ভারত
বিশ্ব রাজনীতি, অর্থনীতি ও আঞ্চলিক কূটনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবশালী দেশ ভারত সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য ও আপডেটেড তথ্য জানা বর্তমান সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ, সংস্কৃতি, প্রযুক্তি, শিক্ষা, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক কিংবা সীমান্ত ও আঞ্চলিক বিভিন্ন ইস্যু ভারতের প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রতিনিয়ত ঘটছে নানা গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন। ভারত সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়, বিশ্লেষণ ও সর্বশেষ তথ্য জানা দক্ষিণ এশিয়ার সামগ্রিক প্রেক্ষাপট বুঝতে, সমসাময়িক ঘটনাবলি সম্পর্কে সচেতন থাকতে এবং তথ্যভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে সহায়ক হতে পারে।

ভারত
বিশ্ব রাজনীতি, অর্থনীতি ও আঞ্চলিক কূটনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবশালী দেশ ভারত সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য ও আপডেটেড তথ্য জানা বর্তমান সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ, সংস্কৃতি, প্রযুক্তি, শিক্ষা, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক কিংবা সীমান্ত ও আঞ্চলিক বিভিন্ন ইস্যু ভারতের প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রতিনিয়ত ঘটছে নানা গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন। ভারত সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়, বিশ্লেষণ ও সর্বশেষ তথ্য জানা দক্ষিণ এশিয়ার সামগ্রিক প্রেক্ষাপট বুঝতে, সমসাময়িক ঘটনাবলি সম্পর্কে সচেতন থাকতে এবং তথ্যভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে সহায়ক হতে পারে।

ভারত
বিশ্ব রাজনীতি, অর্থনীতি ও আঞ্চলিক কূটনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবশালী দেশ ভারত সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য ও আপডেটেড তথ্য জানা বর্তমান সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ, সংস্কৃতি, প্রযুক্তি, শিক্ষা, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক কিংবা সীমান্ত ও আঞ্চলিক বিভিন্ন ইস্যু ভারতের প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রতিনিয়ত ঘটছে নানা গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন। ভারত সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়, বিশ্লেষণ ও সর্বশেষ তথ্য জানা দক্ষিণ এশিয়ার সামগ্রিক প্রেক্ষাপট বুঝতে, সমসাময়িক ঘটনাবলি সম্পর্কে সচেতন থাকতে এবং তথ্যভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে সহায়ক হতে পারে।

ভারতের সংগঠিত অপরাধ এবং মাফিয়া জগতের ইতিহাস বহু বছরের পুরনো। এটি কেবল মুম্বাইয়ের অপরাধ সিন্ডিকেটের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং উত্তর ভারতের রক্তক্ষয়ী 'বাহুবলী' সংস্কৃতি, কিংবা দক্ষিণ ভারতের গহীন অরণ্যের ভয়াল দস্যুরাজের রূপ নিয়ে সমগ্র উপমহাদেশে ছড়িয়ে পড়েছিল। উপকূলীয় বোম্বাইয়ের (বর্তমান মুম্বাই) বন্দরকেন্দ্রিক সোনা ও বিদেশি পণ্যের চোরাচালান থেকে শুরু করে ভারতের রিয়েল এস্টেট দখল, বলিউড তারকাদের ভয় দেখিয়ে কোটি কোটি টাকার চাঁদা আদায়, জাল নোটের ব্যবসা, আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ এবং রাজনীতিতে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ ভারতের আন্ডারওয়ার্ল্ডের বিবর্তন ছিল অত্যন্ত রক্তক্ষয়ী ও রোমাঞ্চকর।
ভারতের সংগঠিত অপরাধ এবং মাফিয়া জগতের ইতিহাস বহু বছরের পুরনো। এটি কেবল মুম্বাইয়ের অপরাধ সিন্ডিকেটের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং উত্তর ভারতের রক্তক্ষয়ী 'বাহুবলী' সংস্কৃতি, কিংবা দক্ষিণ ভারতের গহীন অরণ্যের ভয়াল দস্যুরাজের রূপ নিয়ে সমগ্র উপমহাদেশে ছড়িয়ে পড়েছিল। উপকূলীয় বোম্বাইয়ের (বর্তমান মুম্বাই) বন্দরকেন্দ্রিক সোনা ও বিদেশি পণ্যের চোরাচালান থেকে শুরু করে ভারতের রিয়েল এস্টেট দখল, বলিউড তারকাদের ভয় দেখিয়ে কোটি কোটি টাকার চাঁদা আদায়, জাল নোটের ব্যবসা, আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ এবং রাজনীতিতে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ ভারতের আন্ডারওয়ার্ল্ডের বিবর্তন ছিল অত্যন্ত রক্তক্ষয়ী ও রোমাঞ্চকর।
উত্তর ভারতের রুক্ষ থর মরুভূমি থেকে শুরু করে দাক্ষিণাত্যের পাথুরে মালভূমি এবং পশ্চিমঘাট পর্বতমালা পর্যন্ত পুরো ভারতবর্ষজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে অজস্র ঐতিহাসিক দুর্গ। এই দুর্গগুলো কেবল শত্রুর আক্রমণ থেকে রাজ্য রক্ষার সামরিক ঘাঁটিই ছিল না; এগুলো ছিল এক একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ নগরী, উন্নত স্থাপত্যকলার প্রতীক, রাজকীয় ঐশ্বর্যের কেন্দ্রবিন্দু এবং যুগে যুগে ঘটে যাওয়া রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম ও রাজনৈতিক উত্থান-পতনের নীরব সাক্ষী।

উত্তর ভারতের রুক্ষ থর মরুভূমি থেকে শুরু করে দাক্ষিণাত্যের পাথুরে মালভূমি এবং পশ্চিমঘাট পর্বতমালা পর্যন্ত পুরো ভারতবর্ষজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে অজস্র ঐতিহাসিক দুর্গ। এই দুর্গগুলো কেবল শত্রুর আক্রমণ থেকে রাজ্য রক্ষার সামরিক ঘাঁটিই ছিল না; এগুলো ছিল এক একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ নগরী, উন্নত স্থাপত্যকলার প্রতীক, রাজকীয় ঐশ্বর্যের কেন্দ্রবিন্দু এবং যুগে যুগে ঘটে যাওয়া রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম ও রাজনৈতিক উত্থান-পতনের নীরব সাক্ষী।

