/

/

ভারত

ভারত

বিশ্ব রাজনীতি, অর্থনীতি ও আঞ্চলিক কূটনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবশালী দেশ ভারত সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য ও আপডেটেড তথ্য জানা বর্তমান সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ, সংস্কৃতি, প্রযুক্তি, শিক্ষা, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক কিংবা সীমান্ত ও আঞ্চলিক বিভিন্ন ইস্যু ভারতের প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রতিনিয়ত ঘটছে নানা গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন। ভারত সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়, বিশ্লেষণ ও সর্বশেষ তথ্য জানা দক্ষিণ এশিয়ার সামগ্রিক প্রেক্ষাপট বুঝতে, সমসাময়িক ঘটনাবলি সম্পর্কে সচেতন থাকতে এবং তথ্যভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে সহায়ক হতে পারে।

/

/

ভারত

ভারত

বিশ্ব রাজনীতি, অর্থনীতি ও আঞ্চলিক কূটনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবশালী দেশ ভারত সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য ও আপডেটেড তথ্য জানা বর্তমান সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ, সংস্কৃতি, প্রযুক্তি, শিক্ষা, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক কিংবা সীমান্ত ও আঞ্চলিক বিভিন্ন ইস্যু ভারতের প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রতিনিয়ত ঘটছে নানা গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন। ভারত সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়, বিশ্লেষণ ও সর্বশেষ তথ্য জানা দক্ষিণ এশিয়ার সামগ্রিক প্রেক্ষাপট বুঝতে, সমসাময়িক ঘটনাবলি সম্পর্কে সচেতন থাকতে এবং তথ্যভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে সহায়ক হতে পারে।

/

/

ভারত

ভারত

বিশ্ব রাজনীতি, অর্থনীতি ও আঞ্চলিক কূটনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবশালী দেশ ভারত সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য ও আপডেটেড তথ্য জানা বর্তমান সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ, সংস্কৃতি, প্রযুক্তি, শিক্ষা, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক কিংবা সীমান্ত ও আঞ্চলিক বিভিন্ন ইস্যু ভারতের প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রতিনিয়ত ঘটছে নানা গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন। ভারত সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়, বিশ্লেষণ ও সর্বশেষ তথ্য জানা দক্ষিণ এশিয়ার সামগ্রিক প্রেক্ষাপট বুঝতে, সমসাময়িক ঘটনাবলি সম্পর্কে সচেতন থাকতে এবং তথ্যভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে সহায়ক হতে পারে।

একদিকে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের অখণ্ড ভারত গঠনের দাবি, অন্যদিকে অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগের একটি পৃথক মুসলিম রাষ্ট্র 'পাকিস্তান' অর্জনের সংগ্রাম। এই চরম রাজনৈতিক অচলাবস্থায় ১৯৪৬ সালের আগস্ট মাসে কলকাতার রাজপথে যে ভয়াবহ রক্তের বন্যা ভেসে গিয়েছিল, তা 'গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং' (Great Calcutta Killing) বা 'দ্য উইক অব দ্য লং নাইভস' (The Week of the Long Knives) নামে ইতিহাসে পরিচিত। তৎকালীন অবিভক্ত বাংলার রাজধানী কলকাতা শহরে অনুষ্ঠিত এই দাঙ্গা কেবল একটি আঞ্চলিক গণহত্যা ছিল না; এটি ছিল এমন এক ঐতিহাসিক অশুভ মোড়, যা ১৯৪৭ সালের ভারত ও পাকিস্তান বিভাগকে সুনিশ্চিত এবং অনিবার্য করে তুলেছিল।

১৯৪৬ সালের কলকাতা দাঙ্গা ‘গ্রেট কলকাতা কিলিং’ - সাম্প্রদায়িকতার নির্মম ট্রাজেডি

একদিকে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের অখণ্ড ভারত গঠনের দাবি, অন্যদিকে অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগের একটি পৃথক মুসলিম রাষ্ট্র 'পাকিস্তান' অর্জনের সংগ্রাম। এই চরম রাজনৈতিক অচলাবস্থায় ১৯৪৬ সালের আগস্ট মাসে কলকাতার রাজপথে যে ভয়াবহ রক্তের বন্যা ভেসে গিয়েছিল, তা 'গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং' (Great Calcutta Killing) বা 'দ্য উইক অব দ্য লং নাইভস' (The Week of the Long Knives) নামে ইতিহাসে পরিচিত। তৎকালীন অবিভক্ত বাংলার রাজধানী কলকাতা শহরে অনুষ্ঠিত এই দাঙ্গা কেবল একটি আঞ্চলিক গণহত্যা ছিল না; এটি ছিল এমন এক ঐতিহাসিক অশুভ মোড়, যা ১৯৪৭ সালের ভারত ও পাকিস্তান বিভাগকে সুনিশ্চিত এবং অনিবার্য করে তুলেছিল।

১৯৪৬ সালের কলকাতা দাঙ্গা ‘গ্রেট কলকাতা কিলিং’ - সাম্প্রদায়িকতার নির্মম ট্রাজেডি

ভারতের সংগঠিত অপরাধ এবং মাফিয়া জগতের ইতিহাস বহু বছরের পুরনো। এটি কেবল মুম্বাইয়ের অপরাধ সিন্ডিকেটের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং উত্তর ভারতের রক্তক্ষয়ী 'বাহুবলী' সংস্কৃতি, কিংবা দক্ষিণ ভারতের গহীন অরণ্যের ভয়াল দস্যুরাজের রূপ নিয়ে সমগ্র উপমহাদেশে ছড়িয়ে পড়েছিল। উপকূলীয় বোম্বাইয়ের (বর্তমান মুম্বাই) বন্দরকেন্দ্রিক সোনা ও বিদেশি পণ্যের চোরাচালান থেকে শুরু করে ভারতের রিয়েল এস্টেট দখল, বলিউড তারকাদের ভয় দেখিয়ে কোটি কোটি টাকার চাঁদা আদায়, জাল নোটের ব্যবসা, আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ এবং রাজনীতিতে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ ভারতের আন্ডারওয়ার্ল্ডের বিবর্তন ছিল অত্যন্ত রক্তক্ষয়ী ও রোমাঞ্চকর।

ভারতের ইতিহাসের শীর্ষ ১০ জন গ্যাংস্টার ডন - ভারতের আন্ডারওয়ার্ল্ড

ভারতের সংগঠিত অপরাধ এবং মাফিয়া জগতের ইতিহাস বহু বছরের পুরনো। এটি কেবল মুম্বাইয়ের অপরাধ সিন্ডিকেটের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং উত্তর ভারতের রক্তক্ষয়ী 'বাহুবলী' সংস্কৃতি, কিংবা দক্ষিণ ভারতের গহীন অরণ্যের ভয়াল দস্যুরাজের রূপ নিয়ে সমগ্র উপমহাদেশে ছড়িয়ে পড়েছিল। উপকূলীয় বোম্বাইয়ের (বর্তমান মুম্বাই) বন্দরকেন্দ্রিক সোনা ও বিদেশি পণ্যের চোরাচালান থেকে শুরু করে ভারতের রিয়েল এস্টেট দখল, বলিউড তারকাদের ভয় দেখিয়ে কোটি কোটি টাকার চাঁদা আদায়, জাল নোটের ব্যবসা, আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ এবং রাজনীতিতে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ ভারতের আন্ডারওয়ার্ল্ডের বিবর্তন ছিল অত্যন্ত রক্তক্ষয়ী ও রোমাঞ্চকর।

ভারতের ইতিহাসের শীর্ষ ১০ জন গ্যাংস্টার ডন - ভারতের আন্ডারওয়ার্ল্ড

১৯৯৯ সালের মে থেকে জুলাই মাসে অনুষ্ঠিত ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার কারগিল যুদ্ধ ছিল আধুনিক সামরিক ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ ও চরম সংকটময় উচ্চতা যুদ্ধ (High-Altitude Warfare)। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৬,০০০ থেকে ১৮,০০০ ফুট উঁচুতে হাড় হিম করা শীত, খাড়া পাহাড় এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে যখন দুটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশের সেনারা মুখোমুখি হয়েছিল, তখন সেখানে গোলাবারুদের পাশাপাশি চলেছিল এক অদ্ভুত, তীক্ষ্ণ ও ডার্ক হিউমারে ভরা মনস্তাত্ত্বিক লড়াই।

রক্তক্ষয়ী কারগিল যুদ্ধের ডার্ক হিউমার – ‘ফ্রম রাভিনা ট্যান্ডন টু নওয়াজ শরিফ’

১৯৯৯ সালের মে থেকে জুলাই মাসে অনুষ্ঠিত ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার কারগিল যুদ্ধ ছিল আধুনিক সামরিক ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ ও চরম সংকটময় উচ্চতা যুদ্ধ (High-Altitude Warfare)। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৬,০০০ থেকে ১৮,০০০ ফুট উঁচুতে হাড় হিম করা শীত, খাড়া পাহাড় এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে যখন দুটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশের সেনারা মুখোমুখি হয়েছিল, তখন সেখানে গোলাবারুদের পাশাপাশি চলেছিল এক অদ্ভুত, তীক্ষ্ণ ও ডার্ক হিউমারে ভরা মনস্তাত্ত্বিক লড়াই।

রক্তক্ষয়ী কারগিল যুদ্ধের ডার্ক হিউমার – ‘ফ্রম রাভিনা ট্যান্ডন টু নওয়াজ শরিফ’

ভারতীয় উপমহাদেশ ও বৈশ্বিক গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাছে ত্রাসের সমার্থক হয়ে উঠেছে লরেন্স বিষ্ণোই। প্রথাগত মাফিয়া ডনদের মতো তিনি কেবল স্থানীয় এলাকা বা কোনো নির্দিষ্ট শহরের মধ্যে সীমাবদ্ধ নন। ভারতের অতি-সুরক্ষিত কারাগারের চার দেয়ালের ভেতরে বন্দি থেকেও আন্তর্জাতিক অপরাধ সিন্ডিকেট পরিচালনা, সুপারি কিলিং, ড্রোন মারফত অস্ত্র চোরাচালান, কোটি কোটি টাকার তোলাবাজি এবং হাই-প্রোফাইল রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের হত্যার দায়িত্ব স্বীকার করে বিষ্ণোই নিজেকে রূপান্তরিত করেছেন এক বিংশ শতাব্দীর 'ডিজিটাল গ্যাংস্টারে'।

লরেন্স বিষ্ণোই - ভারতের আন্ডারওয়ার্ল্ডের নয়া গ্যাংস্টার ও অন্ধকার সিন্ডিকেট

ভারতীয় উপমহাদেশ ও বৈশ্বিক গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাছে ত্রাসের সমার্থক হয়ে উঠেছে লরেন্স বিষ্ণোই। প্রথাগত মাফিয়া ডনদের মতো তিনি কেবল স্থানীয় এলাকা বা কোনো নির্দিষ্ট শহরের মধ্যে সীমাবদ্ধ নন। ভারতের অতি-সুরক্ষিত কারাগারের চার দেয়ালের ভেতরে বন্দি থেকেও আন্তর্জাতিক অপরাধ সিন্ডিকেট পরিচালনা, সুপারি কিলিং, ড্রোন মারফত অস্ত্র চোরাচালান, কোটি কোটি টাকার তোলাবাজি এবং হাই-প্রোফাইল রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের হত্যার দায়িত্ব স্বীকার করে বিষ্ণোই নিজেকে রূপান্তরিত করেছেন এক বিংশ শতাব্দীর 'ডিজিটাল গ্যাংস্টারে'।

