কাবাঘরের রক্তাক্ত ইতিহাস – যেদিন কাবাঘর ১৫ দিনের জন্য জিম্মি হয়ে গিয়েছিল

Nov 23, 2025

১৯৭৯ সালের ২০শে নভেম্বর তারিখটি মুসলিম জাহানের ইতিহাসে এক কালো অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত। ১৯৭৯ সালের ২০ নভেম্বর, মঙ্গলবার, ফজরের আজানের কিছুক্ষণ আগে। হিজরি ১ মুহাররম ১৪০০ – ঠিক ইসলামি নতুন শতাব্দীর প্রথম দিন। যখন বিশ্বের প্রায় এক লক্ষ ধর্মপ্রাণ মুসল্লি মক্কার মসজিদুল হারাম বা কাবা ঘরে ফজরের নামাজের জন্য সমবেত হয়েছিলেন, তখন যা ঘটেছিল তা কেউ দুঃস্বপ্নেও কল্পনা করেনি। হঠাৎ গুলির শব্দ, চিৎকার আর একটি ঘোষণা “ইমাম মাহদি আগমন করেছেন!” পবিত্রতম স্থানে সশস্ত্র হামলা, জিম্মি সংকট এবং দু’সপ্তাহ ধরে পৃথিবীর কেন্দ্রে তাওয়াফ ও নামাজ বন্ধ থাকার ঘটনা - এই সবকিছুই মুসলিম বিশ্বের ভিত্তিকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। কাবা শরিফে তাওয়াফ বন্ধ, আজান বন্ধ, জামাত বন্ধ – এমনকি হারাম শরিফের ভেতরে রক্তের নদী বইল। এই ঘটনা আজও “গ্র্যান্ড মস্ক সিজ” বা “কাবা দখলকান্ড” নামে পরিচিত।

১লা মুহাররম, ১৪০০ হিজরি: নীরবতার আগে ঝড়

হিজরি নতুন শতাব্দীর সূচনালগ্ন এবং হজ পরবর্তী সময়ে কাবা শরীফের পরিবেশ সাধারণত ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পূর্ণ থাকে। কিন্তু এই দিনটি ছিল অন্যরকম।

জিম্মি সংকটের পূর্বাভাস: সেদিন ফজরের জামা'আতে প্রায় এক লক্ষ মুসল্লি উপস্থিত ছিলেন। জামা'আত শুরুর ঠিক আগে বেশ কয়েকটি কফিন আনা হয়েছিল, যা ছিল একটি সাধারণ দৃশ্য। কারণ, ফরজ নামাজের পরে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হওয়া ছিল পবিত্র কাবার নিয়মিত প্রথা। কিন্তু সেদিন কফিনের সংখ্যা স্বাভাবিকের চেয়ে সামান্য বেশি ছিল, যদিও তা নিয়ে কেউ সন্দিহান হননি। এটি ছিল জুহাইমান আল-ওতাইবির নেতৃত্বাধীন চরমপন্থী গোষ্ঠীর চাতুর্যপূর্ণ কৌশল।

পবিত্রতার লঙ্ঘন - অস্ত্রের উন্মোচন: ইমামতি করার জন্য শায়খ মোহাম্মাদ আল-সুবাইল এগিয়ে গেলে, কফিন বহনকারীরা তাকে সরিয়ে দেয়। এই সময় তারা কফিনের ঢাকনা খুলে ফেলে এবং দেখা যায়—ভেতরে লাশ নয়, বরং ভর্তি ছিল স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র। সঙ্গে সঙ্গে শূন্যে গুলি ছুঁড়ে একজন উচ্চস্বরে ঘোষণা করে: "ইমাম মাহদি আবির্ভূত হয়েছেন!"

অস্ত্রধারীরা দ্রুতগতিতে হেরেম শরীফের বিভিন্ন কৌশলগত স্থানে অবস্থান নেয় এবং সমস্ত প্রবেশদ্বার শিকল দিয়ে তালাবদ্ধ করে দেয়। এতে বাধা দিতে গিয়ে নিরস্ত্র দু'জন সৌদি পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে গুলিতে নিহত হন। চোখের পলকে হতবিহ্বল লক্ষাধিক মুসল্লি জিম্মি হয়ে যান। পবিত্রতম স্থানটিতে প্রথমবারের মতো রক্তপাত হয়।