কিন্তু ভারতের মহারাষ্ট্রে পশ্চিমঘাট পর্বতমালার (Western Ghats) বুক চিরে এমন এক দুর্গ মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে, যাকে কেবল দুর্গ বললে ভুল হবে এ যেন পদে পদে মৃত্যুর হাতছানি আর মানুষের তৈরি এক অকল্পনীয় স্থাপত্যের অভূতপূর্ব মেলবন্ধন। বলছি কলাবন্তী দুর্গ (Kalavantin Durg)-এর কথা। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২,৩০০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত এই খাড়া পাথুরে শৃঙ্গটিকে অনেক ঐতিহাসিক ও অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমী "বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক দুর্গ" (World's Most Dangerous Fortress) কিংবা "স্বর্গের সিঁড়ি" (Stairway to Heaven) বলে অভিহিত করেন।

কিন্তু ভারতের মহারাষ্ট্রে পশ্চিমঘাট পর্বতমালার (Western Ghats) বুক চিরে এমন এক দুর্গ মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে, যাকে কেবল দুর্গ বললে ভুল হবে এ যেন পদে পদে মৃত্যুর হাতছানি আর মানুষের তৈরি এক অকল্পনীয় স্থাপত্যের অভূতপূর্ব মেলবন্ধন। বলছি কলাবন্তী দুর্গ (Kalavantin Durg)-এর কথা। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২,৩০০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত এই খাড়া পাথুরে শৃঙ্গটিকে অনেক ঐতিহাসিক ও অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমী "বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক দুর্গ" (World's Most Dangerous Fortress) কিংবা "স্বর্গের সিঁড়ি" (Stairway to Heaven) বলে অভিহিত করেন।

কেরালার প্রাকৃতিক রূপের কথা উঠলে যার নাম একদম শীর্ষভাগে চলে আসে, তা হলো থিসুর (বা ত্রিশূর) জেলায় অবস্থিত মহিমান্বিত আথিরাপল্লি জলপ্রপাত (Athirappilly Waterfalls)। এস এস রাজামৌলি পরিচালিত বিশ্বব্যাপী ব্লকবাস্টার সিনেমা 'বাহুবলী: দ্য বিগিনিং'-এর সেই পরাবাস্তব ও প্রকাণ্ড জলপ্রপাতের দৃশ্যের কথা কার না মনে আছে? সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্র শিবুডু যে বিশালাকার জলপ্রপাত বেয়ে ওপরে ওঠার দুঃসাহসিক চেষ্টা চালিয়েছিল এবং যেখানে ‘ধীবরা’ (Dhivara) গানটির চিত্রায়ণ করা হয়েছিল, সেই পরাবাস্তব দৃশ্যের মূল ক্যানভাস ছিল এই আথিরাপল্লি।

কেরালার প্রাকৃতিক রূপের কথা উঠলে যার নাম একদম শীর্ষভাগে চলে আসে, তা হলো থিসুর (বা ত্রিশূর) জেলায় অবস্থিত মহিমান্বিত আথিরাপল্লি জলপ্রপাত (Athirappilly Waterfalls)। এস এস রাজামৌলি পরিচালিত বিশ্বব্যাপী ব্লকবাস্টার সিনেমা 'বাহুবলী: দ্য বিগিনিং'-এর সেই পরাবাস্তব ও প্রকাণ্ড জলপ্রপাতের দৃশ্যের কথা কার না মনে আছে? সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্র শিবুডু যে বিশালাকার জলপ্রপাত বেয়ে ওপরে ওঠার দুঃসাহসিক চেষ্টা চালিয়েছিল এবং যেখানে ‘ধীবরা’ (Dhivara) গানটির চিত্রায়ণ করা হয়েছিল, সেই পরাবাস্তব দৃশ্যের মূল ক্যানভাস ছিল এই আথিরাপল্লি।

বিশ্বের সর্ববৃহৎ গণতন্ত্রের দেশ ভারত তার ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক বৈচিত্র্যের জন্য বিশ্বজুড়ে সুপরিচিত। ভৌগোলিক ও প্রশাসনিক বিচারে ভারত একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় ইউনিয়ন। ভারতের প্রশাসনিক ব্যবস্থা প্রধানত ২৮টি রাজ্য (States) এবং ৮টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল (Union Territories) এই মোট ৩৬টি প্রশাসনিক বিভাগে বিভক্ত। ধর্মভিত্তিক জনমিতি (Demographics) বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, হিন্দুধর্মের পর ইসলাম হলো ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম অনুসৃত ধর্ম। ভারতের ২০১১ সালের সর্বশেষ সরকারি আদমশুমারি (Census 2011) অনুযায়ী, দেশটির মোট মুসলিম জনসংখ্যা প্রায় ১৭.২২ কোটি (১৭২.২ মিলিয়ন), যা ভারতের মোট জনসংখ্যার ১৪.২৩%।

বিশ্বের সর্ববৃহৎ গণতন্ত্রের দেশ ভারত তার ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক বৈচিত্র্যের জন্য বিশ্বজুড়ে সুপরিচিত। ভৌগোলিক ও প্রশাসনিক বিচারে ভারত একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় ইউনিয়ন। ভারতের প্রশাসনিক ব্যবস্থা প্রধানত ২৮টি রাজ্য (States) এবং ৮টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল (Union Territories) এই মোট ৩৬টি প্রশাসনিক বিভাগে বিভক্ত। ধর্মভিত্তিক জনমিতি (Demographics) বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, হিন্দুধর্মের পর ইসলাম হলো ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম অনুসৃত ধর্ম। ভারতের ২০১১ সালের সর্বশেষ সরকারি আদমশুমারি (Census 2011) অনুযায়ী, দেশটির মোট মুসলিম জনসংখ্যা প্রায় ১৭.২২ কোটি (১৭২.২ মিলিয়ন), যা ভারতের মোট জনসংখ্যার ১৪.২৩%।

দাক্ষিণাত্যের মালভূমির ওপর সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৯০০ মিটার উঁচুতে অবস্থিত, ১ কোটি ২০ লক্ষেরও বেশি মানুষের এই মহানগরী আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি বিশ্বে ভারতের মুখ উজ্জ্বল করে চলেছে। একসময় যে শহরকে ব্রিটিশ আমল বা স্বাধীন ভারতের সূচনালগ্নে শান্ত আবহাওয়ার জন্য ‘পেনশনার’স প্যারাডাইস’ (অবসরপ্রাপ্তদের স্বর্গরাজ্য) কিংবা সবুজে ঘেরা উদ্যানগুলোর জন্য ‘গার্ডেন সিটি’ (উদ্যান নগরী) বলা হতো, সেই শহরই আজ এক অভূতপূর্ব রূপান্তরের মধ্য দিয়ে অর্জন করেছে ‘ভারতের সিলিকন ভ্যালি’ খেতাব।