লরেন্স বিষ্ণোই - ভারতের আন্ডারওয়ার্ল্ডের নয়া গ্যাংস্টার ও অন্ধকার সিন্ডিকেট

উত্তর ভারতের রুক্ষ থর মরুভূমি থেকে শুরু করে দাক্ষিণাত্যের পাথুরে মালভূমি এবং পশ্চিমঘাট পর্বতমালা পর্যন্ত পুরো ভারতবর্ষজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে অজস্র ঐতিহাসিক দুর্গ। এই দুর্গগুলো কেবল শত্রুর আক্রমণ থেকে রাজ্য রক্ষার সামরিক ঘাঁটিই ছিল না; এগুলো ছিল এক একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ নগরী, উন্নত স্থাপত্যকলার প্রতীক, রাজকীয় ঐশ্বর্যের কেন্দ্রবিন্দু এবং যুগে যুগে ঘটে যাওয়া রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম ও রাজনৈতিক উত্থান-পতনের নীরব সাক্ষী।

ভারতের ১৪টি বিখ্যাত ঐতিহাসিক দুর্গ - প্রাচীর ও ইতিহাসের সাক্ষী

উত্তর ভারতের রুক্ষ থর মরুভূমি থেকে শুরু করে দাক্ষিণাত্যের পাথুরে মালভূমি এবং পশ্চিমঘাট পর্বতমালা পর্যন্ত পুরো ভারতবর্ষজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে অজস্র ঐতিহাসিক দুর্গ। এই দুর্গগুলো কেবল শত্রুর আক্রমণ থেকে রাজ্য রক্ষার সামরিক ঘাঁটিই ছিল না; এগুলো ছিল এক একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ নগরী, উন্নত স্থাপত্যকলার প্রতীক, রাজকীয় ঐশ্বর্যের কেন্দ্রবিন্দু এবং যুগে যুগে ঘটে যাওয়া রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম ও রাজনৈতিক উত্থান-পতনের নীরব সাক্ষী।

ভারতের ১৪টি বিখ্যাত ঐতিহাসিক দুর্গ - প্রাচীর ও ইতিহাসের সাক্ষী

ভারতের ধর্মীয় জনমিতি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, জনসংখ্যার বিচারে দেশটির সর্ববৃহৎ ধর্মীয় সংখ্যালঘু গোষ্ঠী হওয়া সত্ত্বেও মুসলিমদের ভৌগোলিক উপস্থিতি অত্যন্ত অসম। বিশাল এই উপমহাদেশসম দেশে উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ, আসাম কিংবা কেরালার মতো রাজ্যে যেখানে মুসলিমদের জনসংখ্যা উল্লেখযোগ্য ও রাজনৈতিকভাবে নির্ণায়ক, সেখানে এমন অনেক রাজ্য রয়েছে যেখানে তারা অতি-ক্ষুদ্র এক সংখ্যালঘু গোষ্ঠী। ২০১১ সালের সরকারি আদমশুমারি (Census 2011) অনুযায়ী, ভারতের এমন ১০টি রাজ্য রয়েছে যেখানে মোট জনসংখ্যার অনুপাতে মুসলিমদের উপস্থিতি ১.৩৫ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ৫.৮৬ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ।

ভারতের সবচেয়ে কম মুসলিম যে ১০টি প্রদেশে - ভারতের প্রান্তিক সংখ্যালঘুদের বাস্তবতা

ভারতের ধর্মীয় জনমিতি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, জনসংখ্যার বিচারে দেশটির সর্ববৃহৎ ধর্মীয় সংখ্যালঘু গোষ্ঠী হওয়া সত্ত্বেও মুসলিমদের ভৌগোলিক উপস্থিতি অত্যন্ত অসম। বিশাল এই উপমহাদেশসম দেশে উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ, আসাম কিংবা কেরালার মতো রাজ্যে যেখানে মুসলিমদের জনসংখ্যা উল্লেখযোগ্য ও রাজনৈতিকভাবে নির্ণায়ক, সেখানে এমন অনেক রাজ্য রয়েছে যেখানে তারা অতি-ক্ষুদ্র এক সংখ্যালঘু গোষ্ঠী। ২০১১ সালের সরকারি আদমশুমারি (Census 2011) অনুযায়ী, ভারতের এমন ১০টি রাজ্য রয়েছে যেখানে মোট জনসংখ্যার অনুপাতে মুসলিমদের উপস্থিতি ১.৩৫ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ৫.৮৬ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ।

ভারতের সবচেয়ে কম মুসলিম যে ১০টি প্রদেশে - ভারতের প্রান্তিক সংখ্যালঘুদের বাস্তবতা

কিন্তু ভারতের মহারাষ্ট্রে পশ্চিমঘাট পর্বতমালার (Western Ghats) বুক চিরে এমন এক দুর্গ মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে, যাকে কেবল দুর্গ বললে ভুল হবে এ যেন পদে পদে মৃত্যুর হাতছানি আর মানুষের তৈরি এক অকল্পনীয় স্থাপত্যের অভূতপূর্ব মেলবন্ধন। বলছি কলাবন্তী দুর্গ (Kalavantin Durg)-এর কথা। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২,৩০০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত এই খাড়া পাথুরে শৃঙ্গটিকে অনেক ঐতিহাসিক ও অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমী "বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক দুর্গ" (World's Most Dangerous Fortress) কিংবা "স্বর্গের সিঁড়ি" (Stairway to Heaven) বলে অভিহিত করেন।

কিন্তু ভারতের মহারাষ্ট্রে পশ্চিমঘাট পর্বতমালার (Western Ghats) বুক চিরে এমন এক দুর্গ মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে, যাকে কেবল দুর্গ বললে ভুল হবে এ যেন পদে পদে মৃত্যুর হাতছানি আর মানুষের তৈরি এক অকল্পনীয় স্থাপত্যের অভূতপূর্ব মেলবন্ধন। বলছি কলাবন্তী দুর্গ (Kalavantin Durg)-এর কথা। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২,৩০০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত এই খাড়া পাথুরে শৃঙ্গটিকে অনেক ঐতিহাসিক ও অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমী "বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক দুর্গ" (World's Most Dangerous Fortress) কিংবা "স্বর্গের সিঁড়ি" (Stairway to Heaven) বলে অভিহিত করেন।

কেরালার প্রাকৃতিক রূপের কথা উঠলে যার নাম একদম শীর্ষভাগে চলে আসে, তা হলো থিসুর (বা ত্রিশূর) জেলায় অবস্থিত মহিমান্বিত আথিরাপল্লি জলপ্রপাত (Athirappilly Waterfalls)। এস এস রাজামৌলি পরিচালিত বিশ্বব্যাপী ব্লকবাস্টার সিনেমা 'বাহুবলী: দ্য বিগিনিং'-এর সেই পরাবাস্তব ও প্রকাণ্ড জলপ্রপাতের দৃশ্যের কথা কার না মনে আছে? সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্র শিবুডু যে বিশালাকার জলপ্রপাত বেয়ে ওপরে ওঠার দুঃসাহসিক চেষ্টা চালিয়েছিল এবং যেখানে ‘ধীবরা’ (Dhivara) গানটির চিত্রায়ণ করা হয়েছিল, সেই পরাবাস্তব দৃশ্যের মূল ক্যানভাস ছিল এই আথিরাপল্লি।

বাহুবলীখ্যাত আথিরাপল্লি জলপ্রপাত - ভারতের নায়াগ্রার রূপ ও বিশ্বখ্যাত হওয়ার গল্প

কেরালার প্রাকৃতিক রূপের কথা উঠলে যার নাম একদম শীর্ষভাগে চলে আসে, তা হলো থিসুর (বা ত্রিশূর) জেলায় অবস্থিত মহিমান্বিত আথিরাপল্লি জলপ্রপাত (Athirappilly Waterfalls)। এস এস রাজামৌলি পরিচালিত বিশ্বব্যাপী ব্লকবাস্টার সিনেমা 'বাহুবলী: দ্য বিগিনিং'-এর সেই পরাবাস্তব ও প্রকাণ্ড জলপ্রপাতের দৃশ্যের কথা কার না মনে আছে? সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্র শিবুডু যে বিশালাকার জলপ্রপাত বেয়ে ওপরে ওঠার দুঃসাহসিক চেষ্টা চালিয়েছিল এবং যেখানে ‘ধীবরা’ (Dhivara) গানটির চিত্রায়ণ করা হয়েছিল, সেই পরাবাস্তব দৃশ্যের মূল ক্যানভাস ছিল এই আথিরাপল্লি।

বাহুবলীখ্যাত আথিরাপল্লি জলপ্রপাত - ভারতের নায়াগ্রার রূপ ও বিশ্বখ্যাত হওয়ার গল্প

বিশ্বের সর্ববৃহৎ গণতন্ত্রের দেশ ভারত তার ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক বৈচিত্র্যের জন্য বিশ্বজুড়ে সুপরিচিত। ভৌগোলিক ও প্রশাসনিক বিচারে ভারত একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় ইউনিয়ন। ভারতের প্রশাসনিক ব্যবস্থা প্রধানত ২৮টি রাজ্য (States) এবং ৮টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল (Union Territories) এই মোট ৩৬টি প্রশাসনিক বিভাগে বিভক্ত। ধর্মভিত্তিক জনমিতি (Demographics) বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, হিন্দুধর্মের পর ইসলাম হলো ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম অনুসৃত ধর্ম। ভারতের ২০১১ সালের সর্বশেষ সরকারি আদমশুমারি (Census 2011) অনুযায়ী, দেশটির মোট মুসলিম জনসংখ্যা প্রায় ১৭.২২ কোটি (১৭২.২ মিলিয়ন), যা ভারতের মোট জনসংখ্যার ১৪.২৩%।

ভারতের সবচেয়ে বেশি মুসলিম যে ১০টি প্রদেশে - জনসংখ্যা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য

বিশ্বের সর্ববৃহৎ গণতন্ত্রের দেশ ভারত তার ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক বৈচিত্র্যের জন্য বিশ্বজুড়ে সুপরিচিত। ভৌগোলিক ও প্রশাসনিক বিচারে ভারত একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় ইউনিয়ন। ভারতের প্রশাসনিক ব্যবস্থা প্রধানত ২৮টি রাজ্য (States) এবং ৮টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল (Union Territories) এই মোট ৩৬টি প্রশাসনিক বিভাগে বিভক্ত। ধর্মভিত্তিক জনমিতি (Demographics) বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, হিন্দুধর্মের পর ইসলাম হলো ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম অনুসৃত ধর্ম। ভারতের ২০১১ সালের সর্বশেষ সরকারি আদমশুমারি (Census 2011) অনুযায়ী, দেশটির মোট মুসলিম জনসংখ্যা প্রায় ১৭.২২ কোটি (১৭২.২ মিলিয়ন), যা ভারতের মোট জনসংখ্যার ১৪.২৩%।

ভারতের সবচেয়ে বেশি মুসলিম যে ১০টি প্রদেশে - জনসংখ্যা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য

বিশ্ব অপরাধের ইতিহাসে এমন কিছু চরিত্রের আবির্ভাব ঘটেছে, যারা কেবল একটি নির্দিষ্ট শহর বা দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য হুমকি হয়ে থাকেনি; বরং নিজেদের অপরাধ সাম্রাজ্যকে এক বৈশ্বিক বহুজাতিক কর্পোরেশনে রূপান্তর করে আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতি ও নিরাপত্তার সমীকরণ বদলে দিয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার আন্ডারওয়ার্ল্ডে সেই কুখ্যাত তালিকার শীর্ষে যে নামটি উচ্চারিত হয়, তা হলো দাউদ ইব্রাহিম কাসকার।