ইমাম মাহদির ঘোষণা ও বায়াত: জিম্মি অবস্থায়, প্রধান ফটকের কাছে কাবা শরীফের সামনে দাঁড়িয়ে বিদ্রোহী নেতা জুহাইমান আল-ওতাইবি একটি প্ররোচনামূলক ভাষণ দেন। এরপর তিনি তার ভগ্নিপতি মোহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ আল-কাহতানি-কে প্রতীক্ষিত 'ইমাম মাহদি' হিসেবে উপস্থাপন করেন। জুহাইমান নিজে সকলের সামনে তাঁর কাছে 'বায়াত' (আনুগত্যের শপথ) গ্রহণ করেন। এরপর সশস্ত্র দখলদাররা সমবেতভাবে বায়াত গ্রহণ করে এবং জিম্মি মুসল্লিদের তাতে যোগ দেওয়ার জন্য আহ্বান জানায়।

দখলদারদের দাবি ও বিভ্রান্তির কৌশল

দখলদাররা শুধুমাত্র অস্ত্র হাতে কাবার দখল নেয়নি, বরং তারা ধর্মীয় প্রচার এবং দাবির মাধ্যমে মুসলিম বিশ্বে এক গুরুতর বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করে।

রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে ফতোয়া: দখলদাররা হেরেম শরীফের মাইক ব্যবহার করে তাদের বক্তব্য ও মূল দাবি-দাওয়া পেশ করতে থাকে। তাদের মূল দাবি ছিল, "যেহেতু ইমাম মাহদি আবির্ভূত হয়েছেন, তাই সৌদ বংশের রাজত্ব শেষ। মাহদির হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে সৌদ পরিবারকে দেশ থেকে চলে যেতে হবে।" জুহাইমান গোষ্ঠী সৌদ সরকারকে পশ্চিমা সমর্থক, দুর্নীতিগ্রস্ত এবং ইসলামের সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত বলে অভিযুক্ত করত।

ধর্মীয় প্রেক্ষাপট ও কৌশলগত সময়: জুহাইমান গোষ্ঠী দাবি করে, তাদের ইমাম মাহদি হাদিসে বর্ণিত সকল পরিচয়ের সাথে মিলে যান।

  • নামের মিল: কথিত ইমাম মাহদির নাম ও তাঁর পিতার নাম এবং নবী (সাঃ)-এর নাম ও পিতার নামের সাথে মিলে গিয়েছিল।

  • মুজাদ্দিদের ধারণা: পাশাপাশি, ইসলামি বিশ্বাস অনুসারে প্রতি শতাব্দীর শুরুতে একজন 'মুজাদ্দিদ' (সংস্কারক) আবির্ভূত হবেন বলে বর্ণনা আছে। সেই দিনটি ছিল হিজরি নতুন শতাব্দীর (১৪০০ হিজরি) প্রথম দিন—যা তাদের দাবিকে আরও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলেছিল।

  • জুহাইমানের প্রজ্ঞা: জুহাইমান আল-ওতাইবি নিজে একজন বড় মাপের আলেম ও ওয়াহাবি মতাদর্শের অনুসারী ছিলেন। তাঁর ধর্মীয় প্রজ্ঞার কারণে সৌদি আলেমদের মধ্যেও দ্বিধা দেখা দিয়েছিল যে, এত বড় একজন আলেম 'না বুঝে' এমন ভয়ঙ্কর অন্যায় করতে পারেন না।

গোপনীয়তা, আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া ও রক্তপাতের জটিলতা

কাবা দখলের খবরটি প্রাথমিকভাবে গোপন রাখার চেষ্টা করা হলেও তা দ্রুত আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় ফাঁস হয়ে যায়, যার ফলে মুসলিম বিশ্বজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।

অপারেশন শুরুর গোপন পরিকল্পনা: হারাম শরীফে অস্ত্র বহন করা নিষিদ্ধ থাকায় সেখানে নিয়োজিত পুলিশরাও নিরস্ত্র ছিলেন। দখলকারীদের স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের কাছে নিরস্ত্র পুলিশ বাহিনী ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। সৌদি সরকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মক্কা থেকে সকলকে সরিয়ে দেয় এবং আন্তর্জাতিক টেলিফোন সার্কিট বন্ধ করে দেয়। তাদের পরিকল্পনা ছিল, ঘটনাটি গোপন রেখে দ্রুত উদ্ধার অভিযান শেষ করা।