দাক্ষিণাত্যের মালভূমির ওপর সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৯০০ মিটার উঁচুতে অবস্থিত, ১ কোটি ২০ লক্ষেরও বেশি মানুষের এই মহানগরী আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি বিশ্বে ভারতের মুখ উজ্জ্বল করে চলেছে। একসময় যে শহরকে ব্রিটিশ আমল বা স্বাধীন ভারতের সূচনালগ্নে শান্ত আবহাওয়ার জন্য ‘পেনশনার’স প্যারাডাইস’ (অবসরপ্রাপ্তদের স্বর্গরাজ্য) কিংবা সবুজে ঘেরা উদ্যানগুলোর জন্য ‘গার্ডেন সিটি’ (উদ্যান নগরী) বলা হতো, সেই শহরই আজ এক অভূতপূর্ব রূপান্তরের মধ্য দিয়ে অর্জন করেছে ‘ভারতের সিলিকন ভ্যালি’ খেতাব।

মধ্য এশিয়া থেকে বহুবার ভারতীয় সীমান্তে আছড়ে পড়েছিল মোঙ্গল আক্রমণের ঢেউ। কিন্তু ত্রয়োদশ শতাব্দীর শেষ এবং চতুর্দশ শতাব্দীর সূচনালগ্নে দিল্লি সালতানাতের অসামান্য সামরিক দক্ষতা ও দূরদর্শী রণকৌশলের কাছে বারবার আছড়ে পড়ে ব্যর্থ হয় বিশ্বত্রাস মোঙ্গল বাহিনী। আর এই ঐতিহাসিক প্রতিরোধের নায়ক ছিলেন দিল্লি সালতানাতের অন্যতম প্রভাবশালী ও শক্তিশালী শাসক সুলতান আলাউদ্দিন খিলজি (Sultan Alauddin Khilji)।

মধ্য এশিয়া থেকে বহুবার ভারতীয় সীমান্তে আছড়ে পড়েছিল মোঙ্গল আক্রমণের ঢেউ। কিন্তু ত্রয়োদশ শতাব্দীর শেষ এবং চতুর্দশ শতাব্দীর সূচনালগ্নে দিল্লি সালতানাতের অসামান্য সামরিক দক্ষতা ও দূরদর্শী রণকৌশলের কাছে বারবার আছড়ে পড়ে ব্যর্থ হয় বিশ্বত্রাস মোঙ্গল বাহিনী। আর এই ঐতিহাসিক প্রতিরোধের নায়ক ছিলেন দিল্লি সালতানাতের অন্যতম প্রভাবশালী ও শক্তিশালী শাসক সুলতান আলাউদ্দিন খিলজি (Sultan Alauddin Khilji)।

এক রাতে ব্রিটিশ রাজদণ্ড গুটিয়ে নেওয়ার সময় মানচিত্রের ওপর ভুলভাল আঁচড় কেটে প্রায় দেড় কোটি মানুষকে শরণার্থী হতে বাধ্য করা হয়েছিল। ভিটামাটি ছেড়ে যখন বাপদাদার শেষ স্মৃতিটুকু পেছনে ফেলে অশ্রুসজল চোখে শত শত মাইল হেঁটে যেতে হয়েছে, তখন এই বাস্তুহারা মানুষদের মনে একটিই প্রশ্ন বারবার জেগেছে "আমাদের অপরাধ কী ছিল?"

এক রাতে ব্রিটিশ রাজদণ্ড গুটিয়ে নেওয়ার সময় মানচিত্রের ওপর ভুলভাল আঁচড় কেটে প্রায় দেড় কোটি মানুষকে শরণার্থী হতে বাধ্য করা হয়েছিল। ভিটামাটি ছেড়ে যখন বাপদাদার শেষ স্মৃতিটুকু পেছনে ফেলে অশ্রুসজল চোখে শত শত মাইল হেঁটে যেতে হয়েছে, তখন এই বাস্তুহারা মানুষদের মনে একটিই প্রশ্ন বারবার জেগেছে "আমাদের অপরাধ কী ছিল?"

এশিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির এই দেশটির ঝুলিতে রয়েছে বিশ্বমানের প্রযুক্তি, ম্যানুফ্যাকচারিং হাব, কৃষির সমৃদ্ধি ও বিশাল আর্থিক বাজার। তবে ভারতের এই সামগ্রিক জিডিপি (GDP) প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে তার অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক ইউনিটগুলো। সংবিধানগতভাবে ভারতে কোনো পৃথক 'প্রদেশ' শব্দ ব্যবহৃত হয় না; বরং ভারত হলো ২৮টি রাজ্য (States) এবং ৮টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের (Union Territories) সমন্বয়ে গঠিত এক যুক্তরাষ্ট্রীয় ইউনিয়ন (মোট ৩৬টি প্রশাসনিক বিভাগ)।

এশিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির এই দেশটির ঝুলিতে রয়েছে বিশ্বমানের প্রযুক্তি, ম্যানুফ্যাকচারিং হাব, কৃষির সমৃদ্ধি ও বিশাল আর্থিক বাজার। তবে ভারতের এই সামগ্রিক জিডিপি (GDP) প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে তার অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক ইউনিটগুলো। সংবিধানগতভাবে ভারতে কোনো পৃথক 'প্রদেশ' শব্দ ব্যবহৃত হয় না; বরং ভারত হলো ২৮টি রাজ্য (States) এবং ৮টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের (Union Territories) সমন্বয়ে গঠিত এক যুক্তরাষ্ট্রীয় ইউনিয়ন (মোট ৩৬টি প্রশাসনিক বিভাগ)।

ইতিহাসের রঙ্গমঞ্চে বহু রাজবংশের উত্থান ও পতন ঘটেছে। কিন্তু শৃঙ্খলাবদ্ধ ক্রীতদাসের শৃৃঙ্খল ভেঙে সুবিশাল এক সাম্রাজ্যের ভাগ্যবিধাতা হয়ে ওঠার গল্প কেবল মধ্যযুগের ভারতেই দেখা যায়। ১২০৬ থেকে ১২৯০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত বিস্তৃত দিল্লির 'দাস বংশ' বা 'মামলুক সালতানাত'-এর ইতিহাস কোনো সাধারণ রাজবংশের ইতিহাস নয়; এটি অদম্য সাহস, সামরিক মেধা, রাজনৈতিক দূরদর্শিতা এবং প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে মানবশক্তির বিজয়ের এক মহাকাব্য।