দাউদ ইব্রাহিম 'ডি-কোম্পানি' - বোম্বে আন্ডারওয়ার্ল্ডের সর্বকালের ছায়া সম্রাট

বিশ্ব অপরাধের ইতিহাসে এমন কিছু চরিত্রের আবির্ভাব ঘটেছে, যারা কেবল একটি নির্দিষ্ট শহর বা দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য হুমকি হয়ে থাকেনি; বরং নিজেদের অপরাধ সাম্রাজ্যকে এক বৈশ্বিক বহুজাতিক কর্পোরেশনে রূপান্তর করে আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতি ও নিরাপত্তার সমীকরণ বদলে দিয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার আন্ডারওয়ার্ল্ডে সেই কুখ্যাত তালিকার শীর্ষে যে নামটি উচ্চারিত হয়, তা হলো দাউদ ইব্রাহিম কাসকার।

দাউদ ইব্রাহিম 'ডি-কোম্পানি' - বোম্বে আন্ডারওয়ার্ল্ডের সর্বকালের ছায়া সম্রাট

মধ্য এশিয়া থেকে বহুবার ভারতীয় সীমান্তে আছড়ে পড়েছিল মোঙ্গল আক্রমণের ঢেউ। কিন্তু ত্রয়োদশ শতাব্দীর শেষ এবং চতুর্দশ শতাব্দীর সূচনালগ্নে দিল্লি সালতানাতের অসামান্য সামরিক দক্ষতা ও দূরদর্শী রণকৌশলের কাছে বারবার আছড়ে পড়ে ব্যর্থ হয় বিশ্বত্রাস মোঙ্গল বাহিনী। আর এই ঐতিহাসিক প্রতিরোধের নায়ক ছিলেন দিল্লি সালতানাতের অন্যতম প্রভাবশালী ও শক্তিশালী শাসক সুলতান আলাউদ্দিন খিলজি (Sultan Alauddin Khilji)।

সুলতান আলাউদ্দিন খিলজি - যিনি ৬ বার মোঙ্গলদের পরাজিত করেছিলেন

মধ্য এশিয়া থেকে বহুবার ভারতীয় সীমান্তে আছড়ে পড়েছিল মোঙ্গল আক্রমণের ঢেউ। কিন্তু ত্রয়োদশ শতাব্দীর শেষ এবং চতুর্দশ শতাব্দীর সূচনালগ্নে দিল্লি সালতানাতের অসামান্য সামরিক দক্ষতা ও দূরদর্শী রণকৌশলের কাছে বারবার আছড়ে পড়ে ব্যর্থ হয় বিশ্বত্রাস মোঙ্গল বাহিনী। আর এই ঐতিহাসিক প্রতিরোধের নায়ক ছিলেন দিল্লি সালতানাতের অন্যতম প্রভাবশালী ও শক্তিশালী শাসক সুলতান আলাউদ্দিন খিলজি (Sultan Alauddin Khilji)।

সুলতান আলাউদ্দিন খিলজি - যিনি ৬ বার মোঙ্গলদের পরাজিত করেছিলেন

এক রাতে ব্রিটিশ রাজদণ্ড গুটিয়ে নেওয়ার সময় মানচিত্রের ওপর ভুলভাল আঁচড় কেটে প্রায় দেড় কোটি মানুষকে শরণার্থী হতে বাধ্য করা হয়েছিল। ভিটামাটি ছেড়ে যখন বাপদাদার শেষ স্মৃতিটুকু পেছনে ফেলে অশ্রুসজল চোখে শত শত মাইল হেঁটে যেতে হয়েছে, তখন এই বাস্তুহারা মানুষদের মনে একটিই প্রশ্ন বারবার জেগেছে "আমাদের অপরাধ কী ছিল?"

সিলেটের করিমগঞ্জ যেভাবে ভারতের অন্তর্ভুক্ত হলো - গণভোট ও বিতর্কিত দেশভাগ

এক রাতে ব্রিটিশ রাজদণ্ড গুটিয়ে নেওয়ার সময় মানচিত্রের ওপর ভুলভাল আঁচড় কেটে প্রায় দেড় কোটি মানুষকে শরণার্থী হতে বাধ্য করা হয়েছিল। ভিটামাটি ছেড়ে যখন বাপদাদার শেষ স্মৃতিটুকু পেছনে ফেলে অশ্রুসজল চোখে শত শত মাইল হেঁটে যেতে হয়েছে, তখন এই বাস্তুহারা মানুষদের মনে একটিই প্রশ্ন বারবার জেগেছে "আমাদের অপরাধ কী ছিল?"

সিলেটের করিমগঞ্জ যেভাবে ভারতের অন্তর্ভুক্ত হলো - গণভোট ও বিতর্কিত দেশভাগ

এশিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির এই দেশটির ঝুলিতে রয়েছে বিশ্বমানের প্রযুক্তি, ম্যানুফ্যাকচারিং হাব, কৃষির সমৃদ্ধি ও বিশাল আর্থিক বাজার। তবে ভারতের এই সামগ্রিক জিডিপি (GDP) প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে তার অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক ইউনিটগুলো। সংবিধানগতভাবে ভারতে কোনো পৃথক 'প্রদেশ' শব্দ ব্যবহৃত হয় না; বরং ভারত হলো ২৮টি রাজ্য (States) এবং ৮টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের (Union Territories) সমন্বয়ে গঠিত এক যুক্তরাষ্ট্রীয় ইউনিয়ন (মোট ৩৬টি প্রশাসনিক বিভাগ)।

ভারতের সবচেয়ে বেশি ধনী যে ১০টি প্রদেশ - অর্থনৈতিক শিল্প ভিত্তি ও জিএসডিপি

এশিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির এই দেশটির ঝুলিতে রয়েছে বিশ্বমানের প্রযুক্তি, ম্যানুফ্যাকচারিং হাব, কৃষির সমৃদ্ধি ও বিশাল আর্থিক বাজার। তবে ভারতের এই সামগ্রিক জিডিপি (GDP) প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে তার অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক ইউনিটগুলো। সংবিধানগতভাবে ভারতে কোনো পৃথক 'প্রদেশ' শব্দ ব্যবহৃত হয় না; বরং ভারত হলো ২৮টি রাজ্য (States) এবং ৮টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের (Union Territories) সমন্বয়ে গঠিত এক যুক্তরাষ্ট্রীয় ইউনিয়ন (মোট ৩৬টি প্রশাসনিক বিভাগ)।

ভারতের সবচেয়ে বেশি ধনী যে ১০টি প্রদেশ - অর্থনৈতিক শিল্প ভিত্তি ও জিএসডিপি

ইতিহাসের রঙ্গমঞ্চে বহু রাজবংশের উত্থান ও পতন ঘটেছে। কিন্তু শৃঙ্খলাবদ্ধ ক্রীতদাসের শৃৃঙ্খল ভেঙে সুবিশাল এক সাম্রাজ্যের ভাগ্যবিধাতা হয়ে ওঠার গল্প কেবল মধ্যযুগের ভারতেই দেখা যায়। ১২০৬ থেকে ১২৯০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত বিস্তৃত দিল্লির 'দাস বংশ' বা 'মামলুক সালতানাত'-এর ইতিহাস কোনো সাধারণ রাজবংশের ইতিহাস নয়; এটি অদম্য সাহস, সামরিক মেধা, রাজনৈতিক দূরদর্শিতা এবং প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে মানবশক্তির বিজয়ের এক মহাকাব্য।

দিল্লির ‘দাস বংশ’ মামলুক সালতানাত - দাসরা যখন দিল্লির সাম্রাজ্যের অধিপতি হয়েছিল

ইতিহাসের রঙ্গমঞ্চে বহু রাজবংশের উত্থান ও পতন ঘটেছে। কিন্তু শৃঙ্খলাবদ্ধ ক্রীতদাসের শৃৃঙ্খল ভেঙে সুবিশাল এক সাম্রাজ্যের ভাগ্যবিধাতা হয়ে ওঠার গল্প কেবল মধ্যযুগের ভারতেই দেখা যায়। ১২০৬ থেকে ১২৯০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত বিস্তৃত দিল্লির 'দাস বংশ' বা 'মামলুক সালতানাত'-এর ইতিহাস কোনো সাধারণ রাজবংশের ইতিহাস নয়; এটি অদম্য সাহস, সামরিক মেধা, রাজনৈতিক দূরদর্শিতা এবং প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে মানবশক্তির বিজয়ের এক মহাকাব্য।

দিল্লির ‘দাস বংশ’ মামলুক সালতানাত - দাসরা যখন দিল্লির সাম্রাজ্যের অধিপতি হয়েছিল

বিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম বীর সেনানী, বিপ্লবের পুরোধা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার মূর্ত প্রতীক ছিলেন শহীদ আশফাকউল্লা খান (Ashfaqulla Khan)। ১৯২০-এর দশকে যখন ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে সারা ভারত জুড়ে অসন্তোষের দাবানল জ্বলছিল, তখন মহাত্মা গান্ধীর অহিংস আদর্শ ছেড়ে অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিলেন একদল দুঃসাহসী যুবক। তাদের লক্ষ্য ছিল অন্যায় ও শোষণের বিরুদ্ধে সশস্ত্র বিপ্লব, ব্রিটিশ রাজের পতন এবং সার্বজনীন ভোটাধিকারভিত্তিক এক শোষণে মুক্ত স্বাধীন ভারত গঠন।

শহীদ আশফাকউল্লা খান - যে মুসলিমের রক্তে রাঙানো ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম

বিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম বীর সেনানী, বিপ্লবের পুরোধা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার মূর্ত প্রতীক ছিলেন শহীদ আশফাকউল্লা খান (Ashfaqulla Khan)। ১৯২০-এর দশকে যখন ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে সারা ভারত জুড়ে অসন্তোষের দাবানল জ্বলছিল, তখন মহাত্মা গান্ধীর অহিংস আদর্শ ছেড়ে অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিলেন একদল দুঃসাহসী যুবক। তাদের লক্ষ্য ছিল অন্যায় ও শোষণের বিরুদ্ধে সশস্ত্র বিপ্লব, ব্রিটিশ রাজের পতন এবং সার্বজনীন ভোটাধিকারভিত্তিক এক শোষণে মুক্ত স্বাধীন ভারত গঠন।

শহীদ আশফাকউল্লা খান - যে মুসলিমের রক্তে রাঙানো ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম

সেই অগ্নিপরীক্ষায় যেসব মহাপ্রাণ ব্যক্তিত্ব নিজেদের আদর্শ, সততা এবং অকৃত্রিম দেশপ্রেমের পরিচয় দিয়ে অমর হয়ে আছেন, তাঁদের মধ্যে সর্বাগ্রে উচ্চারিত হয় ব্রিগেডিয়ার মোহাম্মদ উসমান (মহাবীর চক্র)-এর নাম। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর পক্ষ থেকে সরাসরি সেনা প্রধান (Army Chief) হওয়ার মতো স্বপ্নের মতো লোভনীয় প্রস্তাব পকেটে রেখেও যিনি অবলীলায় তা প্রত্যাখ্যান করেছিলেন, এবং ধর্মনিরপেক্ষ ও সার্বভৌম ভারতের জন্য রণাঙ্গনে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন তিনিই ইতিহাসের সেই কিংবদন্তি নায়ক, যাঁকে বিশ্ব চেনে ‘লায়ন অব নওশেরা’ (নওশেরার সিংহ) নামে।

ব্রিগেডিয়ার মোহাম্মদ উসমান - পাকিস্তানের যে প্রস্তাব প্রত্যাখান করেন 'লায়ন অব নওশেরা'

