Trending

সাদিয়া ইসলাম মৌ - নস্টালজিয়া, গ্ল্যামার ও ফ্যাশন শিল্পের চিরসবুজ আইকন

Jul 19, 2026

রূপালী পর্দায় একটি মুখ ভেসে উঠলেই যেন পুরো দেশের মানুষের নজর আটকে যেত স্ক্রিনে তিনি আর কেউ নন, বাংলাদেশের ফ্যাশন, গ্ল্যামার ও সংস্কৃতি জগতের একচ্ছত্র সম্রাজ্ঞী সাদিয়া ইসলাম মৌ। বিশেষ করে ‘কেয়া সুপার লেমন সোপ’-এর সেই ঐতিহাসিক বিজ্ঞাপনচিত্রের কথা কার না মনে আছে! স্নিগ্ধ লেবুর রিফ্রেশিং ছোঁয়া, ব্যাকগ্রাউন্ডের চিরচেনা সুর আর স্ক্রিনে মডেল সাদিয়া ইসলাম মৌ-এর সাথে আদিল হোসেন নোবেলের উপস্থিতি সব মিলিয়ে তা হয়ে উঠেছিল তৎকালীন পপ কালচারের এক চিরন্তন অংশ।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয় যে ১০ জেলায়

Jul 19, 2025

আমাদের এই ছোট্ট দেশেও এমন কিছু জায়গা আছে যেখানে বৃষ্টির পরিমাণ বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হওয়া অঞ্চলগুলোর সাথেও পাল্লা দিতে পারে? অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে, তাই তো? বর্ষাকালে যখন আকাশ কালো মেঘে ঢেকে যায়, আর প্রকৃতি যেন এক অদ্ভুত সবুজ রঙ ধারণ করে, তখন দেশের কিছু জেলা রীতিমতো মেঘের রাজ্যে পরিণত হয়।

Latest Posts

একদিকে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের অখণ্ড ভারত গঠনের দাবি, অন্যদিকে অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগের একটি পৃথক মুসলিম রাষ্ট্র 'পাকিস্তান' অর্জনের সংগ্রাম। এই চরম রাজনৈতিক অচলাবস্থায় ১৯৪৬ সালের আগস্ট মাসে কলকাতার রাজপথে যে ভয়াবহ রক্তের বন্যা ভেসে গিয়েছিল, তা 'গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং' (Great Calcutta Killing) বা 'দ্য উইক অব দ্য লং নাইভস' (The Week of the Long Knives) নামে ইতিহাসে পরিচিত। তৎকালীন অবিভক্ত বাংলার রাজধানী কলকাতা শহরে অনুষ্ঠিত এই দাঙ্গা কেবল একটি আঞ্চলিক গণহত্যা ছিল না; এটি ছিল এমন এক ঐতিহাসিক অশুভ মোড়, যা ১৯৪৭ সালের ভারত ও পাকিস্তান বিভাগকে সুনিশ্চিত এবং অনিবার্য করে তুলেছিল।

১৯৪৬ সালের কলকাতা দাঙ্গা ‘গ্রেট কলকাতা কিলিং’ - সাম্প্রদায়িকতার নির্মম ট্রাজেডি

একদিকে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের অখণ্ড ভারত গঠনের দাবি, অন্যদিকে অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগের একটি পৃথক মুসলিম রাষ্ট্র 'পাকিস্তান' অর্জনের সংগ্রাম। এই চরম রাজনৈতিক অচলাবস্থায় ১৯৪৬ সালের আগস্ট মাসে কলকাতার রাজপথে যে ভয়াবহ রক্তের বন্যা ভেসে গিয়েছিল, তা 'গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং' (Great Calcutta Killing) বা 'দ্য উইক অব দ্য লং নাইভস' (The Week of the Long Knives) নামে ইতিহাসে পরিচিত। তৎকালীন অবিভক্ত বাংলার রাজধানী কলকাতা শহরে অনুষ্ঠিত এই দাঙ্গা কেবল একটি আঞ্চলিক গণহত্যা ছিল না; এটি ছিল এমন এক ঐতিহাসিক অশুভ মোড়, যা ১৯৪৭ সালের ভারত ও পাকিস্তান বিভাগকে সুনিশ্চিত এবং অনিবার্য করে তুলেছিল।

১৯৪৬ সালের কলকাতা দাঙ্গা ‘গ্রেট কলকাতা কিলিং’ - সাম্প্রদায়িকতার নির্মম ট্রাজেডি

এদের মধ্য থেকে ১৯৫৩ সালে জেরুজালেমে তকীউদ্দীন আল-নাবহানী কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সংগঠন হিযবুত তাহরীর (Hizb ut-Tahrir) একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন ও ব্যতিক্রমী বিতর্কিত কৌশল অবলম্বন করে আসছে। সংগঠনটি অন্যান্য সশস্ত্র জঙ্গি গোষ্ঠীর মতো সরাসরি বোমাবাজি বা গেরিলা যুদ্ধে লিপ্ত হয় না, আবার প্রচলিত গণতান্ত্রিক নির্বাচনকেও 'অমুসলিম বা কুফরি পদ্ধতি' আখ্যা দিয়ে তারা বিশ্বাস করে না। এর পরিবর্তে তারা বেছে নিয়েছে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, বিশেষ করে সশস্ত্র বাহিনীর মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ সামরিক অভ্যুত্থান ঘটিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের এক সুনির্দিষ্ট ও গোপন পদ্ধতি, যা ইসলামি পরিভাষায় ‘নুসরাহ’ (Nusrah) নামে পরিচিত।