ইতিহাসের রঙ্গমঞ্চে বহু রাজবংশের উত্থান ও পতন ঘটেছে। কিন্তু শৃঙ্খলাবদ্ধ ক্রীতদাসের শৃৃঙ্খল ভেঙে সুবিশাল এক সাম্রাজ্যের ভাগ্যবিধাতা হয়ে ওঠার গল্প কেবল মধ্যযুগের ভারতেই দেখা যায়। ১২০৬ থেকে ১২৯০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত বিস্তৃত দিল্লির 'দাস বংশ' বা 'মামলুক সালতানাত'-এর ইতিহাস কোনো সাধারণ রাজবংশের ইতিহাস নয়; এটি অদম্য সাহস, সামরিক মেধা, রাজনৈতিক দূরদর্শিতা এবং প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে মানবশক্তির বিজয়ের এক মহাকাব্য।

বিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম বীর সেনানী, বিপ্লবের পুরোধা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার মূর্ত প্রতীক ছিলেন শহীদ আশফাকউল্লা খান (Ashfaqulla Khan)। ১৯২০-এর দশকে যখন ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে সারা ভারত জুড়ে অসন্তোষের দাবানল জ্বলছিল, তখন মহাত্মা গান্ধীর অহিংস আদর্শ ছেড়ে অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিলেন একদল দুঃসাহসী যুবক। তাদের লক্ষ্য ছিল অন্যায় ও শোষণের বিরুদ্ধে সশস্ত্র বিপ্লব, ব্রিটিশ রাজের পতন এবং সার্বজনীন ভোটাধিকারভিত্তিক এক শোষণে মুক্ত স্বাধীন ভারত গঠন।

বিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম বীর সেনানী, বিপ্লবের পুরোধা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার মূর্ত প্রতীক ছিলেন শহীদ আশফাকউল্লা খান (Ashfaqulla Khan)। ১৯২০-এর দশকে যখন ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে সারা ভারত জুড়ে অসন্তোষের দাবানল জ্বলছিল, তখন মহাত্মা গান্ধীর অহিংস আদর্শ ছেড়ে অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিলেন একদল দুঃসাহসী যুবক। তাদের লক্ষ্য ছিল অন্যায় ও শোষণের বিরুদ্ধে সশস্ত্র বিপ্লব, ব্রিটিশ রাজের পতন এবং সার্বজনীন ভোটাধিকারভিত্তিক এক শোষণে মুক্ত স্বাধীন ভারত গঠন।

বাংলার নবাব আলীবর্দী খাঁ (১৬৭১–১৭৫৬) হলেন সেই বিরল ও দুর্ভাগ্যজনক ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বদের একজন, যাঁর অসামান্য সামরিক মেধা, ভূ-রাজনৈতিক দূরদর্শিতা এবং এক দশকব্যাপী অদম্য প্রতিরোধ সংগ্রামকে আধুনিক জনপ্রিয় সংস্কৃতি সম্পূর্ণ আড়াল করে দিয়েছে। আজকের দিনের সাধারণ পাঠক বা শিশু-কিশোরদের কাছে নবাব আলীবর্দী খাঁ বলতেই ভেসে ওঠে ‘গোপাল ভাঁড়’-এর কার্টুন, নাটক কিংবা টেলিভিশন সিরিজের দৃশ্যপট। সেখানে তাঁকে দেখানো হয় একজন স্থূলবুদ্ধির, অতি-রাগী, চাটুকার পরিবেষ্টিত এবং গোপাল ভাঁড়ের অতি-সাধারণ চালাকির কাছে বারবার অপদস্থ হওয়া এক দুর্বল নবাব হিসেবে।

বাংলার নবাব আলীবর্দী খাঁ (১৬৭১–১৭৫৬) হলেন সেই বিরল ও দুর্ভাগ্যজনক ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বদের একজন, যাঁর অসামান্য সামরিক মেধা, ভূ-রাজনৈতিক দূরদর্শিতা এবং এক দশকব্যাপী অদম্য প্রতিরোধ সংগ্রামকে আধুনিক জনপ্রিয় সংস্কৃতি সম্পূর্ণ আড়াল করে দিয়েছে। আজকের দিনের সাধারণ পাঠক বা শিশু-কিশোরদের কাছে নবাব আলীবর্দী খাঁ বলতেই ভেসে ওঠে ‘গোপাল ভাঁড়’-এর কার্টুন, নাটক কিংবা টেলিভিশন সিরিজের দৃশ্যপট। সেখানে তাঁকে দেখানো হয় একজন স্থূলবুদ্ধির, অতি-রাগী, চাটুকার পরিবেষ্টিত এবং গোপাল ভাঁড়ের অতি-সাধারণ চালাকির কাছে বারবার অপদস্থ হওয়া এক দুর্বল নবাব হিসেবে।

মহাকাব্য রামায়ণের অনন্য ও নাটকীয় অধ্যায় হলো কিষ্কিন্ধাকাণ্ড। এটি কেবল দুটি ভ্রাতার ক্ষমতা দখলের উপাখ্যান নয়, বরং ভ্রাতৃপ্রেম, ভুল বোঝাবুঝি, রাজধর্ম, অহংকার এবং ঈশ্বরপ্রদত্ত শরণাগতির এক মহাকাব্যিক দলিল। এই অধ্যায়ের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন বানর রাজপরিবারের দুই সিংহপুরুষ স্বর্গের দেবরাজ ইন্দ্রের পুত্র মহাবীর বালী (প্রচলিত বাংলায় 'বলি') এবং সূর্যদেবের পুত্র সুগ্রীব।

মহাকাব্য রামায়ণের অনন্য ও নাটকীয় অধ্যায় হলো কিষ্কিন্ধাকাণ্ড। এটি কেবল দুটি ভ্রাতার ক্ষমতা দখলের উপাখ্যান নয়, বরং ভ্রাতৃপ্রেম, ভুল বোঝাবুঝি, রাজধর্ম, অহংকার এবং ঈশ্বরপ্রদত্ত শরণাগতির এক মহাকাব্যিক দলিল। এই অধ্যায়ের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন বানর রাজপরিবারের দুই সিংহপুরুষ স্বর্গের দেবরাজ ইন্দ্রের পুত্র মহাবীর বালী (প্রচলিত বাংলায় 'বলি') এবং সূর্যদেবের পুত্র সুগ্রীব।