সেই অগ্নিপরীক্ষায় যেসব মহাপ্রাণ ব্যক্তিত্ব নিজেদের আদর্শ, সততা এবং অকৃত্রিম দেশপ্রেমের পরিচয় দিয়ে অমর হয়ে আছেন, তাঁদের মধ্যে সর্বাগ্রে উচ্চারিত হয় ব্রিগেডিয়ার মোহাম্মদ উসমান (মহাবীর চক্র)-এর নাম। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর পক্ষ থেকে সরাসরি সেনা প্রধান (Army Chief) হওয়ার মতো স্বপ্নের মতো লোভনীয় প্রস্তাব পকেটে রেখেও যিনি অবলীলায় তা প্রত্যাখ্যান করেছিলেন, এবং ধর্মনিরপেক্ষ ও সার্বভৌম ভারতের জন্য রণাঙ্গনে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন তিনিই ইতিহাসের সেই কিংবদন্তি নায়ক, যাঁকে বিশ্ব চেনে ‘লায়ন অব নওশেরা’ (নওশেরার সিংহ) নামে।

ব্রিগেডিয়ার মোহাম্মদ উসমান - পাকিস্তানের যে প্রস্তাব প্রত্যাখান করেন 'লায়ন অব নওশেরা'

১৯০৫ সালের ১৬ই অক্টোবর কার্যকর হওয়া বঙ্গভঙ্গ ভারতবর্ষের রাজনৈতিক ও সামাজিক ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম মোড় পরিবর্তনকারী ঘটনা। তৎকালীন অবিভক্ত বাংলার ভূ-রাজনৈতিক পুনর্গঠন কেবল একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ছিল না; বরং এটি ছিল ঔপনিবেশিক ভারতের সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের এক ঐতিহাসিক টার্নিং পয়েন্ট।

বঙ্গভঙ্গ ১৯০৫ - বাংলার মুসলিমদের জন্য আশির্বাদ ও কলকাতার হিন্দুদের জন্য অভিশাপ

১৯০৫ সালের ১৬ই অক্টোবর কার্যকর হওয়া বঙ্গভঙ্গ ভারতবর্ষের রাজনৈতিক ও সামাজিক ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম মোড় পরিবর্তনকারী ঘটনা। তৎকালীন অবিভক্ত বাংলার ভূ-রাজনৈতিক পুনর্গঠন কেবল একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ছিল না; বরং এটি ছিল ঔপনিবেশিক ভারতের সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের এক ঐতিহাসিক টার্নিং পয়েন্ট।

বঙ্গভঙ্গ ১৯০৫ - বাংলার মুসলিমদের জন্য আশির্বাদ ও কলকাতার হিন্দুদের জন্য অভিশাপ

যার ফোনের রিং বাজলে রূপালী পর্দার ‘অ্যাগ্রিসিভ হিরো’ কিংবা অ্যাকশন তারকারা সুবোধ বালকের মতো কাঁপা কাঁপা গলায় হুকুম তামিল করতেন, সালমান খান বা শাহরুখ খানের মতো মেগাস্টারদের বুকে জমে উঠতো হিমশীতল ভয়, সুভাষ ঘাইয়ের মতো আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন পরিচালক নিজের জীবন বাঁচাতে আড়ালে চাঁদা গুনে দিতেন, এবং মনীষা কৈরালার মতো গ্ল্যামারাস নায়িকার চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় খুন হতে হতো তাঁর ব্যক্তিগত সহকারীকে তিনিই ছিলেন নব্বইয়ের দশকের বোম্বাই আন্ডারওয়ার্ল্ডের কুখ্যাত অধিপতি আবু সালেম (Abu Salem)।

আবু সালেম - বলিউডের প্রকৃত ডন ও অন্দরমহলের মূর্তিমান আতঙ্ক

যার ফোনের রিং বাজলে রূপালী পর্দার ‘অ্যাগ্রিসিভ হিরো’ কিংবা অ্যাকশন তারকারা সুবোধ বালকের মতো কাঁপা কাঁপা গলায় হুকুম তামিল করতেন, সালমান খান বা শাহরুখ খানের মতো মেগাস্টারদের বুকে জমে উঠতো হিমশীতল ভয়, সুভাষ ঘাইয়ের মতো আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন পরিচালক নিজের জীবন বাঁচাতে আড়ালে চাঁদা গুনে দিতেন, এবং মনীষা কৈরালার মতো গ্ল্যামারাস নায়িকার চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় খুন হতে হতো তাঁর ব্যক্তিগত সহকারীকে তিনিই ছিলেন নব্বইয়ের দশকের বোম্বাই আন্ডারওয়ার্ল্ডের কুখ্যাত অধিপতি আবু সালেম (Abu Salem)।

আবু সালেম - বলিউডের প্রকৃত ডন ও অন্দরমহলের মূর্তিমান আতঙ্ক

সত্তরের দশকের দাউদ ইব্রাহিম কিংবা ভাই-সংস্কৃতির অনেক আগে যখন বোম্বাইয়ে আধুনিক আগ্নেয়াস্ত্রের অনুপ্রবেশ ঘটেছিল খুব সামান্যই তখন বোম্বাই আন্ডারওয়ার্ল্ডে একক আধিপত্য ছিল এক বিশালদেহী, দীর্ঘকায় পশতুন নেতার। তিনি করিম লালা। পুরো নাম আব্দুল করিম শের খান। ১৯২০-এর দশকে খালি হাতে বোম্বাই ডকে পা রাখা এক সাধারণ কুলি থেকে শুরু করে দক্ষিণ বোম্বাইয়ের অধিপতি হওয়া তাঁর জীবনকাহিনী যেন এক মহাকাব্যিক থ্রিলার।

করিম লালা - বোম্বাই আন্ডারওয়ার্ল্ডের আদি গডফাদার ও পাঠান গ্যাং সাম্রাজ্য

সত্তরের দশকের দাউদ ইব্রাহিম কিংবা ভাই-সংস্কৃতির অনেক আগে যখন বোম্বাইয়ে আধুনিক আগ্নেয়াস্ত্রের অনুপ্রবেশ ঘটেছিল খুব সামান্যই তখন বোম্বাই আন্ডারওয়ার্ল্ডে একক আধিপত্য ছিল এক বিশালদেহী, দীর্ঘকায় পশতুন নেতার। তিনি করিম লালা। পুরো নাম আব্দুল করিম শের খান। ১৯২০-এর দশকে খালি হাতে বোম্বাই ডকে পা রাখা এক সাধারণ কুলি থেকে শুরু করে দক্ষিণ বোম্বাইয়ের অধিপতি হওয়া তাঁর জীবনকাহিনী যেন এক মহাকাব্যিক থ্রিলার।

করিম লালা - বোম্বাই আন্ডারওয়ার্ল্ডের আদি গডফাদার ও পাঠান গ্যাং সাম্রাজ্য

হিন্দু বা সনাতন ধর্মে প্রাত্যহিক জীবনের আচার-অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে শাস্ত্রীয় দর্শন সবক্ষেত্রেই প্রকৃতির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের এক গভীর ও সূক্ষ্ম ঐতিহ্য বিদ্যমান। আর এই প্রকৃতির প্রতি শ্রদ্ধাবোধের কেন্দ্রে যে প্রাণীটি সবচেয়ে বেশি মহিমান্বিত ও পূজনীয় আসনে অধিষ্ঠিত, তা হলো গরু। সনাতন ধর্মে গরুকে কেবল একটি গৃহপালিত চতুষ্পদ প্রাণী বা পশুখাদ্য হিসেবে দেখা হয় না; বরং তাকে বিবেচনা করা হয় 'গো-মাতা' (মা সমতুল্য জীব), জীবনের প্রতীক এবং সমস্ত ঐশ্বরিক শক্তির আধার হিসেবে।

সনাতন সংস্কৃতিতে 'গো-মাতা' - হিন্দুরা কেন গরুর মাংস খায় না?

হিন্দু বা সনাতন ধর্মে প্রাত্যহিক জীবনের আচার-অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে শাস্ত্রীয় দর্শন সবক্ষেত্রেই প্রকৃতির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের এক গভীর ও সূক্ষ্ম ঐতিহ্য বিদ্যমান। আর এই প্রকৃতির প্রতি শ্রদ্ধাবোধের কেন্দ্রে যে প্রাণীটি সবচেয়ে বেশি মহিমান্বিত ও পূজনীয় আসনে অধিষ্ঠিত, তা হলো গরু। সনাতন ধর্মে গরুকে কেবল একটি গৃহপালিত চতুষ্পদ প্রাণী বা পশুখাদ্য হিসেবে দেখা হয় না; বরং তাকে বিবেচনা করা হয় 'গো-মাতা' (মা সমতুল্য জীব), জীবনের প্রতীক এবং সমস্ত ঐশ্বরিক শক্তির আধার হিসেবে।

সনাতন সংস্কৃতিতে 'গো-মাতা' - হিন্দুরা কেন গরুর মাংস খায় না?

বাংলার নবাব আলীবর্দী খাঁ (১৬৭১–১৭৫৬) হলেন সেই বিরল ও দুর্ভাগ্যজনক ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বদের একজন, যাঁর অসামান্য সামরিক মেধা, ভূ-রাজনৈতিক দূরদর্শিতা এবং এক দশকব্যাপী অদম্য প্রতিরোধ সংগ্রামকে আধুনিক জনপ্রিয় সংস্কৃতি সম্পূর্ণ আড়াল করে দিয়েছে। আজকের দিনের সাধারণ পাঠক বা শিশু-কিশোরদের কাছে নবাব আলীবর্দী খাঁ বলতেই ভেসে ওঠে ‘গোপাল ভাঁড়’-এর কার্টুন, নাটক কিংবা টেলিভিশন সিরিজের দৃশ্যপট। সেখানে তাঁকে দেখানো হয় একজন স্থূলবুদ্ধির, অতি-রাগী, চাটুকার পরিবেষ্টিত এবং গোপাল ভাঁড়ের অতি-সাধারণ চালাকির কাছে বারবার অপদস্থ হওয়া এক দুর্বল নবাব হিসেবে।

নবাব আলীবর্দী খাঁ বনাম গোপাল ভাড় কার্টুন - লোককাহিনির আড়ালে ঢাকা বীর রাষ্ট্রনায়ক

বাংলার নবাব আলীবর্দী খাঁ (১৬৭১–১৭৫৬) হলেন সেই বিরল ও দুর্ভাগ্যজনক ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বদের একজন, যাঁর অসামান্য সামরিক মেধা, ভূ-রাজনৈতিক দূরদর্শিতা এবং এক দশকব্যাপী অদম্য প্রতিরোধ সংগ্রামকে আধুনিক জনপ্রিয় সংস্কৃতি সম্পূর্ণ আড়াল করে দিয়েছে। আজকের দিনের সাধারণ পাঠক বা শিশু-কিশোরদের কাছে নবাব আলীবর্দী খাঁ বলতেই ভেসে ওঠে ‘গোপাল ভাঁড়’-এর কার্টুন, নাটক কিংবা টেলিভিশন সিরিজের দৃশ্যপট। সেখানে তাঁকে দেখানো হয় একজন স্থূলবুদ্ধির, অতি-রাগী, চাটুকার পরিবেষ্টিত এবং গোপাল ভাঁড়ের অতি-সাধারণ চালাকির কাছে বারবার অপদস্থ হওয়া এক দুর্বল নবাব হিসেবে।

নবাব আলীবর্দী খাঁ বনাম গোপাল ভাড় কার্টুন - লোককাহিনির আড়ালে ঢাকা বীর রাষ্ট্রনায়ক

