলাদেশের সবচেয়ে শিক্ষিত ১০টি জেলা - আলোর মানচিত্রে বাংলাদেশ

বাংলাদেশ নদীমাতৃক ও পললগঠিত একটি অপরূপ সুন্দর বদ্বীপ। প্রশাসনিকভাবে দেশটি ৮টি বিভাগ এবং ৬৪টি জেলায় বিভক্ত। আয়তন ও জনসংখ্যার বিচারে এই জেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্যাপক বৈচিত্র্য। একদিকে রয়েছে পাহাড়ি অরণ্যে ঘেরা ৬,১১৬.১১ বর্গ কিলোমিটারের বিশাল রাঙ্গামাটি জেলা, যা বাংলাদেশের বৃহত্তম জেলা; অন্যদিকে রয়েছে ছোট ছোট আয়তনের প্রশাসনিক অঞ্চল, যা ক্ষুদ্র হলেও অর্থনীতি, সংস্কৃতি, ইতিহাস এবং ঐতিহ্যের দিক থেকে অত্যন্ত সমৃদ্ধ।

বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট ১০টি জেলার ইতিবৃত্ত, অর্থনীতি ও ঐতিহ্য

বাংলাদেশ নদীমাতৃক ও পললগঠিত একটি অপরূপ সুন্দর বদ্বীপ। প্রশাসনিকভাবে দেশটি ৮টি বিভাগ এবং ৬৪টি জেলায় বিভক্ত। আয়তন ও জনসংখ্যার বিচারে এই জেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্যাপক বৈচিত্র্য। একদিকে রয়েছে পাহাড়ি অরণ্যে ঘেরা ৬,১১৬.১১ বর্গ কিলোমিটারের বিশাল রাঙ্গামাটি জেলা, যা বাংলাদেশের বৃহত্তম জেলা; অন্যদিকে রয়েছে ছোট ছোট আয়তনের প্রশাসনিক অঞ্চল, যা ক্ষুদ্র হলেও অর্থনীতি, সংস্কৃতি, ইতিহাস এবং ঐতিহ্যের দিক থেকে অত্যন্ত সমৃদ্ধ।

বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট ১০টি জেলার ইতিবৃত্ত, অর্থনীতি ও ঐতিহ্য

একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত ও সম্পদসীমিত দেশ থেকে আজকের ট্রিলিয়ন ডলারের অভিমুখে ধাবমান অর্থনীতি বাংলাদেশের এই অভাবনীয় উত্থানের নেপথ্যে রয়েছে এর শিল্প খাতের বৈপ্লবিক বিপ্লব। সত্তর ও আশির দশকে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা হিসেবে যেসব উদ্যোগের যাত্রা শুরু হয়েছিল, সময়ের পরিক্রমায় সেগুলো আজ এক একটি বিশাল বহুমুখী শিল্প গোষ্ঠীতে (Conglomerate) রূপান্তরিত হয়েছে।

বাংলাদেশের শীর্ষ ১০টি ধনী শিল্প গোষ্ঠী গ্রুপস - উদীয়মান অর্থনীতির শক্তিকেন্দ্র

একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত ও সম্পদসীমিত দেশ থেকে আজকের ট্রিলিয়ন ডলারের অভিমুখে ধাবমান অর্থনীতি বাংলাদেশের এই অভাবনীয় উত্থানের নেপথ্যে রয়েছে এর শিল্প খাতের বৈপ্লবিক বিপ্লব। সত্তর ও আশির দশকে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা হিসেবে যেসব উদ্যোগের যাত্রা শুরু হয়েছিল, সময়ের পরিক্রমায় সেগুলো আজ এক একটি বিশাল বহুমুখী শিল্প গোষ্ঠীতে (Conglomerate) রূপান্তরিত হয়েছে।

বাংলাদেশের শীর্ষ ১০টি ধনী শিল্প গোষ্ঠী গ্রুপস - উদীয়মান অর্থনীতির শক্তিকেন্দ্র

প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সাথে সাথে মানবজীবনে একটি প্রত্যক্ষ আধ্যাত্মিক ও শারীরিক সংকট তৈরি হয় সাপের উপদ্রব। সাপ মূলত নিচু এলাকা, গর্ত, ঝোপঝাড় এবং মাটির গর্তে বসবাস করে। বন্যাকবলিত এলাকায় পানির স্তর বৃদ্ধি পেলে সাপের প্রাকৃতিক আবাস্থল সম্পূর্ণ ডুবে যায়। বেঁচে থাকার তাগিদে সাপ তখন শুষ্ক ও উঁচু স্থানের খোঁজে লোকালয়ে, বসতঘরের চালে, বিছানায়, ধানের গোলায় কিংবা গৃহপালিত পশুর গোয়ালঘরে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়।

প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সাথে সাথে মানবজীবনে একটি প্রত্যক্ষ আধ্যাত্মিক ও শারীরিক সংকট তৈরি হয় সাপের উপদ্রব। সাপ মূলত নিচু এলাকা, গর্ত, ঝোপঝাড় এবং মাটির গর্তে বসবাস করে। বন্যাকবলিত এলাকায় পানির স্তর বৃদ্ধি পেলে সাপের প্রাকৃতিক আবাস্থল সম্পূর্ণ ডুবে যায়। বেঁচে থাকার তাগিদে সাপ তখন শুষ্ক ও উঁচু স্থানের খোঁজে লোকালয়ে, বসতঘরের চালে, বিছানায়, ধানের গোলায় কিংবা গৃহপালিত পশুর গোয়ালঘরে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়।

খান জাহান আলী (র.)-এর মাজারকে কেন্দ্র করে যে ঐতিহ্য গড়ে উঠেছে, তার অন্যতম প্রধান ও আকর্ষণীয় অনুষঙ্গ ছিল তাঁর মাজার সংলগ্ন বিশাল দীঘি এবং সেই দীঘির রহস্যময় ও অলৌকিক লোকগাঁথায় ঘেরা কুমির। প্রায় ৬৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই দীঘির কুমিরগুলো কেবল সাধারণ জলজ প্রাণী হিসেবে নয়, বরং বাংলার লোকসংস্কৃতি, ধর্মীয় বিশ্বাস, আধ্যাত্মিক আবহ এবং স্থানীয় ঐতিহ্যের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে টিকে ছিল।