বিশ্বমঞ্চে দ্রুত ধাবমান ভারতের একদিকে যেমন রয়েছে আধুনিক প্রযুক্তির প্রসার, সামরিক সক্ষমতা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, অন্যদিকে তেমনি রয়েছে তীব্র আঞ্চলিক বৈষম্য ও দারিদ্র্যের রূঢ় বাস্তব রূপ। ভারতের অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক কাঠামোকে বুঝতে গেলে প্রথমেই একটি বিষয় পরিষ্কার করা প্রয়োজন সংবিধানগতভাবে ভারতে 'প্রদেশ' শব্দটির পরিবর্তে 'রাজ্য' (States) এবং 'কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল' (Union Territories) ব্যবহৃত হয়। বর্তমানে ভারতে ২৮টি রাজ্য এবং ৮টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল মিলিয়ে মোট ৩৬টি প্রশাসনিক ইউনিট রয়েছে।

বিশ্বমঞ্চে দ্রুত ধাবমান ভারতের একদিকে যেমন রয়েছে আধুনিক প্রযুক্তির প্রসার, সামরিক সক্ষমতা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, অন্যদিকে তেমনি রয়েছে তীব্র আঞ্চলিক বৈষম্য ও দারিদ্র্যের রূঢ় বাস্তব রূপ। ভারতের অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক কাঠামোকে বুঝতে গেলে প্রথমেই একটি বিষয় পরিষ্কার করা প্রয়োজন সংবিধানগতভাবে ভারতে 'প্রদেশ' শব্দটির পরিবর্তে 'রাজ্য' (States) এবং 'কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল' (Union Territories) ব্যবহৃত হয়। বর্তমানে ভারতে ২৮টি রাজ্য এবং ৮টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল মিলিয়ে মোট ৩৬টি প্রশাসনিক ইউনিট রয়েছে।

মহাকাব্য রামায়ণের অজস্র চরিত্রের মধ্যে বিভীষণ অন্যতম জটিল, মনস্তাত্ত্বিক অন্তর্দ্বন্দ্বে পূর্ণ এবং নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে চরম বিতর্কিত এক ব্যক্তিত্ব। লোকসংস্কৃতিতে তিনি একদিকে যেমন পরিচিত "ঘরের শত্রু বিভীষণ" নামক নেতিবাচক প্রবাদের প্রতীক হিসেবে, অন্যদিকে উচ্চ বৈদিক ও আধ্যাত্মিক বিচারে তিনি পরমেশ্বরের ভক্তি, অধর্মের প্ররোচনা জয়ী পরম সত্য এবং সর্বস্ব ত্যাগের এক অনন্য দিকপাল। রাক্ষসরাজ রাবণের আপন কনিষ্ঠ ভ্রাতা হওয়া সত্ত্বেও বিভীষণ লঙ্কার ভোগবিলাস, অহংকার ও পাপাচারের তমো আচ্ছন্ন রাজ্যে বাস করেও নিজের অন্তরে সাত্ত্বিক চেতনা প্রজ্জ্বলিত রেখেছিলেন।

মহাকাব্য রামায়ণের অজস্র চরিত্রের মধ্যে বিভীষণ অন্যতম জটিল, মনস্তাত্ত্বিক অন্তর্দ্বন্দ্বে পূর্ণ এবং নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে চরম বিতর্কিত এক ব্যক্তিত্ব। লোকসংস্কৃতিতে তিনি একদিকে যেমন পরিচিত "ঘরের শত্রু বিভীষণ" নামক নেতিবাচক প্রবাদের প্রতীক হিসেবে, অন্যদিকে উচ্চ বৈদিক ও আধ্যাত্মিক বিচারে তিনি পরমেশ্বরের ভক্তি, অধর্মের প্ররোচনা জয়ী পরম সত্য এবং সর্বস্ব ত্যাগের এক অনন্য দিকপাল। রাক্ষসরাজ রাবণের আপন কনিষ্ঠ ভ্রাতা হওয়া সত্ত্বেও বিভীষণ লঙ্কার ভোগবিলাস, অহংকার ও পাপাচারের তমো আচ্ছন্ন রাজ্যে বাস করেও নিজের অন্তরে সাত্ত্বিক চেতনা প্রজ্জ্বলিত রেখেছিলেন।

রামায়ণের সুবিশাল ক্যানভাসে সীতার অগ্নিপরীক্ষা, লক্ষ্মণের ত্যাগ, কিংবা রাবণের পণ্ডিত্য ও অহংকার নিয়ে হাজার বছর ধরে চর্চা হয়েছে। অথচ এই সুবিশাল মহাকাব্যের অক্ষি গোলকে যে চরিত্রটি একাই লঙ্কাকাণ্ডের মতো বিধ্বংসী মহাযুদ্ধের সূত্রপাত ঘটিয়েছিল, সেই চরিত্রটিকে ইতিহাস কেবল চিহ্নিত করেছে এক ‘কুৎসিত, কামাতুর ও হিংস্র রাক্ষসী’ হিসেবে। তিনি সুর্পণখা।

রামায়ণের সুবিশাল ক্যানভাসে সীতার অগ্নিপরীক্ষা, লক্ষ্মণের ত্যাগ, কিংবা রাবণের পণ্ডিত্য ও অহংকার নিয়ে হাজার বছর ধরে চর্চা হয়েছে। অথচ এই সুবিশাল মহাকাব্যের অক্ষি গোলকে যে চরিত্রটি একাই লঙ্কাকাণ্ডের মতো বিধ্বংসী মহাযুদ্ধের সূত্রপাত ঘটিয়েছিল, সেই চরিত্রটিকে ইতিহাস কেবল চিহ্নিত করেছে এক ‘কুৎসিত, কামাতুর ও হিংস্র রাক্ষসী’ হিসেবে। তিনি সুর্পণখা।

১৯৪৭ সালের আগস্ট মাস। ভারতীয় উপমহাদেশজুড়ে তখন এক অভূতপূর্ব ঐতিহাসিক উন্মাদনা ও অশ্রুসজল বিদায়ের ক্ষণ। প্রায় দু’শো বছরের ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের যবনিকা ঘটিয়ে জন্ম নিচ্ছে দুটি নতুন রাষ্ট্র ভারত ও পাকিস্তান। কিন্তু সীমান্ত নির্ধারণের ভৌগোলিক রেখা টেনে দেওয়ার পরও ভারতীয় উপমহাদেশের বুকের ওপর ঝুলছিল এক বিশাল অনিশ্চয়তার খাঁড়া। সেটি ছিল পাঁচ শতাধিক ‘দেশীয় রাজ্য’ বা প্রেন্সলি স্টেটগুলোর (Princely States) ভবিষ্যৎ।