মহাকাব্য রামায়ণের অনন্য ও নাটকীয় অধ্যায় হলো কিষ্কিন্ধাকাণ্ড। এটি কেবল দুটি ভ্রাতার ক্ষমতা দখলের উপাখ্যান নয়, বরং ভ্রাতৃপ্রেম, ভুল বোঝাবুঝি, রাজধর্ম, অহংকার এবং ঈশ্বরপ্রদত্ত শরণাগতির এক মহাকাব্যিক দলিল। এই অধ্যায়ের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন বানর রাজপরিবারের দুই সিংহপুরুষ স্বর্গের দেবরাজ ইন্দ্রের পুত্র মহাবীর বালী (প্রচলিত বাংলায় 'বলি') এবং সূর্যদেবের পুত্র সুগ্রীব।

মহাবীর বালী ও সুগ্রীবের ভ্রাতৃঘাতী দ্বন্দ্ব - রামায়ণের বানর রাজপরিবার

মহাকাব্য রামায়ণের অনন্য ও নাটকীয় অধ্যায় হলো কিষ্কিন্ধাকাণ্ড। এটি কেবল দুটি ভ্রাতার ক্ষমতা দখলের উপাখ্যান নয়, বরং ভ্রাতৃপ্রেম, ভুল বোঝাবুঝি, রাজধর্ম, অহংকার এবং ঈশ্বরপ্রদত্ত শরণাগতির এক মহাকাব্যিক দলিল। এই অধ্যায়ের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন বানর রাজপরিবারের দুই সিংহপুরুষ স্বর্গের দেবরাজ ইন্দ্রের পুত্র মহাবীর বালী (প্রচলিত বাংলায় 'বলি') এবং সূর্যদেবের পুত্র সুগ্রীব।

মহাবীর বালী ও সুগ্রীবের ভ্রাতৃঘাতী দ্বন্দ্ব - রামায়ণের বানর রাজপরিবার

বিশ্বমঞ্চে দ্রুত ধাবমান ভারতের একদিকে যেমন রয়েছে আধুনিক প্রযুক্তির প্রসার, সামরিক সক্ষমতা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, অন্যদিকে তেমনি রয়েছে তীব্র আঞ্চলিক বৈষম্য ও দারিদ্র্যের রূঢ় বাস্তব রূপ। ভারতের অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক কাঠামোকে বুঝতে গেলে প্রথমেই একটি বিষয় পরিষ্কার করা প্রয়োজন সংবিধানগতভাবে ভারতে 'প্রদেশ' শব্দটির পরিবর্তে 'রাজ্য' (States) এবং 'কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল' (Union Territories) ব্যবহৃত হয়। বর্তমানে ভারতে ২৮টি রাজ্য এবং ৮টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল মিলিয়ে মোট ৩৬টি প্রশাসনিক ইউনিট রয়েছে।

ভারতের সবচেয়ে বেশি দরিদ্র যে ১০টি প্রদেশ - আঞ্চলিক বৈষম্য ও অর্থনৈতিক বাস্তবতা

বিশ্বমঞ্চে দ্রুত ধাবমান ভারতের একদিকে যেমন রয়েছে আধুনিক প্রযুক্তির প্রসার, সামরিক সক্ষমতা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, অন্যদিকে তেমনি রয়েছে তীব্র আঞ্চলিক বৈষম্য ও দারিদ্র্যের রূঢ় বাস্তব রূপ। ভারতের অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক কাঠামোকে বুঝতে গেলে প্রথমেই একটি বিষয় পরিষ্কার করা প্রয়োজন সংবিধানগতভাবে ভারতে 'প্রদেশ' শব্দটির পরিবর্তে 'রাজ্য' (States) এবং 'কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল' (Union Territories) ব্যবহৃত হয়। বর্তমানে ভারতে ২৮টি রাজ্য এবং ৮টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল মিলিয়ে মোট ৩৬টি প্রশাসনিক ইউনিট রয়েছে।

ভারতের সবচেয়ে বেশি দরিদ্র যে ১০টি প্রদেশ - আঞ্চলিক বৈষম্য ও অর্থনৈতিক বাস্তবতা

মহাকাব্য রামায়ণের অজস্র চরিত্রের মধ্যে বিভীষণ অন্যতম জটিল, মনস্তাত্ত্বিক অন্তর্দ্বন্দ্বে পূর্ণ এবং নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে চরম বিতর্কিত এক ব্যক্তিত্ব। লোকসংস্কৃতিতে তিনি একদিকে যেমন পরিচিত "ঘরের শত্রু বিভীষণ" নামক নেতিবাচক প্রবাদের প্রতীক হিসেবে, অন্যদিকে উচ্চ বৈদিক ও আধ্যাত্মিক বিচারে তিনি পরমেশ্বরের ভক্তি, অধর্মের প্ররোচনা জয়ী পরম সত্য এবং সর্বস্ব ত্যাগের এক অনন্য দিকপাল। রাক্ষসরাজ রাবণের আপন কনিষ্ঠ ভ্রাতা হওয়া সত্ত্বেও বিভীষণ লঙ্কার ভোগবিলাস, অহংকার ও পাপাচারের তমো আচ্ছন্ন রাজ্যে বাস করেও নিজের অন্তরে সাত্ত্বিক চেতনা প্রজ্জ্বলিত রেখেছিলেন।

ঘরের শত্রু বিভীষণ - রামায়ণের ধর্মপরায়ণ চরিত্র নাকি রাজ্যদ্রোহী?

মহাকাব্য রামায়ণের অজস্র চরিত্রের মধ্যে বিভীষণ অন্যতম জটিল, মনস্তাত্ত্বিক অন্তর্দ্বন্দ্বে পূর্ণ এবং নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে চরম বিতর্কিত এক ব্যক্তিত্ব। লোকসংস্কৃতিতে তিনি একদিকে যেমন পরিচিত "ঘরের শত্রু বিভীষণ" নামক নেতিবাচক প্রবাদের প্রতীক হিসেবে, অন্যদিকে উচ্চ বৈদিক ও আধ্যাত্মিক বিচারে তিনি পরমেশ্বরের ভক্তি, অধর্মের প্ররোচনা জয়ী পরম সত্য এবং সর্বস্ব ত্যাগের এক অনন্য দিকপাল। রাক্ষসরাজ রাবণের আপন কনিষ্ঠ ভ্রাতা হওয়া সত্ত্বেও বিভীষণ লঙ্কার ভোগবিলাস, অহংকার ও পাপাচারের তমো আচ্ছন্ন রাজ্যে বাস করেও নিজের অন্তরে সাত্ত্বিক চেতনা প্রজ্জ্বলিত রেখেছিলেন।

ঘরের শত্রু বিভীষণ - রামায়ণের ধর্মপরায়ণ চরিত্র নাকি রাজ্যদ্রোহী?

সোনা চোরাচালান, জমি দখল, সুপারি কিলিং আর কোটি কোটি টাকার আন্ডারওয়ার্ল্ড তোলাবাজি বা 'হাফতা' আদায়ে কাঁপছিল পুরো শহর। দাউদ ইব্রাহিম, ছোট রাজন, অরুণ গাভলী, বরদরাজন মুদালিয়ার আর আশরাফ প্যাটেলদের মতো গডফাদারদের নাম তখন সাধারণ মানুষের মুখে মুখে। এই অন্ধকার জগতেরই এক উজ্জ্বল কিন্তু অত্যন্ত ক্ষণস্থায়ী ও রক্তক্ষয়ী ধুমকেতুর নাম ছিল মহিন্দ্র দোলাস, যিনি অপরাধ জগতে 'মায়া দোলাস' নামে পরিচিত ছিলেন। মাত্র ২৫ বছর বয়সে আততায়ীর বুলেটে ঝাঁঝরা হয়ে যাওয়া মায়া দোলাস ছিলেন তৎকালীন মুম্বাইয়ের অন্যতম হিংস্র, অহংকারী ও বেপরোয়া শুটার।

মায়া দোলাস - মুম্বাই আন্ডারওয়ার্ল্ডের সন্ত্রাস ও রক্তক্ষয়ী লোকান্ডওয়ালা এনকাউন্টার

সোনা চোরাচালান, জমি দখল, সুপারি কিলিং আর কোটি কোটি টাকার আন্ডারওয়ার্ল্ড তোলাবাজি বা 'হাফতা' আদায়ে কাঁপছিল পুরো শহর। দাউদ ইব্রাহিম, ছোট রাজন, অরুণ গাভলী, বরদরাজন মুদালিয়ার আর আশরাফ প্যাটেলদের মতো গডফাদারদের নাম তখন সাধারণ মানুষের মুখে মুখে। এই অন্ধকার জগতেরই এক উজ্জ্বল কিন্তু অত্যন্ত ক্ষণস্থায়ী ও রক্তক্ষয়ী ধুমকেতুর নাম ছিল মহিন্দ্র দোলাস, যিনি অপরাধ জগতে 'মায়া দোলাস' নামে পরিচিত ছিলেন। মাত্র ২৫ বছর বয়সে আততায়ীর বুলেটে ঝাঁঝরা হয়ে যাওয়া মায়া দোলাস ছিলেন তৎকালীন মুম্বাইয়ের অন্যতম হিংস্র, অহংকারী ও বেপরোয়া শুটার।

মায়া দোলাস - মুম্বাই আন্ডারওয়ার্ল্ডের সন্ত্রাস ও রক্তক্ষয়ী লোকান্ডওয়ালা এনকাউন্টার

রামায়ণের সুবিশাল ক্যানভাসে সীতার অগ্নিপরীক্ষা, লক্ষ্মণের ত্যাগ, কিংবা রাবণের পণ্ডিত্য ও অহংকার নিয়ে হাজার বছর ধরে চর্চা হয়েছে। অথচ এই সুবিশাল মহাকাব্যের অক্ষি গোলকে যে চরিত্রটি একাই লঙ্কাকাণ্ডের মতো বিধ্বংসী মহাযুদ্ধের সূত্রপাত ঘটিয়েছিল, সেই চরিত্রটিকে ইতিহাস কেবল চিহ্নিত করেছে এক ‘কুৎসিত, কামাতুর ও হিংস্র রাক্ষসী’ হিসেবে। তিনি সুর্পণখা।

সুর্পণখা - রামায়ণের ট্র্যাজিক চরিত্র ও মহাকাব্যের অপরাজিত আকাঙ্ক্ষা

রামায়ণের সুবিশাল ক্যানভাসে সীতার অগ্নিপরীক্ষা, লক্ষ্মণের ত্যাগ, কিংবা রাবণের পণ্ডিত্য ও অহংকার নিয়ে হাজার বছর ধরে চর্চা হয়েছে। অথচ এই সুবিশাল মহাকাব্যের অক্ষি গোলকে যে চরিত্রটি একাই লঙ্কাকাণ্ডের মতো বিধ্বংসী মহাযুদ্ধের সূত্রপাত ঘটিয়েছিল, সেই চরিত্রটিকে ইতিহাস কেবল চিহ্নিত করেছে এক ‘কুৎসিত, কামাতুর ও হিংস্র রাক্ষসী’ হিসেবে। তিনি সুর্পণখা।