হযরত খান জাহান আলী (র.) এর মাজার দীঘির কুমিরের সাড়ে ৬শ বছরের ইতিহাস

খান জাহান আলী (র.)-এর মাজারকে কেন্দ্র করে যে ঐতিহ্য গড়ে উঠেছে, তার অন্যতম প্রধান ও আকর্ষণীয় অনুষঙ্গ ছিল তাঁর মাজার সংলগ্ন বিশাল দীঘি এবং সেই দীঘির রহস্যময় ও অলৌকিক লোকগাঁথায় ঘেরা কুমির। প্রায় ৬৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই দীঘির কুমিরগুলো কেবল সাধারণ জলজ প্রাণী হিসেবে নয়, বরং বাংলার লোকসংস্কৃতি, ধর্মীয় বিশ্বাস, আধ্যাত্মিক আবহ এবং স্থানীয় ঐতিহ্যের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে টিকে ছিল।

হযরত খান জাহান আলী (র.) এর মাজার দীঘির কুমিরের সাড়ে ৬শ বছরের ইতিহাস

দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি ঐতিহ্যবাহী জেলা নোয়াখালী। সাধারণ জনমানসে এবং সোশ্যাল মিডিয়ার আলোচনায় নোয়াখালীকে প্রায়ই রসাত্মক বা গম্ভীরভাবে ‘বাংলাদেশের দুবাই’ বলে অভিহিত করা হয়। কিন্তু এই নামকরণের পেছনে কেবলই কি লৌকিক মিথ রয়েছে, নাকি এর পেছনে রয়েছে কোনো নিরেট অর্থনৈতিক সত্য?

নোয়াখালী কেন বাংলাদেশের সবচেয়ে ধনী জেলা?

দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি ঐতিহ্যবাহী জেলা নোয়াখালী। সাধারণ জনমানসে এবং সোশ্যাল মিডিয়ার আলোচনায় নোয়াখালীকে প্রায়ই রসাত্মক বা গম্ভীরভাবে ‘বাংলাদেশের দুবাই’ বলে অভিহিত করা হয়। কিন্তু এই নামকরণের পেছনে কেবলই কি লৌকিক মিথ রয়েছে, নাকি এর পেছনে রয়েছে কোনো নিরেট অর্থনৈতিক সত্য?

নোয়াখালী কেন বাংলাদেশের সবচেয়ে ধনী জেলা?

বাংলাদেশ এবং বন্যা এই দুটি শব্দ যেন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। ভৌগোলিক অবস্থান, অববাহিকার গঠন এবং জালের মতো বিছিয়ে থাকা নদ-নদীর কারণে এই ভূখণ্ডে বন্যা কোনো আকস্মিক বিপর্যয় নয়, বরং এক বার্ষিক নিয়তি। হিমালয় থেকে নেমে আসা পলি আর উজান থেকে ধেয়ে আসা পানির স্রোত এই বদ্বীপকে যেমন উর্বর করেছে, তেমনই প্রতি বছর লাখ লাখ মানুষের জীবনকে করে তুলেছে লণ্ডভণ্ড।

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বন্যা হয় যে ১০টি জেলায়

বাংলাদেশ এবং বন্যা এই দুটি শব্দ যেন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। ভৌগোলিক অবস্থান, অববাহিকার গঠন এবং জালের মতো বিছিয়ে থাকা নদ-নদীর কারণে এই ভূখণ্ডে বন্যা কোনো আকস্মিক বিপর্যয় নয়, বরং এক বার্ষিক নিয়তি। হিমালয় থেকে নেমে আসা পলি আর উজান থেকে ধেয়ে আসা পানির স্রোত এই বদ্বীপকে যেমন উর্বর করেছে, তেমনই প্রতি বছর লাখ লাখ মানুষের জীবনকে করে তুলেছে লণ্ডভণ্ড।

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বন্যা হয় যে ১০টি জেলায়

এমনই এক জনদরদি এক মানুষ ছিল বাংলায়। আর সেই মানুষ ছিল রঘুনাথ ঘোষ ওরফে কিংবদন্তি রঘু ডাকাত। রঘু ডাকাতের নাম শুনলেই মনে ভেসে ওঠে সেই ছোটবেলায় শোনা ডাকাতদের চিৎকার, লাঠিবাহিনীর আক্রমণ, ভয়, আতংক, আর একটা মুখাবয়ব যা দেখলে রক্ত হীম হয়ে যায়। ভয় আর আতংক মিশ্রিত সেই চরিত্র হল রঘু ডাকাত,যার নাম শুনলে ইংরেজ আমলে সত্যি সত্যি বাঘে গরুতে এক ঘাটে জল খেত।

এমনই এক জনদরদি এক মানুষ ছিল বাংলায়। আর সেই মানুষ ছিল রঘুনাথ ঘোষ ওরফে কিংবদন্তি রঘু ডাকাত। রঘু ডাকাতের নাম শুনলেই মনে ভেসে ওঠে সেই ছোটবেলায় শোনা ডাকাতদের চিৎকার, লাঠিবাহিনীর আক্রমণ, ভয়, আতংক, আর একটা মুখাবয়ব যা দেখলে রক্ত হীম হয়ে যায়। ভয় আর আতংক মিশ্রিত সেই চরিত্র হল রঘু ডাকাত,যার নাম শুনলে ইংরেজ আমলে সত্যি সত্যি বাঘে গরুতে এক ঘাটে জল খেত।

বাংলার অপরাধ জগতের ইতিহাসে এমন কিছু নাম আছে, যারা শুনলে আজও পুরান ঢাকার গলিপথগুলোতে শিহরণ জেগে ওঠে। কিন্তু সেই আতঙ্কের গল্পের আড়ালে যদি লুকিয়ে থাকে এক সুমধুর কণ্ঠস্বর? যদি জানা যায়, যে হাতে সপাং করে রামদা চলত, সেই হাতই একসময় হারমোনিয়ামের রিডে তুলত ভৈরবী বা টপ্পার সুর? বলছি আশির দশকের ঢাকার মোস্ট ওয়ান্টেড অপরাধী আবুল হাসনাত কামাল, যাকে পুরো দেশ চিনত ‘গাল কাটা কামাল’ নামে।

ঢাকার প্রথম আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন গাল কাটা কামাল

বাংলার অপরাধ জগতের ইতিহাসে এমন কিছু নাম আছে, যারা শুনলে আজও পুরান ঢাকার গলিপথগুলোতে শিহরণ জেগে ওঠে। কিন্তু সেই আতঙ্কের গল্পের আড়ালে যদি লুকিয়ে থাকে এক সুমধুর কণ্ঠস্বর? যদি জানা যায়, যে হাতে সপাং করে রামদা চলত, সেই হাতই একসময় হারমোনিয়ামের রিডে তুলত ভৈরবী বা টপ্পার সুর? বলছি আশির দশকের ঢাকার মোস্ট ওয়ান্টেড অপরাধী আবুল হাসনাত কামাল, যাকে পুরো দেশ চিনত ‘গাল কাটা কামাল’ নামে।