১৯৪৭ সালের আগস্ট মাস। ভারতীয় উপমহাদেশজুড়ে তখন এক অভূতপূর্ব ঐতিহাসিক উন্মাদনা ও অশ্রুসজল বিদায়ের ক্ষণ। প্রায় দু’শো বছরের ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের যবনিকা ঘটিয়ে জন্ম নিচ্ছে দুটি নতুন রাষ্ট্র ভারত ও পাকিস্তান। কিন্তু সীমান্ত নির্ধারণের ভৌগোলিক রেখা টেনে দেওয়ার পরও ভারতীয় উপমহাদেশের বুকের ওপর ঝুলছিল এক বিশাল অনিশ্চয়তার খাঁড়া। সেটি ছিল পাঁচ শতাধিক ‘দেশীয় রাজ্য’ বা প্রেন্সলি স্টেটগুলোর (Princely States) ভবিষ্যৎ।

অষ্টাদশ শতাব্দীর মধ্যভাগ ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অত্যন্ত উত্তাল অথচ যুগান্তকারী সময়। ১৭০৭ খ্রিষ্টাব্দে শেষ প্রভাবশালী মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর দিল্লি কেন্দ্রিক মুঘল সাম্রাজ্যের পরাক্রম ধসে পড়তে শুরু করে। এই কেন্দ্রীয় শাসনব্যবস্থার পতনের ফলে উদ্ভূত রাজনৈতিক শূন্যতা পূরণ করতে আবির্ভূত হয় এক নতুন দেশীয় সামরিক শক্তি মারাঠা সাম্রাজ্য (Maratha Empire)।

অষ্টাদশ শতাব্দীর মধ্যভাগ ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অত্যন্ত উত্তাল অথচ যুগান্তকারী সময়। ১৭০৭ খ্রিষ্টাব্দে শেষ প্রভাবশালী মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর দিল্লি কেন্দ্রিক মুঘল সাম্রাজ্যের পরাক্রম ধসে পড়তে শুরু করে। এই কেন্দ্রীয় শাসনব্যবস্থার পতনের ফলে উদ্ভূত রাজনৈতিক শূন্যতা পূরণ করতে আবির্ভূত হয় এক নতুন দেশীয় সামরিক শক্তি মারাঠা সাম্রাজ্য (Maratha Empire)।

কীভাবে একটি সমৃদ্ধশালী বন্দরনগরী ও ব্যাংকিংয়ের সূতিকাগার নিজ মসনদ হারিয়ে ফেলল এবং বোম্বে কীভাবে ভারতের অর্থনৈতিক পরাশক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করল? এটি কেবল দুটি শহরের লড়াইয়ের গল্প নয়; এটি হলো ভুল রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, প্রাকৃতিক সীমাবদ্ধতা, উদাসীন উদ্যোক্তা মানসিকতা, বৈশ্বিক যুদ্ধ এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থার মহা-ধসের এক ঐতিহাসিক দলিল।

কীভাবে একটি সমৃদ্ধশালী বন্দরনগরী ও ব্যাংকিংয়ের সূতিকাগার নিজ মসনদ হারিয়ে ফেলল এবং বোম্বে কীভাবে ভারতের অর্থনৈতিক পরাশক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করল? এটি কেবল দুটি শহরের লড়াইয়ের গল্প নয়; এটি হলো ভুল রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, প্রাকৃতিক সীমাবদ্ধতা, উদাসীন উদ্যোক্তা মানসিকতা, বৈশ্বিক যুদ্ধ এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থার মহা-ধসের এক ঐতিহাসিক দলিল।

কোনো দিক থেকেই বেলুচরা ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথাগত মুসলিম সমাজের অন্তর্ভুক্ত নয়। ভারতীয় উপমহাদেশের ইসলামি ইতিহাস সাধারণত সিন্ধু নদের পূর্ব পার বা সমতল ভূমি থেকে বিচার করা হয় যেখানে ৭১২ খ্রিষ্টাব্দে মুহাম্মদ বিন কাসিমের সিন্ধু অভিযানের মাধ্যমে ইসলামি শাসনের সূচনা ধরা হয়। কিন্তু ঐতিহাসিক সিন্ধু নদের পশ্চিমের বিশাল ও পাহাড়ি মালভূমি অঞ্চল, যা বেলুচিস্তান (Balochistan) নামে পরিচিত, তা কখনোই ভারতীয় মূল ভূখণ্ডের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বলয়ে অন্তর্ভুক্ত ছিল না। এটি ছিল প্রাচীন পারস্য, মধ্য এশিয়া এবং মাকরান উপত্যকার সভ্যতার অবিচ্ছেদ্য অংশ।

কোনো দিক থেকেই বেলুচরা ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথাগত মুসলিম সমাজের অন্তর্ভুক্ত নয়। ভারতীয় উপমহাদেশের ইসলামি ইতিহাস সাধারণত সিন্ধু নদের পূর্ব পার বা সমতল ভূমি থেকে বিচার করা হয় যেখানে ৭১২ খ্রিষ্টাব্দে মুহাম্মদ বিন কাসিমের সিন্ধু অভিযানের মাধ্যমে ইসলামি শাসনের সূচনা ধরা হয়। কিন্তু ঐতিহাসিক সিন্ধু নদের পশ্চিমের বিশাল ও পাহাড়ি মালভূমি অঞ্চল, যা বেলুচিস্তান (Balochistan) নামে পরিচিত, তা কখনোই ভারতীয় মূল ভূখণ্ডের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বলয়ে অন্তর্ভুক্ত ছিল না। এটি ছিল প্রাচীন পারস্য, মধ্য এশিয়া এবং মাকরান উপত্যকার সভ্যতার অবিচ্ছেদ্য অংশ।

বর্তমানে ভারতের সিনেমা জগতে তেলেগু চলচ্চিত্র বা ‘টলিউড’-এর নাম সর্বজনবিদিত। আল্লু অর্জুন, রাম চরণ, প্রভাশ, কিংবা নাগার্জুনের মতো তারকাদের জমকালো চলচ্চিত্রগুলোর পেছনের মূল আঁতুড়ঘর হলো আধুনিক তেলেঙ্গানা রাজ্যের রাজধানী হায়দ্রাবাদ। বাহ্যিকভাবে এটি আজকের ভারতের অন্যতম শীর্ষ প্রযুক্তি শহর (IT Hub) এবং বিনোদন শিল্পকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত হলেও, এই মাটির গভীরে লুকিয়ে রয়েছে চার শতাব্দীরও বেশি পুরনো এক মহাকাব্যিক রূপকথা।