সুর্পণখা - রামায়ণের ট্র্যাজিক চরিত্র ও মহাকাব্যের অপরাজিত আকাঙ্ক্ষা

দক্ষিণ বোম্বাইয়ের পাঠান গ্যাং এবং পরবর্তীতে দাউদ ইব্রাহিমের 'ডি-কোম্পানি'র দাপটে যখন পুরো শহর কাঁপছিল, তখন তিলক নগরের এক মারাঠি তরুণের উত্থান বোম্বাই আন্ডারওয়ার্ল্ডের সমীকরণ চিরতরে বদলে দেয়। তিনি রাজেন্দ্র সদাশিব নিকালজে, যিনি অপরাধ জগতে পরিচিত লাভ করেন 'ছোট রাজন' নামে। এক সময় বোম্বাই সিনেমাহলের টিকিট কালোবাজারি থেকে শুরু করে ডি-কোম্পানির সেকেন্ড-ইন-কমান্ড হওয়া, আর পরবর্তীতে ১৯৯৩ সালের বিস্ফোরণের পর দাউদের সাথে সম্পর্ক ছেদ করে নিজেকে "দেশপ্রেমিক হিন্দু ডন" হিসেবে উপস্থাপন করা।

ছোট রাজন - মুম্বাই আন্ডারওয়ার্ল্ডের 'দেশপ্রেমিক ডন' ও ডি-কোম্পানি বিভাজন

দক্ষিণ বোম্বাইয়ের পাঠান গ্যাং এবং পরবর্তীতে দাউদ ইব্রাহিমের 'ডি-কোম্পানি'র দাপটে যখন পুরো শহর কাঁপছিল, তখন তিলক নগরের এক মারাঠি তরুণের উত্থান বোম্বাই আন্ডারওয়ার্ল্ডের সমীকরণ চিরতরে বদলে দেয়। তিনি রাজেন্দ্র সদাশিব নিকালজে, যিনি অপরাধ জগতে পরিচিত লাভ করেন 'ছোট রাজন' নামে। এক সময় বোম্বাই সিনেমাহলের টিকিট কালোবাজারি থেকে শুরু করে ডি-কোম্পানির সেকেন্ড-ইন-কমান্ড হওয়া, আর পরবর্তীতে ১৯৯৩ সালের বিস্ফোরণের পর দাউদের সাথে সম্পর্ক ছেদ করে নিজেকে "দেশপ্রেমিক হিন্দু ডন" হিসেবে উপস্থাপন করা।

ছোট রাজন - মুম্বাই আন্ডারওয়ার্ল্ডের 'দেশপ্রেমিক ডন' ও ডি-কোম্পানি বিভাজন

চলচ্চিত্রের ক্যানভাসে আমরা যখন সাদা সুতির বা সিল্কের স্যুট পরিহিত, হাতে দামী সিগারেট এবং সাদা মার্সিডিজ গাড়ি থেকে নেমে আসা কোনো গ্ল্যামারাস মাফিয়া ডনকে দেখি, তখন হয়তো অনেকেই ভাবি এটি কোনো চিত্রনাট্যকারের কাল্পনিক সৃজনশীলতা। কিন্তু ১৯৭০-এর দশকের বোম্বে (বর্তমান মুম্বাই) শহরের দিকে তাকালে দেখা যাবে, এই কাল্পনিক রূপকের পেছনে দাঁড়িয়ে ছিলেন এক রক্তমাংসের মানুষ মাস্তান হায়দার মির্জা, যিনি গোটা উপমহাদেশে একনামে পরিচিত ছিলেন 'হাজী মাস্তান' নামে।

বোম্বে আন্ডারওয়ার্ল্ডের প্রথম ডন হাজী মাস্তান - কুলি থেকে অপরাধ সাম্রাজ্যের সম্রাট

চলচ্চিত্রের ক্যানভাসে আমরা যখন সাদা সুতির বা সিল্কের স্যুট পরিহিত, হাতে দামী সিগারেট এবং সাদা মার্সিডিজ গাড়ি থেকে নেমে আসা কোনো গ্ল্যামারাস মাফিয়া ডনকে দেখি, তখন হয়তো অনেকেই ভাবি এটি কোনো চিত্রনাট্যকারের কাল্পনিক সৃজনশীলতা। কিন্তু ১৯৭০-এর দশকের বোম্বে (বর্তমান মুম্বাই) শহরের দিকে তাকালে দেখা যাবে, এই কাল্পনিক রূপকের পেছনে দাঁড়িয়ে ছিলেন এক রক্তমাংসের মানুষ মাস্তান হায়দার মির্জা, যিনি গোটা উপমহাদেশে একনামে পরিচিত ছিলেন 'হাজী মাস্তান' নামে।

বোম্বে আন্ডারওয়ার্ল্ডের প্রথম ডন হাজী মাস্তান - কুলি থেকে অপরাধ সাম্রাজ্যের সম্রাট

১৯৪৭ সালের আগস্ট মাস। ভারতীয় উপমহাদেশজুড়ে তখন এক অভূতপূর্ব ঐতিহাসিক উন্মাদনা ও অশ্রুসজল বিদায়ের ক্ষণ। প্রায় দু’শো বছরের ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের যবনিকা ঘটিয়ে জন্ম নিচ্ছে দুটি নতুন রাষ্ট্র ভারত ও পাকিস্তান। কিন্তু সীমান্ত নির্ধারণের ভৌগোলিক রেখা টেনে দেওয়ার পরও ভারতীয় উপমহাদেশের বুকের ওপর ঝুলছিল এক বিশাল অনিশ্চয়তার খাঁড়া। সেটি ছিল পাঁচ শতাধিক ‘দেশীয় রাজ্য’ বা প্রেন্সলি স্টেটগুলোর (Princely States) ভবিষ্যৎ।

ভারতের হায়দ্রাবাদ দখল - রাজাকার, 'অপারেশন পোলো' ও রক্তাক্ত মুসলিম ট্র্যাজেডির দলিল

১৯৪৭ সালের আগস্ট মাস। ভারতীয় উপমহাদেশজুড়ে তখন এক অভূতপূর্ব ঐতিহাসিক উন্মাদনা ও অশ্রুসজল বিদায়ের ক্ষণ। প্রায় দু’শো বছরের ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের যবনিকা ঘটিয়ে জন্ম নিচ্ছে দুটি নতুন রাষ্ট্র ভারত ও পাকিস্তান। কিন্তু সীমান্ত নির্ধারণের ভৌগোলিক রেখা টেনে দেওয়ার পরও ভারতীয় উপমহাদেশের বুকের ওপর ঝুলছিল এক বিশাল অনিশ্চয়তার খাঁড়া। সেটি ছিল পাঁচ শতাধিক ‘দেশীয় রাজ্য’ বা প্রেন্সলি স্টেটগুলোর (Princely States) ভবিষ্যৎ।

ভারতের হায়দ্রাবাদ দখল - রাজাকার, 'অপারেশন পোলো' ও রক্তাক্ত মুসলিম ট্র্যাজেডির দলিল

অষ্টাদশ শতাব্দীর মধ্যভাগ ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অত্যন্ত উত্তাল অথচ যুগান্তকারী সময়। ১৭০৭ খ্রিষ্টাব্দে শেষ প্রভাবশালী মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর দিল্লি কেন্দ্রিক মুঘল সাম্রাজ্যের পরাক্রম ধসে পড়তে শুরু করে। এই কেন্দ্রীয় শাসনব্যবস্থার পতনের ফলে উদ্ভূত রাজনৈতিক শূন্যতা পূরণ করতে আবির্ভূত হয় এক নতুন দেশীয় সামরিক শক্তি মারাঠা সাম্রাজ্য (Maratha Empire)।

মারাঠাদের কাবুল দখলের স্বপ্ন - অটোক থেকে পেশোয়ার অসম্পূর্ণ ইতিহাস

অষ্টাদশ শতাব্দীর মধ্যভাগ ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অত্যন্ত উত্তাল অথচ যুগান্তকারী সময়। ১৭০৭ খ্রিষ্টাব্দে শেষ প্রভাবশালী মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর দিল্লি কেন্দ্রিক মুঘল সাম্রাজ্যের পরাক্রম ধসে পড়তে শুরু করে। এই কেন্দ্রীয় শাসনব্যবস্থার পতনের ফলে উদ্ভূত রাজনৈতিক শূন্যতা পূরণ করতে আবির্ভূত হয় এক নতুন দেশীয় সামরিক শক্তি মারাঠা সাম্রাজ্য (Maratha Empire)।

মারাঠাদের কাবুল দখলের স্বপ্ন - অটোক থেকে পেশোয়ার অসম্পূর্ণ ইতিহাস

কীভাবে একটি সমৃদ্ধশালী বন্দরনগরী ও ব্যাংকিংয়ের সূতিকাগার নিজ মসনদ হারিয়ে ফেলল এবং বোম্বে কীভাবে ভারতের অর্থনৈতিক পরাশক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করল? এটি কেবল দুটি শহরের লড়াইয়ের গল্প নয়; এটি হলো ভুল রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, প্রাকৃতিক সীমাবদ্ধতা, উদাসীন উদ্যোক্তা মানসিকতা, বৈশ্বিক যুদ্ধ এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থার মহা-ধসের এক ঐতিহাসিক দলিল।

কলকাতার পতন ও মুম্বাইয়ের উত্থান - বণিক থেকে ভারতের অর্থনৈতিক সাম্রাজ্য

কীভাবে একটি সমৃদ্ধশালী বন্দরনগরী ও ব্যাংকিংয়ের সূতিকাগার নিজ মসনদ হারিয়ে ফেলল এবং বোম্বে কীভাবে ভারতের অর্থনৈতিক পরাশক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করল? এটি কেবল দুটি শহরের লড়াইয়ের গল্প নয়; এটি হলো ভুল রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, প্রাকৃতিক সীমাবদ্ধতা, উদাসীন উদ্যোক্তা মানসিকতা, বৈশ্বিক যুদ্ধ এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থার মহা-ধসের এক ঐতিহাসিক দলিল।

কলকাতার পতন ও মুম্বাইয়ের উত্থান - বণিক থেকে ভারতের অর্থনৈতিক সাম্রাজ্য

কোনো দিক থেকেই বেলুচরা ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথাগত মুসলিম সমাজের অন্তর্ভুক্ত নয়। ভারতীয় উপমহাদেশের ইসলামি ইতিহাস সাধারণত সিন্ধু নদের পূর্ব পার বা সমতল ভূমি থেকে বিচার করা হয় যেখানে ৭১২ খ্রিষ্টাব্দে মুহাম্মদ বিন কাসিমের সিন্ধু অভিযানের মাধ্যমে ইসলামি শাসনের সূচনা ধরা হয়। কিন্তু ঐতিহাসিক সিন্ধু নদের পশ্চিমের বিশাল ও পাহাড়ি মালভূমি অঞ্চল, যা বেলুচিস্তান (Balochistan) নামে পরিচিত, তা কখনোই ভারতীয় মূল ভূখণ্ডের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বলয়ে অন্তর্ভুক্ত ছিল না। এটি ছিল প্রাচীন পারস্য, মধ্য এশিয়া এবং মাকরান উপত্যকার সভ্যতার অবিচ্ছেদ্য অংশ।

বেলুচ বনাম ভারতীয় মুসলিম - ইতিহাস, পরিচয় ও রাজনীতি

কোনো দিক থেকেই বেলুচরা ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথাগত মুসলিম সমাজের অন্তর্ভুক্ত নয়। ভারতীয় উপমহাদেশের ইসলামি ইতিহাস সাধারণত সিন্ধু নদের পূর্ব পার বা সমতল ভূমি থেকে বিচার করা হয় যেখানে ৭১২ খ্রিষ্টাব্দে মুহাম্মদ বিন কাসিমের সিন্ধু অভিযানের মাধ্যমে ইসলামি শাসনের সূচনা ধরা হয়। কিন্তু ঐতিহাসিক সিন্ধু নদের পশ্চিমের বিশাল ও পাহাড়ি মালভূমি অঞ্চল, যা বেলুচিস্তান (Balochistan) নামে পরিচিত, তা কখনোই ভারতীয় মূল ভূখণ্ডের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বলয়ে অন্তর্ভুক্ত ছিল না। এটি ছিল প্রাচীন পারস্য, মধ্য এশিয়া এবং মাকরান উপত্যকার সভ্যতার অবিচ্ছেদ্য অংশ।