ঢাকার প্রথম আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন গাল কাটা কামাল

‘আমার একটা নদী ছিল, জানলো না তো কেউ / এই খানে এক নদী ছিল, জানলো না তো কেউ।’ শিল্পী পথিক নবীর এই হাহাকার আজ যেন কোটি কোটি বাঙালির হৃদয়ের প্রতিধ্বনি। এক সময় যে নদী ছিল আমাদের জীবনের স্পন্দন, আজ সেই নদীগুলোই নিঃশব্দে হারিয়ে যাচ্ছে মানচিত্র থেকে। তেরোশত নদীর এই দেশ আজ তার পরিচয় সংকটে ভুগছে।

‘আমার একটা নদী ছিল, জানলো না তো কেউ / এই খানে এক নদী ছিল, জানলো না তো কেউ।’ শিল্পী পথিক নবীর এই হাহাকার আজ যেন কোটি কোটি বাঙালির হৃদয়ের প্রতিধ্বনি। এক সময় যে নদী ছিল আমাদের জীবনের স্পন্দন, আজ সেই নদীগুলোই নিঃশব্দে হারিয়ে যাচ্ছে মানচিত্র থেকে। তেরোশত নদীর এই দেশ আজ তার পরিচয় সংকটে ভুগছে।

বাংলার অপরাধ জগতের ইতিহাসে এমন কোনো নাম নেই যা ‘এরশাদ শিকদার’ নামের সমার্থক হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশের ৫৪ বছরের ইতিহাসে বহু অপরাধী এসেছে, চলেও গেছে। কিন্তু এরশাদ শিকদারের মতো এতটা বিকৃতমস্তিষ্ক, নৃশংস এবং ক্ষমতাধর খুনি আর দ্বিতীয়টি জন্ম নেয়নি। গত ৫২ বছরে বাংলাদেশ অনেক অপরাধী দেখেছে, কিন্তু এরশাদ শিকদারের মতো নৃশংসতা, ধূর্ততা এবং ক্ষমতার দম্ভ আর কারো মধ্যে দেখা যায়নি। তিনি কেবল একজন খুনি ছিলেন না, তিনি ছিলেন একাধারে মাদক সম্রাট, টেন্ডারবাজ, ধর্ষক এবং ঘাটের মুকুটহীন রাজা।

এরশাদ শিকদার - গান গাইতে গাইতে খুন করতো যে সাইকো

বাংলার অপরাধ জগতের ইতিহাসে এমন কোনো নাম নেই যা ‘এরশাদ শিকদার’ নামের সমার্থক হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশের ৫৪ বছরের ইতিহাসে বহু অপরাধী এসেছে, চলেও গেছে। কিন্তু এরশাদ শিকদারের মতো এতটা বিকৃতমস্তিষ্ক, নৃশংস এবং ক্ষমতাধর খুনি আর দ্বিতীয়টি জন্ম নেয়নি। গত ৫২ বছরে বাংলাদেশ অনেক অপরাধী দেখেছে, কিন্তু এরশাদ শিকদারের মতো নৃশংসতা, ধূর্ততা এবং ক্ষমতার দম্ভ আর কারো মধ্যে দেখা যায়নি। তিনি কেবল একজন খুনি ছিলেন না, তিনি ছিলেন একাধারে মাদক সম্রাট, টেন্ডারবাজ, ধর্ষক এবং ঘাটের মুকুটহীন রাজা।

এরশাদ শিকদার - গান গাইতে গাইতে খুন করতো যে সাইকো

সুরমা নদীর তীরের এই প্রাচীন জনপদকে যারা ইসলামের আলোয় আলোকিত করেছেন, তাদের মধ্যে অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব হলেন হযরত শাহ পরান ইয়ামেনী (রহঃ)। সিলেটের এই আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের কথা বললে হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর নামের পর যে নামটি সবচেয়ে বেশি ভক্তি ও শ্রদ্ধার সাথে উচ্চারিত হয়, তিনি হলেন হযরত শাহপরাণ ইয়ামেনী (রহ.)।

সুরমা নদীর তীরের এই প্রাচীন জনপদকে যারা ইসলামের আলোয় আলোকিত করেছেন, তাদের মধ্যে অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব হলেন হযরত শাহ পরান ইয়ামেনী (রহঃ)। সিলেটের এই আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের কথা বললে হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর নামের পর যে নামটি সবচেয়ে বেশি ভক্তি ও শ্রদ্ধার সাথে উচ্চারিত হয়, তিনি হলেন হযরত শাহপরাণ ইয়ামেনী (রহ.)।

মহব্বতপুরের সেই আগন্তুক শস্যহীন জনপদের ক্ষুধার্ত মানুষের হাহাকারের মধ্যে হঠাত একদিন উদয় হয়েছিল এক আগন্তুক। গলায় তসবিহ, মুখে দাড়ি, পরনে লুঙ্গি আর চোখে এক অদ্ভুত তেজ। সে মজিদ। সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহর ‘লালসালু’ উপন্যাসের এই চরিত্রটি কেবল একটি সাহিত্যিক সৃষ্টি নয়; বরং এটি একটি ‘আর্কিটাইপ’ বা আদর্শ নমুনা, যা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে আমাদের সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে মিশে আছে।

মহব্বতপুরের সেই আগন্তুক শস্যহীন জনপদের ক্ষুধার্ত মানুষের হাহাকারের মধ্যে হঠাত একদিন উদয় হয়েছিল এক আগন্তুক। গলায় তসবিহ, মুখে দাড়ি, পরনে লুঙ্গি আর চোখে এক অদ্ভুত তেজ। সে মজিদ। সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহর ‘লালসালু’ উপন্যাসের এই চরিত্রটি কেবল একটি সাহিত্যিক সৃষ্টি নয়; বরং এটি একটি ‘আর্কিটাইপ’ বা আদর্শ নমুনা, যা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে আমাদের সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে মিশে আছে।