বর্তমানে ভারতের সিনেমা জগতে তেলেগু চলচ্চিত্র বা ‘টলিউড’-এর নাম সর্বজনবিদিত। আল্লু অর্জুন, রাম চরণ, প্রভাশ, কিংবা নাগার্জুনের মতো তারকাদের জমকালো চলচ্চিত্রগুলোর পেছনের মূল আঁতুড়ঘর হলো আধুনিক তেলেঙ্গানা রাজ্যের রাজধানী হায়দ্রাবাদ। বাহ্যিকভাবে এটি আজকের ভারতের অন্যতম শীর্ষ প্রযুক্তি শহর (IT Hub) এবং বিনোদন শিল্পকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত হলেও, এই মাটির গভীরে লুকিয়ে রয়েছে চার শতাব্দীরও বেশি পুরনো এক মহাকাব্যিক রূপকথা।

মুসলিমদের বিজয় অভিযান এবং ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক শক্তির আগমনের বহু পূর্বেই ভারতীয় রাজনৈতিক ভূখণ্ডে সামরিক, প্রশাসনিক ও ধর্মীয় দিক থেকে অত্যন্ত বিশ্বমানের বেশ কিছু সাম্রাজ্যের বিকাশ ঘটেছিল। এই নিবন্ধে প্রাক-ইসলামিক যুগের ভারতীয় উপমহাদেশের সবচেয়ে শক্তিশালী, প্রভাবশালী এবং দূরদর্শী পাঁচটি সাম্রাজ্যের বিস্তার, প্রশাসনিক কাঠামো, সাংস্কৃতিক অবদান এবং পতনের বিশদ ইতিহাস আলোকপাত করা হলো।

মুসলিমদের বিজয় অভিযান এবং ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক শক্তির আগমনের বহু পূর্বেই ভারতীয় রাজনৈতিক ভূখণ্ডে সামরিক, প্রশাসনিক ও ধর্মীয় দিক থেকে অত্যন্ত বিশ্বমানের বেশ কিছু সাম্রাজ্যের বিকাশ ঘটেছিল। এই নিবন্ধে প্রাক-ইসলামিক যুগের ভারতীয় উপমহাদেশের সবচেয়ে শক্তিশালী, প্রভাবশালী এবং দূরদর্শী পাঁচটি সাম্রাজ্যের বিস্তার, প্রশাসনিক কাঠামো, সাংস্কৃতিক অবদান এবং পতনের বিশদ ইতিহাস আলোকপাত করা হলো।

কিংবদন্তি ফোক শিল্পী মমতাজের কণ্ঠে গাওয়া এই বিখ্যাত পংক্তিটি শুনলেই যেকোনো সংগীতপ্রেমী ও আধ্যাত্মিক পিপাসুর মনে গভীর অনুভূতির আলোড়ন সৃষ্টি হয়। এই গানে এক অভূতপূর্ব রূপক ও আধ্যাত্মিক দৃশ্যায়ন ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যেখানে সুরের আবেশে মহাবিশ্ব ও প্রকৃতির প্রতিটি উপাদান যেন শিহরিত হচ্ছে, এমনকি সুফি জগতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব ‘বড়পীর’ হযরত আব্দুল কাদির জিলানী (রহঃ)-ও খাজার সুরের আবেশে ঘামছেন!

কিংবদন্তি ফোক শিল্পী মমতাজের কণ্ঠে গাওয়া এই বিখ্যাত পংক্তিটি শুনলেই যেকোনো সংগীতপ্রেমী ও আধ্যাত্মিক পিপাসুর মনে গভীর অনুভূতির আলোড়ন সৃষ্টি হয়। এই গানে এক অভূতপূর্ব রূপক ও আধ্যাত্মিক দৃশ্যায়ন ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যেখানে সুরের আবেশে মহাবিশ্ব ও প্রকৃতির প্রতিটি উপাদান যেন শিহরিত হচ্ছে, এমনকি সুফি জগতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব ‘বড়পীর’ হযরত আব্দুল কাদির জিলানী (রহঃ)-ও খাজার সুরের আবেশে ঘামছেন!

দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি ও আধুনিক ইতিবৃত্ত নিয়ে যখনই কোনো গভীর আলোচনা হয়, তখন কয়েকটি নির্দিষ্ট প্রভাবশালী পরিবারের নাম অনিবার্যভাবে সামনে চলে আসে। এর মধ্যে পাকিস্তানের রাজনীতিতে ‘ভুট্টো পরিবার’ (Bhutto Family) কেবল একটি রাজনৈতিক বংশানুক্রম নয়, বরং এটি দক্ষিণ এশিয়ার ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু, ষড়যন্ত্র, সুফি ঐতিহ্য এবং রক্তক্ষয়ী ট্র্যাজেডির এক জটিল সংমিশ্রণ।

দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি ও আধুনিক ইতিবৃত্ত নিয়ে যখনই কোনো গভীর আলোচনা হয়, তখন কয়েকটি নির্দিষ্ট প্রভাবশালী পরিবারের নাম অনিবার্যভাবে সামনে চলে আসে। এর মধ্যে পাকিস্তানের রাজনীতিতে ‘ভুট্টো পরিবার’ (Bhutto Family) কেবল একটি রাজনৈতিক বংশানুক্রম নয়, বরং এটি দক্ষিণ এশিয়ার ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু, ষড়যন্ত্র, সুফি ঐতিহ্য এবং রক্তক্ষয়ী ট্র্যাজেডির এক জটিল সংমিশ্রণ।

বিশ্বের বড় বড় যুদ্ধ বা পারমাণবিক প্রতিযোগিতার পেছনে কেবল রাষ্ট্রের নীতি বা কূটনৈতিক চালই থাকে না; অনেক সময় একক কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত আবেগ, জেদ কিংবা শৈশবের গভীর কোনো ক্ষত পুরো একটি অঞ্চলের মানচিত্র ও শক্তির ভারসাম্য বদলে দেয়। দক্ষিণ এশিয়ার পারমাণবিক কূটনীতি ও শক্তির ভারসাম্যের নেপথ্যে তেমনই এক জ্বলন্ত নাম ড. আবদুল কাদের খান (এ কিউ খান)।

