মব ভায়োলেন্স সন্ত্রাস ইসলাম কি এগুলো সমর্থন করে?

Dec 25, 2025

ছবিতে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর আবারো ভাঙছেন এক হুজুর। তাকে হয়তো বলা হয়েছে প্রতিটি ইট ভাঙার জন্য ১০টি করে নেকী পাওয়া যাবে বা একজন করে হুরের সাক্ষাত পাওয়া যাবে! বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে 'মব ভায়োলেন্স' বা দলবদ্ধ উন্মত্ততা একটি ভয়াবহ ব্যাধি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। বিশেষ করে জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, পিটিয়ে মারা এবং স্থাপনা ধ্বংসের মতো ঘটনাগুলো আমাদের বিবেককে দংশন করছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলের মর্মান্তিক ঘটনা থেকে শুরু করে খাগড়াছড়ির সহিংসতা কিংবা ঐতিহাসিক স্থাপনায় ভাঙচুর প্রতিটি ঘটনাই আমাদের আইনের শাসন ও মানবিক মূল্যবোধকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে। আরও ভীতিজনক বিষয় হলো, অনেক ক্ষেত্রে এই বিশৃঙ্খলাকে ধর্মীয় স্লোগান বা লেবাস দিয়ে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

যখন এই ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের সাথে ধর্মীয় লেবাস বা স্লোগান যুক্ত হয়, তখন প্রশ্ন ওঠে শান্তি ও ন্যায়ের ধর্ম ইসলাম কি আদৌ এই 'জঙ্গল আইন' সমর্থন করে? আজ আমরা কুরআন, সুন্নাহ এবং ইতিহাসের আলোকে মব কালচারের অসারতা এবং এর ভয়াবহ পরিণাম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।

মব জাস্টিস বনাম ইসলাম - উন্মত্ততা কি কখনো ইবাদত হতে পারে?

আমাদের যাপিত জীবনে ন্যায়বিচার বা 'জাস্টিস' একটি পবিত্র শব্দ। কিন্তু যখন এই ন্যায়ের আগে 'মব' শব্দটি যুক্ত হয়, তখন তা আর ন্যায়বিচার থাকে না, বরং তা হয়ে ওঠে একটি সুসংগঠিত অপরাধ। বিগত দেড় বছরে বাংলাদেশে অসংখ্যবার 'মব ভায়োলেন্স' বা গণপিটুনির ঘটনা ঘটেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে খাগড়াছড়ি, কিংবা ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের মতো ঐতিহাসিক স্থাপনায় ভাঙচুর সবখানেই একদল মানুষের উন্মত্ততা দেখা গেছে। দুঃখজনক বিষয় হলো, অনেক ক্ষেত্রে এই সংঘাতের পেছনে ধর্মীয় উস্কানি বা ভুল ব্যাখ্যা কাজ করে। কোনো স্থাপনার ইট ভাঙলে সওয়াব হবে কিংবা কাউকে আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে শাস্তি দিলে জান্নাত পাওয়া যাবে এমন ভ্রান্ত ধারণা সমাজে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা এর সম্পূর্ণ বিপরীত। ধর্মীয় ভুল ব্যাখ্যা এবং অন্ধ আবেগ কাজে লাগিয়ে একদল মানুষ যখন মনে করে যে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়াই ধর্মের বিজয়, তখন বুঝতে হবে আমরা এক ভয়াবহ অন্ধকার সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি।

ইসলামের দৃষ্টিতে জীবনের মূল্য

ইসলামে একজন মানুষের জীবনের মূল্য এতটাই বেশি যে, একে সমগ্র মানবজাতির অস্তিত্বের সাথে তুলনা করা হয়েছে। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন:

“যে কেউ একজন নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করল, সে যেন সমগ্র মানবজাতিকে হত্যা করল।” - (সূরা আল-মায়িদা: ৩২)