মেলা প্রাঙ্গণে ড্রামের বিকট শব্দ, ধোঁয়ার কুণ্ডলী আর হাজারো মানুষের চিৎকার - সবকিছুর কেন্দ্রে একটি বিশাল কাঠের সিলিন্ডার। নাম তার 'মউত কা কুয়া' বা 'মৃত্যুর কুয়া'। ওপর থেকে নিচে তাকালে বুক কেঁপে ওঠে, অথচ সেই খাড়া দেয়ালে মাধ্যাকর্ষণকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তীব্র গতিতে বাইক আর গাড়ি ছোটাচ্ছেন একদল মানুষ। তাঁদের জন্য এটি স্রেফ একটি স্টান্ট নয়, বরং জীবনের রুটি-রুজি।

মেলা প্রাঙ্গণে ড্রামের বিকট শব্দ, ধোঁয়ার কুণ্ডলী আর হাজারো মানুষের চিৎকার - সবকিছুর কেন্দ্রে একটি বিশাল কাঠের সিলিন্ডার। নাম তার 'মউত কা কুয়া' বা 'মৃত্যুর কুয়া'। ওপর থেকে নিচে তাকালে বুক কেঁপে ওঠে, অথচ সেই খাড়া দেয়ালে মাধ্যাকর্ষণকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তীব্র গতিতে বাইক আর গাড়ি ছোটাচ্ছেন একদল মানুষ। তাঁদের জন্য এটি স্রেফ একটি স্টান্ট নয়, বরং জীবনের রুটি-রুজি।

একুশ শতকের ঢাকায় 'গুলশান' মানেই আভিজাত্যের শিখর, ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু আর উচ্চবিত্তের লাইফস্টাইল। ঝকঝকে কাঁচের অট্টালিকা, অত্যাধুনিক শপিং মল, সারিবদ্ধ মার্সিডিজ-বিএমডব্লিউ আর বিদেশী দূতাবাসের কড়া নিরাপত্তা এই হলো আজকের গুলশানের চেনা ছবি। কিন্তু এই জৌলুসের নিচে চাপা পড়ে আছে এক অন্য ইতিহাস। মাত্র সাত দশক আগেও গুলশান ছিল ঢাকার মূল শহর থেকে বিচ্ছিন্ন এক নিভৃত জঙ্গল, যেখানে বাঘের গর্জন আর শেয়ালের ডাক ছিল নিত্যদিনের সঙ্গী। 'ভোলা গ্রাম' থেকে আজকের 'গুলশান' হয়ে ওঠার এই রূপান্তর যেন এক রূপকথার গল্পকেও হার মানায়।

একুশ শতকের ঢাকায় 'গুলশান' মানেই আভিজাত্যের শিখর, ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু আর উচ্চবিত্তের লাইফস্টাইল। ঝকঝকে কাঁচের অট্টালিকা, অত্যাধুনিক শপিং মল, সারিবদ্ধ মার্সিডিজ-বিএমডব্লিউ আর বিদেশী দূতাবাসের কড়া নিরাপত্তা এই হলো আজকের গুলশানের চেনা ছবি। কিন্তু এই জৌলুসের নিচে চাপা পড়ে আছে এক অন্য ইতিহাস। মাত্র সাত দশক আগেও গুলশান ছিল ঢাকার মূল শহর থেকে বিচ্ছিন্ন এক নিভৃত জঙ্গল, যেখানে বাঘের গর্জন আর শেয়ালের ডাক ছিল নিত্যদিনের সঙ্গী। 'ভোলা গ্রাম' থেকে আজকের 'গুলশান' হয়ে ওঠার এই রূপান্তর যেন এক রূপকথার গল্পকেও হার মানায়।

'মব ভায়োলেন্স' বা দলবদ্ধ উন্মত্ততা একটি ভয়াবহ ব্যাধি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। বিশেষ করে জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, পিটিয়ে মারা এবং স্থাপনা ধ্বংসের মতো ঘটনাগুলো আমাদের বিবেককে দংশন করছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলের মর্মান্তিক ঘটনা থেকে শুরু করে খাগড়াছড়ির সহিংসতা কিংবা ঐতিহাসিক স্থাপনায় ভাঙচুর প্রতিটি ঘটনাই আমাদের আইনের শাসন ও মানবিক মূল্যবোধকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে। শান্তি ও ন্যায়ের ধর্ম ইসলাম কি আদৌ এই 'জঙ্গল আইন' সমর্থন করে?

ধানমন্ডি ৩২ ট্রাজেডি - মব ভায়োলেন্স সন্ত্রাস ইসলাম কি এগুলো সমর্থন করে?

'মব ভায়োলেন্স' বা দলবদ্ধ উন্মত্ততা একটি ভয়াবহ ব্যাধি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। বিশেষ করে জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, পিটিয়ে মারা এবং স্থাপনা ধ্বংসের মতো ঘটনাগুলো আমাদের বিবেককে দংশন করছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলের মর্মান্তিক ঘটনা থেকে শুরু করে খাগড়াছড়ির সহিংসতা কিংবা ঐতিহাসিক স্থাপনায় ভাঙচুর প্রতিটি ঘটনাই আমাদের আইনের শাসন ও মানবিক মূল্যবোধকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে। শান্তি ও ন্যায়ের ধর্ম ইসলাম কি আদৌ এই 'জঙ্গল আইন' সমর্থন করে?

ধানমন্ডি ৩২ ট্রাজেডি - মব ভায়োলেন্স সন্ত্রাস ইসলাম কি এগুলো সমর্থন করে?

ভারতীয় উপমহাদেশে বেগম রোকেয়ার অবদানকে যেভাবে মহিমান্বিত করা হয়, তাতে অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে তবে কি বেগম রোকেয়ার আগে মুসলিম নারীরা অশিক্ষিত ছিলেন? ইতিহাস কিন্তু আমাদের সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং গৌরবোজ্জ্বল এক সত্যের মুখোমুখি করে। ইসলামি সভ্যতার স্বর্ণযুগে জ্ঞানচর্চা কোনো নির্দিষ্ট লিঙ্গের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। সাহাবিদের আমল থেকে শুরু করে মধ্যযুগ পর্যন্ত মুসলিম নারীরা ছিলেন জ্ঞান-বিজ্ঞানের একেকটি আলোকবর্তিকা।

ভারতীয় উপমহাদেশে বেগম রোকেয়ার অবদানকে যেভাবে মহিমান্বিত করা হয়, তাতে অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে তবে কি বেগম রোকেয়ার আগে মুসলিম নারীরা অশিক্ষিত ছিলেন? ইতিহাস কিন্তু আমাদের সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং গৌরবোজ্জ্বল এক সত্যের মুখোমুখি করে। ইসলামি সভ্যতার স্বর্ণযুগে জ্ঞানচর্চা কোনো নির্দিষ্ট লিঙ্গের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। সাহাবিদের আমল থেকে শুরু করে মধ্যযুগ পর্যন্ত মুসলিম নারীরা ছিলেন জ্ঞান-বিজ্ঞানের একেকটি আলোকবর্তিকা।