হিযবুত তাহরীর ও ‘নুসরাহ’ কৌশল - বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে অভ্যুত্থানের অপচেষ্টা

এদের মধ্য থেকে ১৯৫৩ সালে জেরুজালেমে তকীউদ্দীন আল-নাবহানী কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সংগঠন হিযবুত তাহরীর (Hizb ut-Tahrir) একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন ও ব্যতিক্রমী বিতর্কিত কৌশল অবলম্বন করে আসছে। সংগঠনটি অন্যান্য সশস্ত্র জঙ্গি গোষ্ঠীর মতো সরাসরি বোমাবাজি বা গেরিলা যুদ্ধে লিপ্ত হয় না, আবার প্রচলিত গণতান্ত্রিক নির্বাচনকেও 'অমুসলিম বা কুফরি পদ্ধতি' আখ্যা দিয়ে তারা বিশ্বাস করে না। এর পরিবর্তে তারা বেছে নিয়েছে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, বিশেষ করে সশস্ত্র বাহিনীর মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ সামরিক অভ্যুত্থান ঘটিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের এক সুনির্দিষ্ট ও গোপন পদ্ধতি, যা ইসলামি পরিভাষায় ‘নুসরাহ’ (Nusrah) নামে পরিচিত।

হিযবুত তাহরীর ও ‘নুসরাহ’ কৌশল - বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে অভ্যুত্থানের অপচেষ্টা

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) পরিচালিত সর্বশেষ 'জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২' অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার মধ্যে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অনুপাত ৭.৯৫ শতাংশ। আনুপাতিক শতাংশের বিচারে দেখা যায়, বাংলাদেশের কিছু নির্দিষ্ট জেলায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের উপস্থিতি জাতীয় গড় (৭.৯৫%) থেকে বহু গুণে বেশি। মূলত দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পলল অববাহিকা, উত্তরবঙ্গের সীমান্তঘেঁষা সমভূমি এবং সিলেট বিভাগের চা-বাগান পরিবেষ্টিত অঞ্চলগুলোতে এই ঘনত্বের প্রাধান্য দৃশ্যমান।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি হিন্দু যে ১০টি জেলায় - জনমিতি ও বৈচিত্র্যের চিত্রপট

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) পরিচালিত সর্বশেষ 'জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২' অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার মধ্যে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অনুপাত ৭.৯৫ শতাংশ। আনুপাতিক শতাংশের বিচারে দেখা যায়, বাংলাদেশের কিছু নির্দিষ্ট জেলায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের উপস্থিতি জাতীয় গড় (৭.৯৫%) থেকে বহু গুণে বেশি। মূলত দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পলল অববাহিকা, উত্তরবঙ্গের সীমান্তঘেঁষা সমভূমি এবং সিলেট বিভাগের চা-বাগান পরিবেষ্টিত অঞ্চলগুলোতে এই ঘনত্বের প্রাধান্য দৃশ্যমান।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি হিন্দু যে ১০টি জেলায় - জনমিতি ও বৈচিত্র্যের চিত্রপট

করিম সাহেব হতাশ হয়ে মনে মনে ভাবতে লাগলেন, "আমি তো আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা করেছিলাম, তবে কেন আমার অবস্থা আরও খারাপ হলো?" এখানেই নিহিত রয়েছে আধুনিক মুসলিম সমাজের একটি সবচেয়ে বড় ভুল ধারণা ও বিভ্রান্তি। করিম সাহেব যাকে 'তাওয়াক্কুল' বা ভরসা ভেবেছিলেন, তা প্রকৃতপক্ষে তাওয়াক্কুল ছিল না; তা ছিল দায়িত্বহীনতা, অলসতা এবং কার্যকারণিক নিয়মকে উপেক্ষা করার এক আত্মঘাতী মানসিকতা।

তাওয়াক্কুল - আল্লাহর উপর ভরসা ও কর্মচেষ্টার সংযোগ

করিম সাহেব হতাশ হয়ে মনে মনে ভাবতে লাগলেন, "আমি তো আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা করেছিলাম, তবে কেন আমার অবস্থা আরও খারাপ হলো?" এখানেই নিহিত রয়েছে আধুনিক মুসলিম সমাজের একটি সবচেয়ে বড় ভুল ধারণা ও বিভ্রান্তি। করিম সাহেব যাকে 'তাওয়াক্কুল' বা ভরসা ভেবেছিলেন, তা প্রকৃতপক্ষে তাওয়াক্কুল ছিল না; তা ছিল দায়িত্বহীনতা, অলসতা এবং কার্যকারণিক নিয়মকে উপেক্ষা করার এক আত্মঘাতী মানসিকতা।

তাওয়াক্কুল - আল্লাহর উপর ভরসা ও কর্মচেষ্টার সংযোগ

আমাদের সাথে থাকুন এবং সোশ্যাল মিডিয়াতে আমাদের ফলো করুন।

আমাদের সাথে থাকুন এবং সোশ্যাল মিডিয়াতে আমাদের ফলো করুন।

Create a free website with Framer, the website builder loved by startups, designers and agencies.