বেলুচ বনাম ভারতীয় মুসলিম - ইতিহাস, পরিচয় ও রাজনীতি

বোম্বাইয়ের রাজপথে এক সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমী চেহারার আন্ডারওয়ার্ল্ড ডনের আবির্ভাব ঘটে। তিনি আর কেউ নন মনোহর অর্জুন সুরভে, অপরাধ জগতে যাকে সবাই চিনত 'মান্য সুরভে' নামে। মুম্বাই আন্ডারওয়ার্ল্ডের অধিকাংশ গ্যাংস্টার যেখানে ছিল নিরক্ষর বা স্বল্পশিক্ষিত, সেখানে মান্য সুরভে ছিলেন একজন ডিগ্রিধারী বি.এ পাশ স্নাতক, যার ছিল তুখোড় মেধা এবং প্রশাসনিক বইপত্র পড়ে অপরাধের ব্লু-প্রিন্ট ছকে ফেলার অসাধারণ ক্ষমতা।

মান্য সুরভে Manya Surve - মুম্বাই আন্ডারওয়ার্ল্ডের শিক্ষিত গ্যাংস্টার ও প্রথম এনকাউন্টার

বোম্বাইয়ের রাজপথে এক সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমী চেহারার আন্ডারওয়ার্ল্ড ডনের আবির্ভাব ঘটে। তিনি আর কেউ নন মনোহর অর্জুন সুরভে, অপরাধ জগতে যাকে সবাই চিনত 'মান্য সুরভে' নামে। মুম্বাই আন্ডারওয়ার্ল্ডের অধিকাংশ গ্যাংস্টার যেখানে ছিল নিরক্ষর বা স্বল্পশিক্ষিত, সেখানে মান্য সুরভে ছিলেন একজন ডিগ্রিধারী বি.এ পাশ স্নাতক, যার ছিল তুখোড় মেধা এবং প্রশাসনিক বইপত্র পড়ে অপরাধের ব্লু-প্রিন্ট ছকে ফেলার অসাধারণ ক্ষমতা।

মান্য সুরভে Manya Surve - মুম্বাই আন্ডারওয়ার্ল্ডের শিক্ষিত গ্যাংস্টার ও প্রথম এনকাউন্টার

বর্তমানে ভারতের সিনেমা জগতে তেলেগু চলচ্চিত্র বা ‘টলিউড’-এর নাম সর্বজনবিদিত। আল্লু অর্জুন, রাম চরণ, প্রভাশ, কিংবা নাগার্জুনের মতো তারকাদের জমকালো চলচ্চিত্রগুলোর পেছনের মূল আঁতুড়ঘর হলো আধুনিক তেলেঙ্গানা রাজ্যের রাজধানী হায়দ্রাবাদ। বাহ্যিকভাবে এটি আজকের ভারতের অন্যতম শীর্ষ প্রযুক্তি শহর (IT Hub) এবং বিনোদন শিল্পকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত হলেও, এই মাটির গভীরে লুকিয়ে রয়েছে চার শতাব্দীরও বেশি পুরনো এক মহাকাব্যিক রূপকথা।

দাক্ষিণাত্যের রত্ন হায়দ্রাবাদ - হায়দ্রাবাদী ডেক্কানি মুসলিমদের রাজকীয় ইতিহাস

বর্তমানে ভারতের সিনেমা জগতে তেলেগু চলচ্চিত্র বা ‘টলিউড’-এর নাম সর্বজনবিদিত। আল্লু অর্জুন, রাম চরণ, প্রভাশ, কিংবা নাগার্জুনের মতো তারকাদের জমকালো চলচ্চিত্রগুলোর পেছনের মূল আঁতুড়ঘর হলো আধুনিক তেলেঙ্গানা রাজ্যের রাজধানী হায়দ্রাবাদ। বাহ্যিকভাবে এটি আজকের ভারতের অন্যতম শীর্ষ প্রযুক্তি শহর (IT Hub) এবং বিনোদন শিল্পকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত হলেও, এই মাটির গভীরে লুকিয়ে রয়েছে চার শতাব্দীরও বেশি পুরনো এক মহাকাব্যিক রূপকথা।

দাক্ষিণাত্যের রত্ন হায়দ্রাবাদ - হায়দ্রাবাদী ডেক্কানি মুসলিমদের রাজকীয় ইতিহাস

মুসলিমদের বিজয় অভিযান এবং ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক শক্তির আগমনের বহু পূর্বেই ভারতীয় রাজনৈতিক ভূখণ্ডে সামরিক, প্রশাসনিক ও ধর্মীয় দিক থেকে অত্যন্ত বিশ্বমানের বেশ কিছু সাম্রাজ্যের বিকাশ ঘটেছিল। এই নিবন্ধে প্রাক-ইসলামিক যুগের ভারতীয় উপমহাদেশের সবচেয়ে শক্তিশালী, প্রভাবশালী এবং দূরদর্শী পাঁচটি সাম্রাজ্যের বিস্তার, প্রশাসনিক কাঠামো, সাংস্কৃতিক অবদান এবং পতনের বিশদ ইতিহাস আলোকপাত করা হলো।

ইসলামপূর্ব ভারতীয় উপমহাদেশের সবচেয়ে শক্তিশালী সাম্রাজ্যগুলো

মুসলিমদের বিজয় অভিযান এবং ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক শক্তির আগমনের বহু পূর্বেই ভারতীয় রাজনৈতিক ভূখণ্ডে সামরিক, প্রশাসনিক ও ধর্মীয় দিক থেকে অত্যন্ত বিশ্বমানের বেশ কিছু সাম্রাজ্যের বিকাশ ঘটেছিল। এই নিবন্ধে প্রাক-ইসলামিক যুগের ভারতীয় উপমহাদেশের সবচেয়ে শক্তিশালী, প্রভাবশালী এবং দূরদর্শী পাঁচটি সাম্রাজ্যের বিস্তার, প্রশাসনিক কাঠামো, সাংস্কৃতিক অবদান এবং পতনের বিশদ ইতিহাস আলোকপাত করা হলো।

ইসলামপূর্ব ভারতীয় উপমহাদেশের সবচেয়ে শক্তিশালী সাম্রাজ্যগুলো

কিংবদন্তি ফোক শিল্পী মমতাজের কণ্ঠে গাওয়া এই বিখ্যাত পংক্তিটি শুনলেই যেকোনো সংগীতপ্রেমী ও আধ্যাত্মিক পিপাসুর মনে গভীর অনুভূতির আলোড়ন সৃষ্টি হয়। এই গানে এক অভূতপূর্ব রূপক ও আধ্যাত্মিক দৃশ্যায়ন ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যেখানে সুরের আবেশে মহাবিশ্ব ও প্রকৃতির প্রতিটি উপাদান যেন শিহরিত হচ্ছে, এমনকি সুফি জগতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব ‘বড়পীর’ হযরত আব্দুল কাদির জিলানী (রহঃ)-ও খাজার সুরের আবেশে ঘামছেন!

খাজা মইনুদ্দিন চিশতী (রহঃ) কি সত্যিই গান গাইতেন? লোকসংগীতের রূপক ও সুফিদর্শনের বিস্ময়

কিংবদন্তি ফোক শিল্পী মমতাজের কণ্ঠে গাওয়া এই বিখ্যাত পংক্তিটি শুনলেই যেকোনো সংগীতপ্রেমী ও আধ্যাত্মিক পিপাসুর মনে গভীর অনুভূতির আলোড়ন সৃষ্টি হয়। এই গানে এক অভূতপূর্ব রূপক ও আধ্যাত্মিক দৃশ্যায়ন ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যেখানে সুরের আবেশে মহাবিশ্ব ও প্রকৃতির প্রতিটি উপাদান যেন শিহরিত হচ্ছে, এমনকি সুফি জগতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব ‘বড়পীর’ হযরত আব্দুল কাদির জিলানী (রহঃ)-ও খাজার সুরের আবেশে ঘামছেন!

খাজা মইনুদ্দিন চিশতী (রহঃ) কি সত্যিই গান গাইতেন? লোকসংগীতের রূপক ও সুফিদর্শনের বিস্ময়

ভারতে যদি কাউকে জিজ্ঞেস করা হয় এমন একটি সম্প্রদায়ের নাম বলতে, যাদের জনসংখ্যা একটি মাঝারি আকারের ফুটবল স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে ধরিয়ে দেওয়া সম্ভব, কিন্তু দেশের অর্থনীতি, শিল্প, বিজ্ঞান, সামরিক বাহিনী এবং সংস্কৃতির চালিকাশক্তি তাদের হাতে তবে উত্তর হবে একটিই: ভারতের পারসি সম্প্রদায়।

যেভাবে ইরানি পারসিয়ানরা ভারতের সংখ্যালঘু ধনী সম্প্রদায় হলো

ভারতে যদি কাউকে জিজ্ঞেস করা হয় এমন একটি সম্প্রদায়ের নাম বলতে, যাদের জনসংখ্যা একটি মাঝারি আকারের ফুটবল স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে ধরিয়ে দেওয়া সম্ভব, কিন্তু দেশের অর্থনীতি, শিল্প, বিজ্ঞান, সামরিক বাহিনী এবং সংস্কৃতির চালিকাশক্তি তাদের হাতে তবে উত্তর হবে একটিই: ভারতের পারসি সম্প্রদায়।

যেভাবে ইরানি পারসিয়ানরা ভারতের সংখ্যালঘু ধনী সম্প্রদায় হলো

দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি ও আধুনিক ইতিবৃত্ত নিয়ে যখনই কোনো গভীর আলোচনা হয়, তখন কয়েকটি নির্দিষ্ট প্রভাবশালী পরিবারের নাম অনিবার্যভাবে সামনে চলে আসে। এর মধ্যে পাকিস্তানের রাজনীতিতে ‘ভুট্টো পরিবার’ (Bhutto Family) কেবল একটি রাজনৈতিক বংশানুক্রম নয়, বরং এটি দক্ষিণ এশিয়ার ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু, ষড়যন্ত্র, সুফি ঐতিহ্য এবং রক্তক্ষয়ী ট্র্যাজেডির এক জটিল সংমিশ্রণ।

রাজপুত থেকে ভুট্টো - দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি ও বংশপরিক্রমা

দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি ও আধুনিক ইতিবৃত্ত নিয়ে যখনই কোনো গভীর আলোচনা হয়, তখন কয়েকটি নির্দিষ্ট প্রভাবশালী পরিবারের নাম অনিবার্যভাবে সামনে চলে আসে। এর মধ্যে পাকিস্তানের রাজনীতিতে ‘ভুট্টো পরিবার’ (Bhutto Family) কেবল একটি রাজনৈতিক বংশানুক্রম নয়, বরং এটি দক্ষিণ এশিয়ার ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু, ষড়যন্ত্র, সুফি ঐতিহ্য এবং রক্তক্ষয়ী ট্র্যাজেডির এক জটিল সংমিশ্রণ।

রাজপুত থেকে ভুট্টো - দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি ও বংশপরিক্রমা