বাংলার সাহিত্যাকাশের উজ্জ্বলতম ধ্রুবতারা কাজী নজরুল ইসলাম। তাঁর জীবন যেমন ঝোড়ো হাওয়ার মতো উত্তাল, তেমনি করুণ রসে সিক্ত এক মহাকাব্য। যে মানুষটি তাঁর কলম দিয়ে ঘুমন্ত জাতিকে জাগিয়ে তুলেছিলেন, যাঁর কণ্ঠে বেজে উঠেছিল বিদ্রোহের রণতূর্য, জীবনের শেষ পর্যায়ে সেই মানুষটিই শিকার হয়েছিলেন চরম অবহেলা ও একাকিত্বের।

দুখু মিয়া কবি কাজী নজরুল ইসলামের দু:খ দারিদ্র্যে ভরা শেষ জীবন

বাংলার সাহিত্যাকাশের উজ্জ্বলতম ধ্রুবতারা কাজী নজরুল ইসলাম। তাঁর জীবন যেমন ঝোড়ো হাওয়ার মতো উত্তাল, তেমনি করুণ রসে সিক্ত এক মহাকাব্য। যে মানুষটি তাঁর কলম দিয়ে ঘুমন্ত জাতিকে জাগিয়ে তুলেছিলেন, যাঁর কণ্ঠে বেজে উঠেছিল বিদ্রোহের রণতূর্য, জীবনের শেষ পর্যায়ে সেই মানুষটিই শিকার হয়েছিলেন চরম অবহেলা ও একাকিত্বের।

দুখু মিয়া কবি কাজী নজরুল ইসলামের দু:খ দারিদ্র্যে ভরা শেষ জীবন

ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি বঙ্গের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় নাম। ১২০৪ খ্রিষ্টাব্দে তাঁর অতর্কিত বাংলা বিজয় কেবল একটি শাসক বংশের পরিবর্তন ছিল না, বরং তা ছিল এই ভূখণ্ডের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ইতিহাসের এক বিশাল মোড় পরিবর্তন। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, বাংলায় মুসলিম শাসনের এই গোড়াপত্তনকারীর শেষ শয্যা আজ লোকচক্ষুর আড়ালে, চরম অবহেলায় ধুলোয় মিশে যাচ্ছে।

ইতিহাসের বিস্মৃত সেনানায়ক বখতিয়ার খলজির অবহেলিত সমাধির ইতিহাস

ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি বঙ্গের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় নাম। ১২০৪ খ্রিষ্টাব্দে তাঁর অতর্কিত বাংলা বিজয় কেবল একটি শাসক বংশের পরিবর্তন ছিল না, বরং তা ছিল এই ভূখণ্ডের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ইতিহাসের এক বিশাল মোড় পরিবর্তন। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, বাংলায় মুসলিম শাসনের এই গোড়াপত্তনকারীর শেষ শয্যা আজ লোকচক্ষুর আড়ালে, চরম অবহেলায় ধুলোয় মিশে যাচ্ছে।

ইতিহাসের বিস্মৃত সেনানায়ক বখতিয়ার খলজির অবহেলিত সমাধির ইতিহাস

শহীদ বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে ডা. মোহাম্মদ ফজলে রাব্বি ছিলেন এক অনন্য নাম। তিনি শুধু একজন বিশ্বখ্যাত কার্ডিওলজিস্টই ছিলেন না, ছিলেন এক মানবপ্রেমী, প্রগতিশীল ও দেশপ্রেমিক চিকিৎসক, যিনি নিজের পেশাগত জীবনের সর্বোচ্চ সাফল্য এবং বিলাসবহুল জীবন তুচ্ছ করে জীবনের শেষ রক্তবিন্দু উৎসর্গ করেছিলেন এই দেশের মানুষের জন্য।

শহীদ বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে ডা. মোহাম্মদ ফজলে রাব্বি ছিলেন এক অনন্য নাম। তিনি শুধু একজন বিশ্বখ্যাত কার্ডিওলজিস্টই ছিলেন না, ছিলেন এক মানবপ্রেমী, প্রগতিশীল ও দেশপ্রেমিক চিকিৎসক, যিনি নিজের পেশাগত জীবনের সর্বোচ্চ সাফল্য এবং বিলাসবহুল জীবন তুচ্ছ করে জীবনের শেষ রক্তবিন্দু উৎসর্গ করেছিলেন এই দেশের মানুষের জন্য।

ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর ছবিতে শান্ত, সৌম্য, আর মায়াবী যে চোখ দুটো আমাদের দিকে তাকিয়ে থাকে, কে জানত সেই চোখের মালিকের ভেতরে লুকিয়ে ছিল এক ভয়ংকর বারুদ? তাঁর সহযোদ্ধারা তাঁকে বারবার বলতেন, "স্যার, আপনি অসতর্ক যুদ্ধ করেন, বেপরোয়া যুদ্ধ করেন। আত্মরক্ষার কথা ভাবেন না।" যেন তিনি মরিয়া হয়ে ছিলেন শহিদ হওয়ার জন্য। আর সেই শহীদি মৃত্যু তাঁর হাতে ধরা দিয়েছিল ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর সকাল নয়টায় - বিজয়ের মাত্র ৪৮ ঘণ্টা আগে।

বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর - যিনি শহীদি মৃত্যুকে খুঁজেছিলেন

ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর ছবিতে শান্ত, সৌম্য, আর মায়াবী যে চোখ দুটো আমাদের দিকে তাকিয়ে থাকে, কে জানত সেই চোখের মালিকের ভেতরে লুকিয়ে ছিল এক ভয়ংকর বারুদ? তাঁর সহযোদ্ধারা তাঁকে বারবার বলতেন, "স্যার, আপনি অসতর্ক যুদ্ধ করেন, বেপরোয়া যুদ্ধ করেন। আত্মরক্ষার কথা ভাবেন না।" যেন তিনি মরিয়া হয়ে ছিলেন শহিদ হওয়ার জন্য। আর সেই শহীদি মৃত্যু তাঁর হাতে ধরা দিয়েছিল ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর সকাল নয়টায় - বিজয়ের মাত্র ৪৮ ঘণ্টা আগে।

বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর - যিনি শহীদি মৃত্যুকে খুঁজেছিলেন

বেগম রোকেয়ার রচনাবলির গভীরে প্রবেশ করলে যে ছবি উঠে আসে তাকে অনেকেই এড়িয়ে যান। সেখানে দেখা যায় ধর্মগ্রন্থ, নবী-রাসূল, পুরুষজাতি ও বিবাহ প্রথার প্রতি তীব্র সমালোচনা; এমনকি সন্তানধারণকেও তিনি “পাশবিক কাজ” বলে অভিহিত করেছেন। আজকের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে বেগম রোকেয়ার এই চিন্তাধারা শুধু নারীবাদীই নয়, সরাসরি ধর্মবিশ্বাস-বিরোধী ও নাস্তিকতার দিকে হেলে পড়া র‌্যাডিক্যাল নারীবাদের প্রথম দৃষ্টান্ত।

বেগম রোকেয়া বাঙালি নারী জাগরণের অগ্রদূত নাকি র‍্যাডিক্যাল চিন্তার স্রষ্টা?

বেগম রোকেয়ার রচনাবলির গভীরে প্রবেশ করলে যে ছবি উঠে আসে তাকে অনেকেই এড়িয়ে যান। সেখানে দেখা যায় ধর্মগ্রন্থ, নবী-রাসূল, পুরুষজাতি ও বিবাহ প্রথার প্রতি তীব্র সমালোচনা; এমনকি সন্তানধারণকেও তিনি “পাশবিক কাজ” বলে অভিহিত করেছেন। আজকের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে বেগম রোকেয়ার এই চিন্তাধারা শুধু নারীবাদীই নয়, সরাসরি ধর্মবিশ্বাস-বিরোধী ও নাস্তিকতার দিকে হেলে পড়া র‌্যাডিক্যাল নারীবাদের প্রথম দৃষ্টান্ত।

বেগম রোকেয়া বাঙালি নারী জাগরণের অগ্রদূত নাকি র‍্যাডিক্যাল চিন্তার স্রষ্টা?

কক্সবাজার কেবল একটি নাম নয়, এটি বিশ্বের দীর্ঘতম অবিচ্ছিন্ন বালুকাময় সমুদ্রসৈকত, বাংলাদেশের পর্যটন রাজধানী এবং এক সমৃদ্ধ ইতিহাসের ধারক। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সৈকতের নামকরণ কীভাবে হলো? কেনই বা এটিকে 'কক্সবাজার' বলা হয়? এর পেছনে জড়িয়ে আছে ১৭০০-এর দশকের শেষভাগের এক ব্রিটিশ কর্মকর্তার নাম ক্যাপ্টেন হিরাম কক্স।

ক্যাপ্টেন হিরাম কক্স থেকে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারের নামকরণের ইতিহাস

কক্সবাজার কেবল একটি নাম নয়, এটি বিশ্বের দীর্ঘতম অবিচ্ছিন্ন বালুকাময় সমুদ্রসৈকত, বাংলাদেশের পর্যটন রাজধানী এবং এক সমৃদ্ধ ইতিহাসের ধারক। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সৈকতের নামকরণ কীভাবে হলো? কেনই বা এটিকে 'কক্সবাজার' বলা হয়? এর পেছনে জড়িয়ে আছে ১৭০০-এর দশকের শেষভাগের এক ব্রিটিশ কর্মকর্তার নাম ক্যাপ্টেন হিরাম কক্স।

ক্যাপ্টেন হিরাম কক্স থেকে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারের নামকরণের ইতিহাস

১৯৭১ সালের ৫ই ডিসেম্বর ছিল বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও সামরিক দিক থেকে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। নয় মাসের দীর্ঘ, রক্তক্ষয়ী ও অসমান গেরিলাযুদ্ধের পর ডিসেম্বরের প্রথম প্রহর থেকেই রণাঙ্গনের চিত্র দ্রুত বদলাতে শুরু করে। ৩রা ডিসেম্বর বিকেলে পাকিস্তান বিমানবাহিনী কর্তৃক ভারতের একাধিক বিমানঘাঁটিতে ‘অপারেশন চেঙ্গিজ খান’ চালুর পর ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। গঠিত হয় মিত্রবাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর সমন্বয়ে ‘যৌথ কমান্ড’ (Joint Command)।

আত্মসমর্পণ অথবা মৃত্যু – একাত্তরে ৫ ডিসেম্বর যখন বিজয় অনিবার্য

১৯৭১ সালের ৫ই ডিসেম্বর ছিল বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও সামরিক দিক থেকে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। নয় মাসের দীর্ঘ, রক্তক্ষয়ী ও অসমান গেরিলাযুদ্ধের পর ডিসেম্বরের প্রথম প্রহর থেকেই রণাঙ্গনের চিত্র দ্রুত বদলাতে শুরু করে। ৩রা ডিসেম্বর বিকেলে পাকিস্তান বিমানবাহিনী কর্তৃক ভারতের একাধিক বিমানঘাঁটিতে ‘অপারেশন চেঙ্গিজ খান’ চালুর পর ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। গঠিত হয় মিত্রবাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর সমন্বয়ে ‘যৌথ কমান্ড’ (Joint Command)।

আত্মসমর্পণ অথবা মৃত্যু – একাত্তরে ৫ ডিসেম্বর যখন বিজয় অনিবার্য

অনেকে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তর্ক করি। কেউ বলেন ৩ হাজার, কেউ বলেন ৩ লাখ, কেউ বলেন ৩০ লাখ। কিন্তু করিমুল হকের মতো লাখো মানুষের কাছে এই সংখ্যা কোনো তর্কের বিষয় নয়। এটা তাদের জীবনের রক্তাক্ত অধ্যায়। মুক্তিযুদ্ধ গবেষণায় বিভিন্ন সময় অনেক তথ্য উঠে এসেছে - যা প্রমাণ করে, শহীদের সংখ্যা ৩০ লাখের কম নয়।

মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদ – কেন এই সংখ্যা নিয়ে তর্ক অর্থহীন?

অনেকে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তর্ক করি। কেউ বলেন ৩ হাজার, কেউ বলেন ৩ লাখ, কেউ বলেন ৩০ লাখ। কিন্তু করিমুল হকের মতো লাখো মানুষের কাছে এই সংখ্যা কোনো তর্কের বিষয় নয়। এটা তাদের জীবনের রক্তাক্ত অধ্যায়। মুক্তিযুদ্ধ গবেষণায় বিভিন্ন সময় অনেক তথ্য উঠে এসেছে - যা প্রমাণ করে, শহীদের সংখ্যা ৩০ লাখের কম নয়।

মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদ – কেন এই সংখ্যা নিয়ে তর্ক অর্থহীন?