বিশ্বের বড় বড় যুদ্ধ বা পারমাণবিক প্রতিযোগিতার পেছনে কেবল রাষ্ট্রের নীতি বা কূটনৈতিক চালই থাকে না; অনেক সময় একক কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত আবেগ, জেদ কিংবা শৈশবের গভীর কোনো ক্ষত পুরো একটি অঞ্চলের মানচিত্র ও শক্তির ভারসাম্য বদলে দেয়। দক্ষিণ এশিয়ার পারমাণবিক কূটনীতি ও শক্তির ভারসাম্যের নেপথ্যে তেমনই এক জ্বলন্ত নাম ড. আবদুল কাদের খান (এ কিউ খান)।

বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে যখন কলকাতার জনঘনত্ব এবং পরিকাঠামোর ওপর চাপ অসহনীয় হয়ে উঠছিল, তখন বিকল্প এক স্বপ্নিল নগরের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছিলেন পরিকল্পনাবিদগণ। সেই স্বপ্নের বাস্তব রূপই হলো আজকের 'নিউ টাউন'। কলকাতার পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত এই উপশহরটি আজ কেবল একটি আবাসিক এলাকা নয়, বরং এটি ভারতের স্মার্ট সিটি ধারণার এক সার্থক উদাহরণ। নিউ টাউন বা রাজারহাট নিউ টাউন আজ এক পরিকল্পিত আধুনিকতার প্রতীক, যা কেবল পশ্চিমবঙ্গ নয়, বরং গোটা দক্ষিণ এশিয়ায় নগর পরিকল্পনার ক্ষেত্রে এক নতুন মাইলফলক স্থাপন করেছে।

বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে যখন কলকাতার জনঘনত্ব এবং পরিকাঠামোর ওপর চাপ অসহনীয় হয়ে উঠছিল, তখন বিকল্প এক স্বপ্নিল নগরের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছিলেন পরিকল্পনাবিদগণ। সেই স্বপ্নের বাস্তব রূপই হলো আজকের 'নিউ টাউন'। কলকাতার পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত এই উপশহরটি আজ কেবল একটি আবাসিক এলাকা নয়, বরং এটি ভারতের স্মার্ট সিটি ধারণার এক সার্থক উদাহরণ। নিউ টাউন বা রাজারহাট নিউ টাউন আজ এক পরিকল্পিত আধুনিকতার প্রতীক, যা কেবল পশ্চিমবঙ্গ নয়, বরং গোটা দক্ষিণ এশিয়ায় নগর পরিকল্পনার ক্ষেত্রে এক নতুন মাইলফলক স্থাপন করেছে।

মানবিকতার কাছে ধর্ম, জাত-পাত বা ভৌগোলিক পরিচয় কোনো বাধাই নয়। ভারতের আসাম রাজ্যের এক মসজিদের ইমাম আব্দুল বাছিত সাহসী পদক্ষেপ এবং বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে নেওয়ায় সিদ্ধান্ত নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়েছে ভিন্ন ধর্মাবলম্বী সাতটি তাজা প্রাণ। হিরো হওয়ার জন্য দরকার শুধু বিপন্ন মানুষের জন্য জেগে ওঠা একটি বিবেক।

মানবিকতার কাছে ধর্ম, জাত-পাত বা ভৌগোলিক পরিচয় কোনো বাধাই নয়। ভারতের আসাম রাজ্যের এক মসজিদের ইমাম আব্দুল বাছিত সাহসী পদক্ষেপ এবং বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে নেওয়ায় সিদ্ধান্ত নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়েছে ভিন্ন ধর্মাবলম্বী সাতটি তাজা প্রাণ। হিরো হওয়ার জন্য দরকার শুধু বিপন্ন মানুষের জন্য জেগে ওঠা একটি বিবেক।

ভারত উপমহাদেশের প্রতিটি প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা ঐতিহাসিক স্থাপত্যের মহিমা বিশ্বজুড়ে পর্যটকদের আকর্ষণ করে। একদিকে যেমন এই ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলি থেকে সরকার কোটি কোটি ডলার রাজস্ব আয় করে, অন্যদিকে তেমনই কট্টর হিন্দুত্ববাদী ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলোর 'হিন্দু ধর্ম বিপদে' (Hindu Khatre Mein) স্লোগান তুলে সেই ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর ঐতিহাসিক পরিচয় ও মালিকানা পরিবর্তনের জন্য আন্দোলন ও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হচ্ছে।

ভারত উপমহাদেশের প্রতিটি প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা ঐতিহাসিক স্থাপত্যের মহিমা বিশ্বজুড়ে পর্যটকদের আকর্ষণ করে। একদিকে যেমন এই ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলি থেকে সরকার কোটি কোটি ডলার রাজস্ব আয় করে, অন্যদিকে তেমনই কট্টর হিন্দুত্ববাদী ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলোর 'হিন্দু ধর্ম বিপদে' (Hindu Khatre Mein) স্লোগান তুলে সেই ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর ঐতিহাসিক পরিচয় ও মালিকানা পরিবর্তনের জন্য আন্দোলন ও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হচ্ছে।

ভারত তার বিশাল ভৌগোলিক বৈচিত্র্যের জন্য পরিচিত, যেখানে এক দিকে রয়েছে রাজস্থানের শুষ্ক মরুভূমি, আরেক দিকে মেঘালয়ের চিরহরিৎ বনভূমি। ভারতের কিছু অঞ্চলে বছরে মাত্র কয়েক সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত হয়, আবার কিছু স্থানে বছরে হাজার হাজার মিলিমিটার বৃষ্টি হয়, যা তাদের ‘পৃথিবীর সবচেয়ে বৃষ্টিপ্রবণ স্থান‘ হিসেবে খ্যাতি এনে দিয়েছে।

ভারত তার বিশাল ভৌগোলিক বৈচিত্র্যের জন্য পরিচিত, যেখানে এক দিকে রয়েছে রাজস্থানের শুষ্ক মরুভূমি, আরেক দিকে মেঘালয়ের চিরহরিৎ বনভূমি। ভারতের কিছু অঞ্চলে বছরে মাত্র কয়েক সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত হয়, আবার কিছু স্থানে বছরে হাজার হাজার মিলিমিটার বৃষ্টি হয়, যা তাদের ‘পৃথিবীর সবচেয়ে বৃষ্টিপ্রবণ স্থান‘ হিসেবে খ্যাতি এনে দিয়েছে।
