এই আয়াতটি স্পষ্টভাবে বলে দেয় যে, কোনো ব্যক্তি যদি কোনো বিচারিক প্রক্রিয়া ছাড়া, শুধুমাত্র সন্দেহের বশে বা রাগের বশে একজনকে হত্যা করে, তবে সে আল্লাহর কাছে সমগ্র মানবজাতিকে হত্যার অপরাধে অপরাধী হবে। মব ভায়োলেন্সে যখন শত শত মানুষ মিলে একজনকে পিটিয়ে মারে, তখন সেখানে ইনসাফ থাকে না, থাকে কেবল জিঘাংসা। ইসলাম এই পৈশাচিকতাকে ঘৃণা করে।

ইসলামের দৃষ্টিতে 'জঙ্গল আইন' বা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া

ইসলাম একটি সুশৃঙ্খল জীবন বিধান। সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে কাউকে রাস্তায় পিটিয়ে মারবে ইসলাম এমন জঙ্গল আইনের বিন্দুমাত্র অবকাশ দেয়নি। এখানে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। অপরাধীর বিচার করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের এবং বিচারবিভাগের। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর যুগে বা খোলাফায়ে রাশেদীনের আমলে কোনো ব্যক্তি বা মব কোনো অপরাধীকে শাস্তি দেওয়ার অধিকার রাখত না।

বিচার প্রক্রিয়ার জন্য প্রয়োজন সাক্ষ্য-প্রমাণ, আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ এবং নিরপেক্ষ বিচারক। কিন্তু মব জাস্টিসে একজন অভিযুক্তকে কথা বলার সুযোগ পর্যন্ত দেওয়া হয় না। কোনো গুজব বা সাময়িক উত্তেজনার বশে মানুষকে পিটিয়ে মেরে ফেলা ইসলামের 'শরীয়াহ' বা 'ইনসাফ' কোনোটির মধ্যেই পড়ে না। এটি মূলত জাহেলিয়াতের যুগের সেই গোত্রীয় উন্মত্ততা, যা ইসলাম এসে মিটিয়ে দিয়েছিল।

মব ভায়োলেন্স ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড - একটি মানবতাবিরোধী অপরাধ

জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী বাংলাদেশে আমরা দেখেছি মানুষ চোর সন্দেহে বা ভিন্ন মতাবলম্বী হওয়ার কারণে দলবদ্ধভাবে কাউকে পিটিয়ে হত্যা করছে। ইসলামের পরিভাষায় একে 'ফিতনা' বা বিশৃঙ্খলা বলা হয়। কুরআনুল কারীমে আল্লাহ বলেন:

"ফিতনা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা হত্যাকাণ্ড অপেক্ষা গুরুতর অপরাধ।" (সূরা বাকারা: ১৯১)

যখন একদল মানুষ কাউকে ঘিরে ধরে আঘাত করে, তখন সেখানে মানবিকতা তো থাকেই না, বরং পশুর চেয়েও অধম আচরণের বহিঃপ্রকাশ ঘটে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা জাহাঙ্গীনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যখন এ ধরনের নৃশংসতা ঘটে, তখন তা জাতীয় লজ্জায় পরিণত হয়। যারা মনে করেন কাউকে আইনবহির্ভূতভাবে শাস্তি দিলে 'সওয়াব' হবে, তারা আসলে ইসলামের নামে জঘন্যতম মিথ্যাচার করছেন। রাসুল (সা.) বলেছেন:

"প্রকৃত মুসলমান সেই ব্যক্তি, যার জবান ও হাত থেকে অন্য মুসলমান নিরাপদ থাকে।" (সহীহ বুখারী)

শত্রুর প্রতিও ন্যায়বিচার - কুরআনের কঠোর নির্দেশ

অনেক সময় দেখা যায়, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বা ভিন্ন মতাদলম্বীদের ওপর মব হামলা চালানো হয়। রাগের অজুহাতে এই অন্যায়কে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা চলে। কিন্তু আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে আমাদের সতর্ক করে বলেছেন:

"হে মুমিনগণ! তোমরা ন্যায়ের ওপর দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত থাকো এবং আল্লাহর ওয়াস্তে সত্য সাক্ষ্য দাও, যদিও তা তোমাদের নিজেদের কিংবা পিতা-মাতা ও আত্মীয়-স্বজনের বিরুদ্ধে যায়।" (সূরা নিসা: ১৩৫)