বাংলাদেশের ক্রিয়েটর বিশাল বাজারে যারা ড্রামা-ফ্রি, তারাই দীর্ঘমেয়াদি তারকা। গেম-চেঞ্জারের - নাদির অন দ্য গো (বাংলা), সালাহউদ্দিন সুমন, বিসমিল্লাহ এগ্রো (সাইফুল ইসলাম) এবং এমডি ফিজ। তাদের যাত্রা, আয়, পুরস্কার, আর কীভাবে আপনিও তাদের মতো হতে পারেন - সবকিছু এক জায়গায়।

বাংলাদেশের ক্রিয়েটর বিশাল বাজারে যারা ড্রামা-ফ্রি, তারাই দীর্ঘমেয়াদি তারকা। গেম-চেঞ্জারের - নাদির অন দ্য গো (বাংলা), সালাহউদ্দিন সুমন, বিসমিল্লাহ এগ্রো (সাইফুল ইসলাম) এবং এমডি ফিজ। তাদের যাত্রা, আয়, পুরস্কার, আর কীভাবে আপনিও তাদের মতো হতে পারেন - সবকিছু এক জায়গায়।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও শিল্প উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানা এবং গৃহস্থালি কাজে গ্যাসের চাহিদা ক্রমাগত বাড়ছে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত দ্রুত হ্রাস এবং উৎপাদন কমে যাওয়ার কারণে বাংলাদেশ একটি গুরুতর জ্বালানি সংকটের মুখোমুখি।

বাংলাদেশের প্রাকৃতিক গ্যাস সংকট, ভূতাত্ত্বিক সম্ভাবনা ও জ্বালানি রূপান্তর

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও শিল্প উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানা এবং গৃহস্থালি কাজে গ্যাসের চাহিদা ক্রমাগত বাড়ছে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত দ্রুত হ্রাস এবং উৎপাদন কমে যাওয়ার কারণে বাংলাদেশ একটি গুরুতর জ্বালানি সংকটের মুখোমুখি।

বাংলাদেশের প্রাকৃতিক গ্যাস সংকট, ভূতাত্ত্বিক সম্ভাবনা ও জ্বালানি রূপান্তর

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়। এই যুদ্ধে লাখো বাঙালি নিজের জীবন উৎসর্গ করে দেশকে স্বাধীন করেছেন। এই বীরদের মধ্যে কেউ কেউ তাদের অসাধারণ সাহস ও আত্মত্যাগের জন্য খেতাবে ভূষিত হয়েছেন। জগৎজ্যোতি দাস তিনি ছিলেন ভাটি বাংলার এক মহানায়ক, যার নেতৃত্বে গঠিত ‘দাস পার্টি’ যুদ্ধ করে।

বাংলাদেশের প্রথম ঘোষিত বীরশ্রেষ্ঠ জগৎজ্যোতি দাস

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়। এই যুদ্ধে লাখো বাঙালি নিজের জীবন উৎসর্গ করে দেশকে স্বাধীন করেছেন। এই বীরদের মধ্যে কেউ কেউ তাদের অসাধারণ সাহস ও আত্মত্যাগের জন্য খেতাবে ভূষিত হয়েছেন। জগৎজ্যোতি দাস তিনি ছিলেন ভাটি বাংলার এক মহানায়ক, যার নেতৃত্বে গঠিত ‘দাস পার্টি’ যুদ্ধ করে।

বাংলাদেশের প্রথম ঘোষিত বীরশ্রেষ্ঠ জগৎজ্যোতি দাস

বাংলাদেশের প্রাচীন নগরীগুলোর মধ্যে কুমিল্লা তার ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের জন্য বিখ্যাত। এই নগরীর হৃদপিণ্ডে অবস্থিত ধর্মসাগর দিঘি শুধু একটি জলাধার নয়, বরং কুমিল্লার ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং সামাজিক মিলনমেলার এক অমূল্য প্রতীক। প্রায় ছয় শতাব্দী আগে খনন করা এই দিঘি আজও কুমিল্লাবাসীর কাছে একটি জীবন্ত ঐতিহ্য হিসেবে টিকে আছে।

বাংলাদেশের প্রাচীন নগরীগুলোর মধ্যে কুমিল্লা তার ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের জন্য বিখ্যাত। এই নগরীর হৃদপিণ্ডে অবস্থিত ধর্মসাগর দিঘি শুধু একটি জলাধার নয়, বরং কুমিল্লার ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং সামাজিক মিলনমেলার এক অমূল্য প্রতীক। প্রায় ছয় শতাব্দী আগে খনন করা এই দিঘি আজও কুমিল্লাবাসীর কাছে একটি জীবন্ত ঐতিহ্য হিসেবে টিকে আছে।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে কিছু নাম চিরকাল অমর হয়ে থাকবে। তাদের মধ্যে একজন হলেন ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান। একজন পাইলট, একজন দেশপ্রেমিক, একজন সাহসী যোদ্ধা, যিনি নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন মাতৃভূমির মুক্তির জন্য। ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে একটি অমর নাম।

ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান – মুক্তিযুদ্ধের এক অকুতোভয় বীর

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে কিছু নাম চিরকাল অমর হয়ে থাকবে। তাদের মধ্যে একজন হলেন ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান। একজন পাইলট, একজন দেশপ্রেমিক, একজন সাহসী যোদ্ধা, যিনি নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন মাতৃভূমির মুক্তির জন্য। ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে একটি অমর নাম।

ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান – মুক্তিযুদ্ধের এক অকুতোভয় বীর

বাংলাদেশের সাহিত্য ও চলচ্চিত্র জগতের ইতিহাসে জহির রায়হান এক অনন্য নাম। তিনি ছিলেন একজন ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক, চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে তৎপর একজন দেশপ্রেমিক। তার নির্মিত চলচ্চিত্র জীবন থেকে নেয়া যেমন রাজনৈতিক প্রতিবাদের প্রতীক, তেমনি স্টপ জেনোসাইড ছিল মুক্তিযুদ্ধের ভয়াবহতা তুলে ধরার এক সাহসী প্রচেষ্টা।

জহির রায়হান – বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অমীমাংসিত রহস্য