আমেরিকার দিকে সন্দেহের তীর: কিন্তু আন্তর্জাতিক মিডিয়ার কাছে খবরটি ফাঁস হয়ে গেলে বিশ্বজুড়ে মুসলিমরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। সদ্য সফল ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ্‌ খোমেনি তাৎক্ষণিক রেডিও ভাষণে এই ঘটনার জন্য আমেরিকাকে সরাসরি দায়ী করেন। এর ফলস্বরূপ, পাকিস্তান ও লিবিয়ায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসগুলোতে হামলা হয়। পাকিস্তানের দূতাবাস ভাঙচুর ও পুড়িয়ে মাটিতে মিশিয়ে দেওয়া হয়, এবং লিবিয়াতেও একই ধরনের ঘটনা ঘটে।

ধর্মীয় ফতোয়া এবং রক্তপাতের জটিলতা: ইসলামিক আইন অনুসারে, হারাম শরীফে রক্তপাত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এই নীতি উদ্ধার অভিযান নিয়ে চরম জটিলতা সৃষ্টি করে। সৌদি কর্তৃপক্ষ দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য শীর্ষস্থানীয় আলেমদের শরণাপন্ন হন। আলেমদের দীর্ঘ আলোচনার পর এই মর্মে ফতোয়া জারি হয়:

  • সামরিক বিশেষজ্ঞরা অন্য কোনো উপায় বের করতে না পারলে দখলদারদের আত্মসমর্পণের জন্য পর্যাপ্ত আহ্বান জানাতে হবে।

  • তাতে কাজ না হলে, আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার করে রক্তপাতের ঝুঁকি নেওয়া যেতে পারে।

  • তবে, যত কম রক্তপাতের মাধ্যমে কাজটি সারা যায়—সেই দিকে সর্বোচ্চ জোর দিতে হবে।

ব্যর্থ কৌশল এবং বিদেশী কমান্ডোর আগমন

সৌদি কর্তৃপক্ষ প্রথমে সামরিক অভিযানের বদলে সময়ক্ষেপণের কৌশলে দখলদারদের পরাজিত করার চেষ্টা করে, কিন্তু তা ব্যর্থ হয়।

উপবাসের কৌশল ব্যর্থ: সরকার ভেবেছিল, অবরুদ্ধ অবস্থায় খাবার ও পানির অভাবে দখলদাররা দুর্বল ও ক্ষুধার্ত হয়ে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হবে। কিন্তু দেখা গেল - দখলদাররা প্রচুর পরিমাণে খেজুর এবং অন্যান্য শুকনো খাবার নিয়ে প্রবেশ করেছিল, এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, জমজম কূপ তাদের দখলেই ছিল। ফলে, এই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।

স্নাইপার আক্রমণ ও অভিযানের ব্যর্থতা: সৌদি বাহিনী কয়েকটি অভিযান চালিয়েছিল, কিন্তু দখলদারদের কৌশলগত সুবিধাজনক অবস্থান, বিশেষ করে মিনারগুলি থেকে স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র ও স্নাইপার আক্রমণে সেইসব অভিযানগুলো বারবার ব্যর্থ হয়। দখলদারদের মূল সুবিধা ছিল যে তারা অসংখ্য জিম্মি নিয়ে অবস্থান করছিল, ফলে তাদের ওপর সরাসরি কনভেনশনাল (প্রচলিত) আক্রমণ করা ছিল প্রায় অসম্ভব।

ফ্রান্স ও পাকিস্তানের সহযোগিতা: অসহায় অবস্থায় সৌদি সরকার অতি গোপনে বন্ধু রাষ্ট্রগুলোর কাছে কৌশলগত সহযোগিতা চায়।

  • ফরাসি পরামর্শ: ফ্রান্সের বিশ্বখ্যাত GIGN কমান্ডো দল পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে এসেছিল। কিন্তু তারা অভিযান চালাতে অস্বীকার করে। তারা পরামর্শ দেয়, এই ধরনের অপারেশনের জন্য 'মরার জন্য প্রস্তুত' (Suicidal) কমান্ডো প্রয়োজন, যা তারা নিজে সরবরাহ করতে পারবে না।

  • পাকিস্তানের SSG কমান্ডো: বিশ্বের এতগুলো মুসলিম দেশের মধ্যে একমাত্র পাকিস্তানই কাবার পবিত্রতা রক্ষায় 'মরার জন্য প্রস্তুত' এসএসজি কমান্ডো দল পাঠাতে রাজি হয়। এই কমান্ডো দলই শেষ পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। সেই কমান্ডো দলের একজন তরুণ মেজর ছিলেন, যিনি পরবর্তীতে পাকিস্তানের জেনারেল এবং প্রেসিডেন্ট পারভেজ মুশাররফ হয়েছিলেন।

চূড়ান্ত অভিযান ও পরিণাম

দীর্ঘ দু’সপ্তাহের অবরোধের পর, পাকিস্তানি কমান্ডোদের কৌশলগত আক্রমণে মসজিদুল হারাম অবশেষে দখলমুক্ত হয়।