“হে ঈমানদারগণ! তোমরা ন্যায়ের ওপর অবিচল থাকো... কোনো জাতির প্রতি শত্রুতা যেন তোমাদেরকে অন্যায় (বেইনসাফি) করতে প্ররোচিত না করে। ইনসাফ করো, এটিই তাকওয়ার নিকটতর।” - (সূরা আল-মায়িদা: ৮)

অর্থাৎ, আপনার চরম শত্রু যদি আপনার সামনে অপরাধী হিসেবেও আসে, তবুও আপনি তাকে প্রহার করার বা হত্যার অধিকার রাখেন না যতক্ষণ না ন্যায়বিচারের মাধ্যমে তার সাজা নির্ধারিত হচ্ছে। এখানে স্পষ্ট যে, বিচার হবে তথ্য-প্রমাণ ও সাক্ষ্যের ভিত্তিতে, মানুষের ক্ষোভের ভিত্তিতে নয়। মব ভায়োলেন্স মূলত তাকওয়া বা আল্লাহভীতির সম্পূর্ণ বিরোধী একটি কাজ।

কোনো ব্যক্তি যদি অপরাধীও হয়, তবুও তার অপরাধ প্রমাণের আগে তাকে আক্রমণ করার অধিকার ইসলাম সাধারণ মানুষকে দেয়নি। রাসূলে কারীম (সা.) মক্কা বিজয়ের দিন তাঁর চরম শত্রুদের প্রতিও সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছিলেন, যা প্রমাণ করে যে প্রতিশোধ নয়, বরং শৃঙ্খলাই ইসলামের মূল কথা।

স্থাপনা ধ্বংস ও ভাস্কর্য ভাঙচুর ইসলাম কি সমর্থন করে?

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় স্থাপনায় আক্রমণ চালানো হয়েছে। অনেকে ধর্মীয় আবেগ ব্যবহার করে বলছেন যে, এসব ইট-পাথর ভাঙলে তারা জান্নাত লাভ করবেন। অথচ ইতিহাস বলে ভিন্ন কথা। সাহাবায়ে কেরাম যখন পারস্য বা রোমান এলাকা জয় করেছিলেন, তখন তারা সেখানকার হাজার বছরের পুরোনো কোনো প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা বা উপাসনালয় ধ্বংস করেননি।

ইসলামের শিক্ষা হলো সম্পদ ধ্বংস করা অপচয় এবং এটি শয়তানের কাজ। তাছাড়া কোনো স্থাপনা বা ব্যক্তির বিচার করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। ব্যক্তিগতভাবে দল গঠন করে কারো বাড়িঘরে আগুন দেওয়া বা স্থাপনা ভাঙচুর করা 'ফ্যাসাদ ফিল আরদ' বা জমিনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির শামিল। পবিত্র কুরআনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে:

"তোমরা পৃথিবীতে শান্তি স্থাপনের পর সেখানে বিপর্যয় সৃষ্টি করো না।" (সূরা আরাফ: ৫৬)

মুসলিমের সম্মান ও রক্ত - রাসুল (সা.)-এর ঘোষণা

বিদায় হজের ভাষণে রাসুলুল্লাহ (সা.) মানবজাতির মৌলিক অধিকারের যে সনদ পেশ করেছিলেন, তাতে রক্ত এবং সম্মানের বিষয়টি ছিল সবার উপরে। তিনি বলেছিলেন:

“নিশ্চয়ই তোমাদের রক্ত, তোমাদের সম্পদ এবং তোমাদের সম্মান একে অপরের জন্য হারাম (পবিত্র)।” - (সহিহ মুসলিম)

আজ যখন আমরা দলবদ্ধ হয়ে কাউকে অপমান করি, ন্যাড়া করে দিই বা পিটিয়ে রক্তাক্ত করি, তখন আমরা রাসুল (সা.)-এর সেই পবিত্র ঘোষণাকে পদদলিত করছি। একজন মানুষকে মারলে শুধু তার শরীর জখম হয় না, বরং তার পরিবার, তার ভবিষ্যৎ এবং তার মানবিক মর্যাদা ধুলোয় মিশে যায়। ইসলাম এই অসম্মান সমর্থন করে না।