বাংলাদেশের সাহিত্য ও চলচ্চিত্র জগতের ইতিহাসে জহির রায়হান এক অনন্য নাম। তিনি ছিলেন একজন ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক, চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে তৎপর একজন দেশপ্রেমিক। তার নির্মিত চলচ্চিত্র জীবন থেকে নেয়া যেমন রাজনৈতিক প্রতিবাদের প্রতীক, তেমনি স্টপ জেনোসাইড ছিল মুক্তিযুদ্ধের ভয়াবহতা তুলে ধরার এক সাহসী প্রচেষ্টা।

জহির রায়হান – বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অমীমাংসিত রহস্য

বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে একটি জটিল সমস্যার মুখোমুখি। বাংলাদেশের যে কোন সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেলে সাধারণ মানুষের অভিজ্ঞতা হয় একরকম গিজগিজে ভিড়, ঘামের গন্ধ, রোগের গন্ধ, গরমে ভরপুর ওয়ার্ড, নোংরা বাথরুম, ফ্লোরে শুয়ে থাকা রোগী, অক্সিজেন নেই, ঔষধ নেই, ডাক্তার ১ জন রোগী ২০০ জন

বাংলাদেশের সরকারি হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবা জটিল সংকট

বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে একটি জটিল সমস্যার মুখোমুখি। বাংলাদেশের যে কোন সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেলে সাধারণ মানুষের অভিজ্ঞতা হয় একরকম গিজগিজে ভিড়, ঘামের গন্ধ, রোগের গন্ধ, গরমে ভরপুর ওয়ার্ড, নোংরা বাথরুম, ফ্লোরে শুয়ে থাকা রোগী, অক্সিজেন নেই, ঔষধ নেই, ডাক্তার ১ জন রোগী ২০০ জন

বাংলাদেশের সরকারি হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবা জটিল সংকট

বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি ক্ষুদ্র কিন্তু জনবহুল দেশ, যার মোট আয়তন প্রায় ১,৪৭,৫৭০ বর্গকিলোমিটার। এই আয়তনের মধ্যে দেশটি আটটি প্রশাসনিক বিভাগে বিভক্ত। তবে এ বিভাগগুলোর আয়তন পৃথিবীর অনেক স্বাধীন দেশের আয়তনের সমান বা কাছাকাছি।

বাংলাদেশের বিভাগগুলোর আয়তন যেসব দেশের সমান

বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি ক্ষুদ্র কিন্তু জনবহুল দেশ, যার মোট আয়তন প্রায় ১,৪৭,৫৭০ বর্গকিলোমিটার। এই আয়তনের মধ্যে দেশটি আটটি প্রশাসনিক বিভাগে বিভক্ত। তবে এ বিভাগগুলোর আয়তন পৃথিবীর অনেক স্বাধীন দেশের আয়তনের সমান বা কাছাকাছি।

বাংলাদেশের বিভাগগুলোর আয়তন যেসব দেশের সমান

বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় শুধু ব্যাংকে টাকা রেখে নিশ্চিন্ত থাকা যথেষ্ট নয়। ব্যাংকের সেভিংস অ্যাকাউন্টে সুদের হার সাধারণত মুদ্রাস্ফীতির চেয়ে কম থাকে, ফলে টাকার প্রকৃত মূল্য কমে যায়। এছাড়া অর্থনৈতিক অস্থিরতা, ব্যাংকিং সংকট বা অন্যান্য ঝুঁকির কারণে শুধু ব্যাংকের উপর নির্ভরশীল থাকা বুদ্ধিমানের কাজ নয়।

বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় শুধু ব্যাংকে টাকা রেখে নিশ্চিন্ত থাকা যথেষ্ট নয়। ব্যাংকের সেভিংস অ্যাকাউন্টে সুদের হার সাধারণত মুদ্রাস্ফীতির চেয়ে কম থাকে, ফলে টাকার প্রকৃত মূল্য কমে যায়। এছাড়া অর্থনৈতিক অস্থিরতা, ব্যাংকিং সংকট বা অন্যান্য ঝুঁকির কারণে শুধু ব্যাংকের উপর নির্ভরশীল থাকা বুদ্ধিমানের কাজ নয়।

বাংলাদেশে এমন কিছু জেলা আছে যেখানে দুই বেলার খাবার জোটে না বহু মানুষের ঘরে? যেখানে শিশুরা স্কুলে কিংবা খেলার মাঠে নয়, জীবিকার তাগিদে মাঠে যায় কাজ করতে? অথবা এমন পরিবার আছে যারা মাসের পর মাস নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি কিনতে হিমশিম খায়?

বাংলাদেশের সবচেয়ে দরিদ্র যে ১০টি জেলার মানুষ

বাংলাদেশে এমন কিছু জেলা আছে যেখানে দুই বেলার খাবার জোটে না বহু মানুষের ঘরে? যেখানে শিশুরা স্কুলে কিংবা খেলার মাঠে নয়, জীবিকার তাগিদে মাঠে যায় কাজ করতে? অথবা এমন পরিবার আছে যারা মাসের পর মাস নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি কিনতে হিমশিম খায়?

বাংলাদেশের সবচেয়ে দরিদ্র যে ১০টি জেলার মানুষ

আমাদের এই ছোট্ট দেশেও এমন কিছু জায়গা আছে যেখানে বৃষ্টির পরিমাণ বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হওয়া অঞ্চলগুলোর সাথেও পাল্লা দিতে পারে? অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে, তাই তো? বর্ষাকালে যখন আকাশ কালো মেঘে ঢেকে যায়, আর প্রকৃতি যেন এক অদ্ভুত সবুজ রঙ ধারণ করে, তখন দেশের কিছু জেলা রীতিমতো মেঘের রাজ্যে পরিণত হয়।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয় যে ১০ জেলায়

আমাদের এই ছোট্ট দেশেও এমন কিছু জায়গা আছে যেখানে বৃষ্টির পরিমাণ বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হওয়া অঞ্চলগুলোর সাথেও পাল্লা দিতে পারে? অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে, তাই তো? বর্ষাকালে যখন আকাশ কালো মেঘে ঢেকে যায়, আর প্রকৃতি যেন এক অদ্ভুত সবুজ রঙ ধারণ করে, তখন দেশের কিছু জেলা রীতিমতো মেঘের রাজ্যে পরিণত হয়।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয় যে ১০ জেলায়

আমাদের সাথে থাকুন এবং সোশ্যাল মিডিয়াতে আমাদের ফলো করুন।

Create a free website with Framer, the website builder loved by startups, designers and agencies.