বিশ্বের বড় বড় যুদ্ধ বা পারমাণবিক প্রতিযোগিতার পেছনে কেবল রাষ্ট্রের নীতি বা কূটনৈতিক চালই থাকে না; অনেক সময় একক কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত আবেগ, জেদ কিংবা শৈশবের গভীর কোনো ক্ষত পুরো একটি অঞ্চলের মানচিত্র ও শক্তির ভারসাম্য বদলে দেয়। দক্ষিণ এশিয়ার পারমাণবিক কূটনীতি ও শক্তির ভারসাম্যের নেপথ্যে তেমনই এক জ্বলন্ত নাম ড. আবদুল কাদের খান (এ কিউ খান)।

ভারতকে ঘৃনা করতেন পাকিস্তানের "পারমাণবিক বোমার জনক" ড. কাদের খান

বিশ্বের বড় বড় যুদ্ধ বা পারমাণবিক প্রতিযোগিতার পেছনে কেবল রাষ্ট্রের নীতি বা কূটনৈতিক চালই থাকে না; অনেক সময় একক কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত আবেগ, জেদ কিংবা শৈশবের গভীর কোনো ক্ষত পুরো একটি অঞ্চলের মানচিত্র ও শক্তির ভারসাম্য বদলে দেয়। দক্ষিণ এশিয়ার পারমাণবিক কূটনীতি ও শক্তির ভারসাম্যের নেপথ্যে তেমনই এক জ্বলন্ত নাম ড. আবদুল কাদের খান (এ কিউ খান)।

ভারতকে ঘৃনা করতেন পাকিস্তানের "পারমাণবিক বোমার জনক" ড. কাদের খান

দাক্ষিণাত্যের মালভূমির ওপর সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৯০০ মিটার উঁচুতে অবস্থিত, ১ কোটি ২০ লক্ষেরও বেশি মানুষের এই মহানগরী আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি বিশ্বে ভারতের মুখ উজ্জ্বল করে চলেছে। একসময় যে শহরকে ব্রিটিশ আমল বা স্বাধীন ভারতের সূচনালগ্নে শান্ত আবহাওয়ার জন্য ‘পেনশনার’স প্যারাডাইস’ (অবসরপ্রাপ্তদের স্বর্গরাজ্য) কিংবা সবুজে ঘেরা উদ্যানগুলোর জন্য ‘গার্ডেন সিটি’ (উদ্যান নগরী) বলা হতো, সেই শহরই আজ এক অভূতপূর্ব রূপান্তরের মধ্য দিয়ে অর্জন করেছে ‘ভারতের সিলিকন ভ্যালি’ খেতাব।

বেঙ্গালুরু ভারতের সিলিকন ভ্যালি - গার্ডেন সিটি থেকে এশিয়ার টেক-ক্যাপিটাল

দাক্ষিণাত্যের মালভূমির ওপর সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৯০০ মিটার উঁচুতে অবস্থিত, ১ কোটি ২০ লক্ষেরও বেশি মানুষের এই মহানগরী আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি বিশ্বে ভারতের মুখ উজ্জ্বল করে চলেছে। একসময় যে শহরকে ব্রিটিশ আমল বা স্বাধীন ভারতের সূচনালগ্নে শান্ত আবহাওয়ার জন্য ‘পেনশনার’স প্যারাডাইস’ (অবসরপ্রাপ্তদের স্বর্গরাজ্য) কিংবা সবুজে ঘেরা উদ্যানগুলোর জন্য ‘গার্ডেন সিটি’ (উদ্যান নগরী) বলা হতো, সেই শহরই আজ এক অভূতপূর্ব রূপান্তরের মধ্য দিয়ে অর্জন করেছে ‘ভারতের সিলিকন ভ্যালি’ খেতাব।

বেঙ্গালুরু ভারতের সিলিকন ভ্যালি - গার্ডেন সিটি থেকে এশিয়ার টেক-ক্যাপিটাল

বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে যখন কলকাতার জনঘনত্ব এবং পরিকাঠামোর ওপর চাপ অসহনীয় হয়ে উঠছিল, তখন বিকল্প এক স্বপ্নিল নগরের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছিলেন পরিকল্পনাবিদগণ। সেই স্বপ্নের বাস্তব রূপই হলো আজকের 'নিউ টাউন'। কলকাতার পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত এই উপশহরটি আজ কেবল একটি আবাসিক এলাকা নয়, বরং এটি ভারতের স্মার্ট সিটি ধারণার এক সার্থক উদাহরণ। নিউ টাউন বা রাজারহাট নিউ টাউন আজ এক পরিকল্পিত আধুনিকতার প্রতীক, যা কেবল পশ্চিমবঙ্গ নয়, বরং গোটা দক্ষিণ এশিয়ায় নগর পরিকল্পনার ক্ষেত্রে এক নতুন মাইলফলক স্থাপন করেছে।

বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে যখন কলকাতার জনঘনত্ব এবং পরিকাঠামোর ওপর চাপ অসহনীয় হয়ে উঠছিল, তখন বিকল্প এক স্বপ্নিল নগরের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছিলেন পরিকল্পনাবিদগণ। সেই স্বপ্নের বাস্তব রূপই হলো আজকের 'নিউ টাউন'। কলকাতার পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত এই উপশহরটি আজ কেবল একটি আবাসিক এলাকা নয়, বরং এটি ভারতের স্মার্ট সিটি ধারণার এক সার্থক উদাহরণ। নিউ টাউন বা রাজারহাট নিউ টাউন আজ এক পরিকল্পিত আধুনিকতার প্রতীক, যা কেবল পশ্চিমবঙ্গ নয়, বরং গোটা দক্ষিণ এশিয়ায় নগর পরিকল্পনার ক্ষেত্রে এক নতুন মাইলফলক স্থাপন করেছে।

মানবিকতার কাছে ধর্ম, জাত-পাত বা ভৌগোলিক পরিচয় কোনো বাধাই নয়। ভারতের আসাম রাজ্যের এক মসজিদের ইমাম আব্দুল বাছিত সাহসী পদক্ষেপ এবং বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে নেওয়ায় সিদ্ধান্ত নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়েছে ভিন্ন ধর্মাবলম্বী সাতটি তাজা প্রাণ। হিরো হওয়ার জন্য দরকার শুধু বিপন্ন মানুষের জন্য জেগে ওঠা একটি বিবেক।

মানবিকতার কাছে ধর্ম, জাত-পাত বা ভৌগোলিক পরিচয় কোনো বাধাই নয়। ভারতের আসাম রাজ্যের এক মসজিদের ইমাম আব্দুল বাছিত সাহসী পদক্ষেপ এবং বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে নেওয়ায় সিদ্ধান্ত নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়েছে ভিন্ন ধর্মাবলম্বী সাতটি তাজা প্রাণ। হিরো হওয়ার জন্য দরকার শুধু বিপন্ন মানুষের জন্য জেগে ওঠা একটি বিবেক।

ভারত উপমহাদেশের প্রতিটি প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা ঐতিহাসিক স্থাপত্যের মহিমা বিশ্বজুড়ে পর্যটকদের আকর্ষণ করে। একদিকে যেমন এই ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলি থেকে সরকার কোটি কোটি ডলার রাজস্ব আয় করে, অন্যদিকে তেমনই কট্টর হিন্দুত্ববাদী ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলোর 'হিন্দু ধর্ম বিপদে' (Hindu Khatre Mein) স্লোগান তুলে সেই ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর ঐতিহাসিক পরিচয় ও মালিকানা পরিবর্তনের জন্য আন্দোলন ও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হচ্ছে।

ভারতের পর্যটন অর্থনীতি – মুসলিম ঐতিহ্যের প্রতি কট্টর হিন্দুত্ববাদের দ্বৈত মনোভাব

ভারত উপমহাদেশের প্রতিটি প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা ঐতিহাসিক স্থাপত্যের মহিমা বিশ্বজুড়ে পর্যটকদের আকর্ষণ করে। একদিকে যেমন এই ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলি থেকে সরকার কোটি কোটি ডলার রাজস্ব আয় করে, অন্যদিকে তেমনই কট্টর হিন্দুত্ববাদী ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলোর 'হিন্দু ধর্ম বিপদে' (Hindu Khatre Mein) স্লোগান তুলে সেই ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর ঐতিহাসিক পরিচয় ও মালিকানা পরিবর্তনের জন্য আন্দোলন ও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হচ্ছে।

ভারতের পর্যটন অর্থনীতি – মুসলিম ঐতিহ্যের প্রতি কট্টর হিন্দুত্ববাদের দ্বৈত মনোভাব

মণিপুরের ইম্ফল শহরে বাসস্টপে দাঁড়িয়ে থাকা দশজন সাধারণ মানুষের জীবন থেমে গেল ভারতীয় সেনাবাহিনীর গুলিতে। এই “মালোম গণহত্যা”র পরদিনই এক ২৮ বছরের তরুণী ইরম শর্মিলা ঘোষণা করলেন, “AFSPA বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আমি খাব না, পান করব না, চুল আঁচড়াব না।” সেই অনশন চলল টানা ১৬ বছর, ৫৮০০ দিনেরও বেশি। এটি এখনো বিশ্বের দীর্ঘতম রাজনৈতিক অনশন হিসেবে গিনেস বুক ও লিমকা বুকে স্বীকৃত।

ইরম শর্মিলা চানুর অহিংস সংগ্রাম – মণিপুরের লৌহমানবীর ১৬ বছরের অনশনের গল্প

মণিপুরের ইম্ফল শহরে বাসস্টপে দাঁড়িয়ে থাকা দশজন সাধারণ মানুষের জীবন থেমে গেল ভারতীয় সেনাবাহিনীর গুলিতে। এই “মালোম গণহত্যা”র পরদিনই এক ২৮ বছরের তরুণী ইরম শর্মিলা ঘোষণা করলেন, “AFSPA বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আমি খাব না, পান করব না, চুল আঁচড়াব না।” সেই অনশন চলল টানা ১৬ বছর, ৫৮০০ দিনেরও বেশি। এটি এখনো বিশ্বের দীর্ঘতম রাজনৈতিক অনশন হিসেবে গিনেস বুক ও লিমকা বুকে স্বীকৃত।

ইরম শর্মিলা চানুর অহিংস সংগ্রাম – মণিপুরের লৌহমানবীর ১৬ বছরের অনশনের গল্প

ভারত তার বিশাল ভৌগোলিক বৈচিত্র্যের জন্য পরিচিত, যেখানে এক দিকে রয়েছে রাজস্থানের শুষ্ক মরুভূমি, আরেক দিকে মেঘালয়ের চিরহরিৎ বনভূমি। ভারতের কিছু অঞ্চলে বছরে মাত্র কয়েক সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত হয়, আবার কিছু স্থানে বছরে হাজার হাজার মিলিমিটার বৃষ্টি হয়, যা তাদের ‘পৃথিবীর সবচেয়ে বৃষ্টিপ্রবণ স্থান‘ হিসেবে খ্যাতি এনে দিয়েছে।

ভারতের সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয় যে ১০টি স্থানে

ভারত তার বিশাল ভৌগোলিক বৈচিত্র্যের জন্য পরিচিত, যেখানে এক দিকে রয়েছে রাজস্থানের শুষ্ক মরুভূমি, আরেক দিকে মেঘালয়ের চিরহরিৎ বনভূমি। ভারতের কিছু অঞ্চলে বছরে মাত্র কয়েক সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত হয়, আবার কিছু স্থানে বছরে হাজার হাজার মিলিমিটার বৃষ্টি হয়, যা তাদের ‘পৃথিবীর সবচেয়ে বৃষ্টিপ্রবণ স্থান‘ হিসেবে খ্যাতি এনে দিয়েছে।

ভারতের সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয় যে ১০টি স্থানে

আমাদের সাথে থাকুন এবং সোশ্যাল মিডিয়াতে আমাদের ফলো করুন।

Create a free website with Framer, the website builder loved by startups, designers and agencies.