উস্কানি ও গুজব - মব সন্ত্রাসের প্রধান জ্বালানি

মব ভায়োলেন্স বা দলবদ্ধ আক্রমণের মূল কারণ হলো যাচাই না করে কোনো তথ্যের ওপর ভিত্তি করে উত্তেজিত হওয়া। মব সন্ত্রাসের সবচেয়ে বড় জ্বালানি হলো 'গুজব'। আমরা কোনো তথ্য যাচাই না করেই একজনের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ি। ইসলামে গুজব ছড়ানো বা কোনো খবর শুনেই লাফিয়ে ওঠাকে কঠিনভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কুরআন আমাদের নির্দেশ দিয়েছে:

“যদি কোনো পাপাচারী ব্যক্তি তোমাদের কাছে কোনো সংবাদ নিয়ে আসে, তবে তা যাচাই করো” (সূরা হুজুরাত: ৬)

আজকাল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোস্ট দেখেই মানুষ বিচারকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়। অথচ কোনো মানুষকে আঘাত করার আগে তার সত্যতা নিশ্চিত করা এবং রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করাই ছিল প্রকৃত মুমিনের কাজ। কাউকে না জেনে 'কাফের' বা 'মোনাফেক' তকমা দিয়ে তার ওপর হামলা চালানো ইসলামের দৃষ্টিতে চরম মূর্খতা। এই উন্মত্ততা আমাদের সমাজকে একটি অন্ধকার 'স্টেট অফ নেচার' বা আদিম অরাজকতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকি - কাশ্মীর মডেলের আশঙ্কা

বর্তমানে বাংলাদেশের অস্থিতিশীলতাকে কাজে লাগিয়ে কোনো বিশেষ গোষ্ঠী বা বিদেশি শক্তি দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে কিনা - তা নিয়ে বিজ্ঞ মহলে উদ্বেগ রয়েছে। অরাজকতা এবং মব ভায়োলেন্স যদি চলতেই থাকে, তবে বহির্বিশ্বের কাছে বাংলাদেশ একটি ব্যর্থ রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত হবে। অনেকে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন যে, অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার সুযোগ নিয়ে স্বার্থান্বেষী মহল বাংলাদেশকে ভারত ও পাকিস্তানের ছায়া-যুদ্ধের ময়দান বানাতে চাচ্ছে। যেমনটি কাশ্মীরে আমরা দেখি - যেখানে দুই দেশের লড়াইয়ের মাঝে পিষ্ট হয় সাধারণ জনগণ। বাংলাদেশে যদি শান্তি ও আইনের শাসন না থাকে, তবে আমাদের সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়তে পারে।

আপনি কি ইসলামের পক্ষে নাকি উন্মত্ততার পক্ষে?

মব ভায়োলেন্স কোনো সমাধান নয়, বরং এটি নতুন নতুন বিবাদের জন্ম দেয়। আজ আপনি অন্যকে মারছেন, কিন্তু কাল যদি আপনি নিজেই এই উন্মত্ত ভিড়ের সামনে পড়েন, তবে আপনাকে বাঁচানোর কেউ থাকবে না। ইসলাম বিচার চায়, কিন্তু উন্মত্ততা চায় না। ইসলাম ইনসাফ চায়, কিন্তু প্রতিশোধের নামে নৈরাজ্য চায় না।

আসুন আমরা প্রশ্ন করি আমরা কি নিজেদের রাগ আর ক্ষোভকে 'দ্বীন' বা ধর্ম বানাচ্ছি? ইসলামের নামে কোনো স্থাপনা ভাঙা বা মানুষ হত্যা করা সওয়াবের কাজ নয়, বরং এটি কবীরা গুনাহ। দেশকে যদি আমরা ভালোবাসতে চাই, তবে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। মব সন্ত্রাস রুখে দিয়ে ইনসাফ কায়েম করাই হোক আমাদের ঈমানী দায়িত্ব।

More Article by Moynamoti

আমাদের সাথে থাকুন এবং সোশ্যাল মিডিয়াতে আমাদের ফলো করুন।

আমাদের সাথে থাকুন এবং সোশ্যাল মিডিয়াতে আমাদের ফলো করুন।

আমাদের সাথে থাকুন এবং সোশ্যাল মিডিয়াতে আমাদের ফলো করুন।

Create a free website with Framer, the website builder loved by startups, designers and agencies.