কৌশলগত আক্রমণ: পাক এসএসজি কমান্ডোরা মসজিদুল হারামের ভেতরে প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করার জন্য কয়েকটি কৌশল অবলম্বন করে:

  • জলের কৌশল: তারা দমকলের সাহায্যে গেটের ভেতরে প্রচুর পরিমাণে পানি নিক্ষেপ করে। এই পানিতে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়, যার ফলে ভেতরে থাকা অনেক দখলদার আহত ও নিহত হয়।

  • চেতনানাশক গ্যাস: এরপরে হারাম শরীফের অভ্যন্তরে চেতনানাশক গ্যাস ছুঁড়ে দেওয়া হয়। যদিও সন্ত্রাসীরা গ্যাস মাস্ক নিয়ে প্রবেশ করেছিল, কিন্তু এই গ্যাসের প্রভাবে অনেক জিম্মি ও কিছু দখলদার সাময়িকভাবে অচেতন হয়ে যায়।

মসজিদুল হারাম দখলমুক্ত: এই কৌশলগত আক্রমণের সুযোগ নিয়ে পাক এসএসজি কমান্ডোরা ভেতরে প্রবেশ করে চূড়ান্ত অভিযান চালিয়ে মসজিদুল হারাম দখলমুক্ত করে। পুরো দুই সপ্তাহ ধরে বন্ধ থাকার পর, ৪ ডিসেম্বর ১৯৭৯ তারিখে কাবা ঘর তাওয়াফ এবং নামাজ পড়ার জন্য পুনরায় উন্মুক্ত হয়।

হতাহতের সংখ্যা ও শাস্তি: উদ্ধার অভিযানে উভয় পক্ষেরই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়:

  • দখলদার: ২৫৫ জন নিহত এবং ৫৬০ জন আহত হয়। কথিত ইমাম মাহদি গুলিতে নিহত হয়।

  • সামরিক/নিরাপত্তা বাহিনী: ১২৭ জন নিহত এবং ৪৫১ জন আহত হন।

  • জিম্মি ও অন্যান্য: সরকারিভাবে হতাহতের কোনো সঠিক সংখ্যা প্রকাশ করা হয়নি, তবে জিম্মিদের মধ্যে অনেকের মৃত্যু হয়েছিল।

মাস্টারমাইন্ড জুহাইমান আল-ওতাইবি তার ৬৭ জন অনুসারীসহ গ্রেফতার হন। পরবর্তীতে সৌদি আদালত তাদের সকলকেই মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে।

কাবার সেই দিনটির ঐতিহাসিক প্রভাব

১৯৭৯ সালের সেই '২০শে নভেম্বর' একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছিল না। এত বড় ঘটনা দানা বেঁধে ওঠার পেছনে ছিল সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অসন্তোষ, অর্থনৈতিক বৈষম্য, এবং রাজতন্ত্রের পশ্চিমা-ঘেঁষা নীতির প্রতি কট্টরপন্থীদের ঘৃণা।

এই ঘটনা মুসলিম বিশ্বের ওপর সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলে:

  • সৌদি রাজতন্ত্রের পরিবর্তন: এই ঘটনার পর সৌদ সরকার আরও রক্ষণশীল নীতি গ্রহণ করতে বাধ্য হয় এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

  • রাজনৈতিক চরমপন্থা: এই ঘটনা বিশ্বজুড়ে ধর্মীয় চরমপন্থার উত্থানকে আরও উৎসাহিত করে।

কাবা অবরোধের এই দুঃস্বপ্ন মানব ইতিহাসে ধর্মীয় পবিত্রতা ও রাজনৈতিক সংঘাতের এক কঠিন উদাহরণ হয়ে থাকবে। এই ঘটনা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, চরমপন্থা এবং ভুল ব্যাখ্যার পরিণতি কত ভয়াবহ হতে পারে, এমনকি পৃথিবীর পবিত্রতম স্থানেও শান্তি বিঘ্নিত হতে পারে।

Related Posts

More Article by Moynamoti

আমাদের সাথে থাকুন এবং সোশ্যাল মিডিয়াতে আমাদের ফলো করুন।

আমাদের সাথে থাকুন এবং সোশ্যাল মিডিয়াতে আমাদের ফলো করুন।

আমাদের সাথে থাকুন এবং সোশ্যাল মিডিয়াতে আমাদের ফলো করুন।

Create a free website with Framer, the website builder loved by startups, designers and agencies.